শ্রীলংকা

Team Image

শ্রীলংকা : নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ তিনবার ফাইনাল খেলা দেশ শ্রীলঙ্কা। ২০০৯, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও একবারই মাত্র সফলতার দেখা পায় তারা। ২০১৪ সালে। বাংলাদেশের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা তুলে ধরে লাসিথ মালিঙ্গা অ্যান্ড কোং।

এর আগে কুমার সাঙ্গাকারার অধীনে ২০০৯ সালে পাকিস্তানের কাছে এবং মাহেলা জয়াবর্ধনের অধীনে ২০১২ সালে নিজেদের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ফাইনালে গিয়ে পরাজিত হয় লঙ্কানরা।

২০০৭ থেকে শুরু করে ২০১৫- এই আট বছর লঙ্কান ক্রিকেট সোনালী সময়ই পার করেছে বলা যায়। বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত ভার্সনের ক্রিকেটে। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলটি অবশ্যই তাদের সেরা প্রজন্ম। অর্জুনা রানাতুঙ্গার অধীনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে নেয় দলটি।

কিন্তু ২০০৭ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার পর ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও খেলে তারা। ২ বছর পর (২০১১ সালে) ভারতের বিপক্ষে আবারও ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলে হেরে যেতে হয় কুমার সাঙ্গাকারা অ্যান্ড কোংকে।

২০১২ সালে নিজেদের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে আবারও হারতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে। দুই বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে আবারও ফাইনালে উঠলো তারা। টানা চারটি বিশ্বকাপের ফাইনালে (ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে) হারের পর অবশেষে ২০১৪ সালে এসে শিরোপার স্বাদ পেলো লাসিথ মালিঙ্গার হাত ধরে।

২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয় লঙ্কানরা। এরপরই লঙ্কান ক্রিকেটের মাথার ওপর থেকে হারিয়ে যায় কুমার সাঙ্গাকারা এবং মাহেলা জয়াবর্ধনে নামক দুটি বটবৃক্ষের ছায়া। তিলকারত্নে দিলশানও ২০১৫ বিশ্বকাপের পর অবসরে চলে যান।

সেই থেকে লঙ্কান ক্রিকেট বলতে গেলে নিজেদের হারিয়েই খুঁজছে। তাদের সেই শ্রীলঙ্কার জৌলুস এখন একেবারে নেই বললেই চলে। সাঙ্গাকারা, জয়াবর্ধনেদের বিদায়ের পর এই শ্রীলঙ্কা পুরোপুরি অচেনা হয়ে গেছে। নিজেদের খুঁজেই পাচ্ছে না। র‌্যাংকিংয়ে এই দলটির খুবই বাজে অবস্থা। টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে রয়েছে ১০ নম্বেরে। এতটা বাজে অবস্থা লঙ্কানদের আর কখনও হয়েছে কি না সন্দেহ। যে কারণে, ওমানে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম পর্ব (বাছাই পর্ব) খেলতে হচ্ছে তাদের।

বাজে অবস্থার কারণে দলের ওপর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। কুশল পেরেরা, দিমুথ করুনারত্নে কিংবা দিনেশ চান্ডিমালের মত ক্রিকেটার থাকার পরও নেতৃত্ব তুলে দেয়া হয়েছে তরুণ ক্রিকেটার দাসুন শানাকার কাঁধে।

২০১৯ বিশ্বকাপে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে তাকে বাদ দিয়ে লঙ্কানদের কোচ করা হয়েছে অভিজ্ঞ মিকি আর্থারকে। কিন্তু যে দলটি তারকাহীনতায় ভুগছে, তাদেরকে পথ দেখাবে সে সাধ্য কার?

১৯৯৬ সালে অর্জুনা রানাতুঙ্গার নেতৃত্বে সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল দ্বীপদেশ শ্রীলংকায়। সেই থেকে একটি নির্দিষ্ট মান বজায় রেখে খেলে চলেছিল লঙ্কানরা। ২০০৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে দ্বিতীয় শিরোপা জেতার সম্ভাবনাও জাগিয়েছিল তারা। কিন্তু দুর্ভাগ্য, প্রবল প্রতাপশালী অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি মাহেলা জয়াবর্ধনের দল।

অধিনায়কের হাতবদলে চার বছর পর দল পরিচালনায় ছিলেন আরেক কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা। এবং টানা দ্বিতীয়বার (২০১১ সালে) বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গিয়েছিল সাঙ্গাকারার দল। মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গাকারা, মুত্তিয়া মুরালিধরন, তিলকারত্নে দিলশান, উপুল থারাঙ্গা, লাসিথ মালিঙ্গাদের নিয়ে সেবার শ্রীলঙ্কা ছিল সত্যিই অপ্রতিরোধ্য।

লঙ্কানদের দৃঢ় চরিত্রই তাদের সাফল্যের মূল কারণ। ১৯৯৬ সালে তাদের বিশ্বকাপ জেতাকে যারা ফ্লুক হিসেবে ভেবেছিল, তাদের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন অরবিন্দ ডি সিলভা আর অর্জুনা রানাতুঙ্গার উত্তরসূরিরা। ২০১৫ বিশ্বকাপ পর্যন্ত একভাবেই এগিয়ে চলছিল দ্বীপদেশটির ক্রিকেট। কিন্তু ২০১৫ সালের পর জয়াবর্ধনে এবং সাঙ্গাকারা অবসর নেয়ার ফলে কক্ষপথচ্যুত হয়ে যায় লঙ্কান ক্রিকেট।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ লঙ্কানদের জন্য বিশাল এক অগ্নি পরীক্ষা। কারণ খেলতে হচ্ছে বাছাই পর্ব। প্রথম চ্যালেঞ্জ তাদের মূল পর্ব নিশ্চিত করা। এখানে যদি ব্যর্থতার পরিচয় দেয়, তাহলে লঙ্কান ক্রিকেট সত্যিই হারিয়ে যাবে কালের অতল গহ্বরে। জিম্বাবুয়ের মত অবস্থা হতে পারে তাদের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লঙ্কানদের পরাজয়ের চেয়ে জয়ের হিসেব অনেক সমৃদ্ধ। ৩৫টি ম্যাচ খেলেছে তারা। যা বিশ্বকাপে যে কোনো দলের চেয়ে বেশি। জিতেছে ২২টিতে, হেরেছে ১২টিতে। টাই একটি।
তবে দলটির ক্রিকেটারদের যে সামর্থ্য, তা যদি সঠিকভাবে মাঠে মেলে ধরতে পারে, তাহলে যে কোনো দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখে তারা। দাসুন শানাকা তরুণ অধিনায়ক হলেও সম্প্রতি ভারতকে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারিয়ে নিজের সক্ষমতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।

দলের অধিকাংশ ক্রিকেটারই তরুণ এবং সম্ভাবনাময়ী। কোচ মিকি আর্থার কোনো ক্যারিশমার প্রকাশ ঘটালে এই দলটি যাবে অনেক দূর।

Captain Image

দাসুন শানাকা

জন্ম: ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১; বয়স: ৩০

ব্যাকগ্রাউন্ড

সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেন দাসুন শানাকা। ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবে শুরু থেকেই বেশ সুনাম কুড়ান এই পিঞ্চ হিটার। যে সুবাদে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার আগে শানাকা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) রংপুর রাইডার্স, সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলেন। জাতীয় দলে শানাকার টেস্ট অভিষেক হয় ২০১৫ সালে। পরের বছর সংক্ষিপ্ত ওভারের ক্রিকেটেও দেশের হয়ে খেলেন তিনি। তবে দলে তার নিয়মিত হওয়া ২০১৮ সালে।

অধিনায়কত্ব

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবার শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন শানাকা। সেই সিরিজে তার অধীনে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে লঙ্কানরা। ২০২১ সালে এসে দলকে ওয়ানডেতেও নেতৃত্ব দেয়ার সৌভাগ্য হয় তার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারায় কুশল পেরেরাকে সরিয়ে তার হাতে দেয়া হয় ওয়ানডে নেতৃত্ব। ভারতের বিপক্ষে নেতা হিসেবে ওয়ানডে অভিষেকে অবশ্য সিরিজ হার দেখতে হয় তাকে।

যত সাফল্য

অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকেই বাজিমাত করেন দাসুন শানাকা। তার নেতৃত্বে পাকিস্তানকে প্রথম ম্যাচে হারায় শ্রীলঙ্কা। যা বিগত ছয় বছরে দলটির বিপক্ষে ছিল লঙ্কানদের প্রথম জয়। এরপর সিরিজের বাকি দুই ম্যাচেও পাকিস্তানকে হারিয়ে শানাকার দল গড়ে ইতিহাস।

কেননা লঙ্কানদের জন্য সেটাই ছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কোনো দলকে প্রথমবার হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তি। এদিকে ওই সিরিজ দিয়েই টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার কোনো প্রতিপক্ষের কাছে ধবলধোলাইয়ের শিকার হয়ে পাকিস্তান। এই ফরম্যাটে নেতা শানাকার রেকর্ড আছে আরো। তার নেতৃত্বেই কিছুদিন আগে ঘরের মাঠে ভারতকে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারায় শ্রীলঙ্কা।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

শ্রীলঙ্কার হয়ে ব্যক্তি শানাকা এখনো সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবে ২০১৮ সালের আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে স্মরণীয় এক ইনিংস খেলেন তিনি। চতুর্থ ওয়ানডেতে সুযোগ পেয়ে মাত্র ৩৪ বলে তিনি করেছিলেন ৬৫ রান। যা তাকে ম্যাচ সেরার খেতাব এনে দেয়। এরপর ওয়ানডে ফরম্যাটে আর মাত্র দু’বার ফিফটির দেখা পান তিনি। টি-টোয়েন্টিও দু’বার।

ব্যক্তিগত জীবন

জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার পরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন শ্রীলঙ্কার রঙিন পোশাকের ক্রিকেটের বর্তমান অধিনায়ক শানাকা। ২০২০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি বিয়ে করেন দীর্ঘদিনের বান্ধবী শেবান্তিকে। একসঙ্গে তিন বছর থাকার পর নেগোম্বোর আভানরা গার্ডেন হোটেলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন তারা।

Coach Image

মিকি আর্থার

জন্ম: ১৭ মে, ১৯৬৮ বয়স: ৫৩  

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

এবারের বিশ্বকাপে অভিজ্ঞ কোচদের একজন হয়েই শ্রীলঙ্কার ড্রেসিংরুমে থাকবেন দক্ষিণ আফ্রিকার মিকি আর্থার। বিশ্বের বড় বড় কয়েকটি দলকে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা আছে তার। খেলোয়াড়ি জীবনকে বিদায় বলার পর ২০০৩ সালেই কোচিং পেশায় নাম লেখান আর্থার। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্লাব গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট ক্রিকেট টিম দিয়ে এই পেশায় যাত্রা শুরু তার।

একই বছর তাকে করা হয় ইস্টার্ন কেপের কোচ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কোচিংয়ে আর্থারের অভিষেক নিজের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার হয়েই। ২০০৫ সালে সবাইকে বেশ অবাক করে দিয়েই রে জেনিংসের স্থলাভিষিক্ত হন আর্থার। এরপর টানা পাঁচ বছর প্রোটিয়াদের দায়িত্ব সামলান তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা অধ্যায় ২০১০ সালে শেষ করার অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সেখানকার ঘরোয়া ক্লাব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন।

একই বছর প্রথম ভিনদেশি কোচ হিসেবে পেয়ে যান অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব। ২০১৩ সালে সেই অধ্যায় শেষ করে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি দল ঢাকা ডায়নামাইটসকে এক মৌসুম কোচিং করান এই প্রোটিয়া।

পরে ২০১৬ সালে তৃতীয়বারের মতো কোনো জাতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন পাকিস্তানে। সে সময় পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি করাচি কিংসের হয়েও কাজ করেন তিনি। আর্থারের পাকিস্তান অধ্যায় শেষ হয় ২০১৯ সালের আগস্টে। এরপর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান দল শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচের ভূমিকায় কাজ শুরু করেন তিনি।  

সফলতা

বেশ হাই প্রোফাইল কোচ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কমবেশি বড় সাফল্যও আছে আর্থারের। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বেশ বাজে শুরুর পর দলটিকে টেস্ট এবং ওয়ানডে র‍্যাংকিংংয়ের শীর্ষে তুলেছিলেন আর্থারই। এদিকে, তিনিই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ যার অধীনে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতেই টেস্ট সিরিজে হারায় প্রোটিয়ারা। এরপর পাকিস্তানের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি  র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠা আর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জেতা- সবই এসেছে আর্থারের সময়েই।

সম্ভাবনা

১৬ বছরের আন্তর্জাতিক কোচিং ক্যারিয়ারে আইসিসি ইভেন্টে একবারই সফল আর্থার। তবে তার দীর্ঘ কর্মময় কোচিং জীবনের অভিজ্ঞতা শ্রীলঙ্কা দলের জন্য বড় পাথেয়। কুমার সাঙ্গাকারা-মাহেলা জয়াবর্ধনে পরবর্তী যুগে লঙ্কানরা এখনো খাবি খাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। তবে আর্থারের সময়ে উদীয়মান বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার উঠে এসেছেন। এবারের বিশ্বকাপ জয়ের ফেবারিট লিস্টের তালিকায় হয়তো নেই দলটি। তবে আর্থারের কোচিং জাদুতে অন্তত নকআউট পর্বে খেলার স্বপ্ন দেখতেই পারে লঙ্কানরা।

ব্যক্তিগত জীবন

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে জন্ম নেয়া আর্থার কর্মক্ষেত্র হিসেবে দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় থাকার পর সে দেশের নাগরিকত্ব পান ২০১৬ সালে। 

শ্রীলঙ্কা স্কোয়াড

দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (সহ অধিনায়ক), কুশল জেনিত পেরেরা, দিনেশ চান্দিমাল, আভিষ্কা ফার্নান্দো, ভানুকা রাজাপাকশে, চারিথ আসালাঙ্কা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, কামিন্দু মেন্ডিস, চামিকা করুনারত্নে, নুয়ান প্রদিপ, দুশমান্থ চামিরা, প্রবিন জয়াবিক্রমা, লাহিরু মাদুশাঙ্কা ও মাহিশ থিকশানা।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট 

কুশল পেরেরা

৫২

১৪১৬

২৭.৭৬

১২/০

৮৪

১৩২.২১

দিনেশ চান্দিমাল

৫৯

৯৩৯

২০.৪১

৬/০

৬৬*

১০৫.৩৮

আভিষ্কা ফার্নান্দো

২২

২৭৩

১৩.০০

০/০

৩৭

৯৬.১২

ভানুকা রাজাপাকশে

১০

১৬৫

২০.৬২

১/০

৭৭

১২৯.৯২

চারিথ আসালাঙ্কা

৬৪

২১.৩৩

০/০

৪৪

৯৮.৪৬

কামিন্দু মেন্ডিস

৭৬

১৫.২০

০/০

৪১

১২২.৫৮ 

লাহিরু মাদুশাঙ্কা

২২

৭.৩৩

০/০

২০

৭৫.৮৬

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

চামিকা করুনারত্নে

৮৯.০০

০/০

১/৩৪

৮.৩৪ 

নুয়ান প্রদীপ

১৬

১৫

২৯.০৬

১/০

৪/২৫

৯.৪১ 

দুশমান্থ চামিরা

৩১

৩১

২৭.১৬

১/০

৪/১৭

৭.৭৭

প্রবিন জয়াবিক্রমা

-

০/০

০/১২

১০.২৮

মহেশ থিকশানা

৯৩.০০

০/০

১/৩৫

৭.৭৫

 

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

দাসুন শানাকা

৪৯

৬১১

১৫.৬৬

২/০

৫৪

১০৬.০৭

১৫

১৯.৩৯ 

০/০

৩/১৬

৭.২৪

ধনঞ্জয়া ডি সিলভা

২৩

৪১২

২০.৬০

২/০

৬২

১০৮.৪২

৩৪.২০

০/০

২/২২

৭.১২

ভানিন্দু হাসারাঙ্গা

২৫

২০০

১২.৫০

০/০

৪৪

১০৮৭.৫২

৩৬

১৫.৪৭

১/০

৪/৯

৬.৫৭

 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলংকা : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ৬ বার 
  • চ্যাম্পিয়ন : একবার (২০১৪)     
  • রানার্সআপ : দুইবার (২০০৯, ২০১২ )  
  • সেমিফাইনাল: একবার (২০১০)
  • দ্বিতীয় পর্ব :দুইবার (২০০৭, ২০১৬)
  • প্রথম পর্ব: নেই

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন)

সংক্ষেপে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্নরান

২০০৭-২০১৬

৩৫

২২

১২

২৬০

৮৭

বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সেরা ১০টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

২৬০

জয়

কেনিয়া

জোহানেসবার্গ

২০০৭

১৯৫

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ব্রিজটাউন

২০১০

১৯২

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

নটিংহাম

২০০৯

১৮৯

হার

ইংল্যান্ড

চট্টগ্রাম

২০১৪

১৮২

জয়

জিম্বাবুয়ে

হাম্বানটোটা

২০১২

১৭৪

টাই

নিউজিল্যান্ড

পাল্লেকেলে

২০১২

১৭৩

জয়

জিম্বাবুয়ে

প্রভিডেন্স

২০১০

১৬৯

জয়

ইংল্যান্ড

পাল্লেকেলে

২০১২

১৬৮

জয়

নিউজিল্যান্ড

জোহানেসবার্গ

২০০৭

১৬৭

জয়

ভারত

গ্রস আইলেট

২০১০

বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

মাহেলা জয়াবর্ধনে    

৩১

১০১৬

১০০

৩৯.০৭

তিলকারত্নে দিলশাল

৩৫

৮৯৭

৯৬*

৩০.৯৩

কুমার সাঙ্গাকারা

৩১

৬৬১

৬৮

২৫.৪২

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ

২৯

৪৫৯

৭৩*

৩৮.২৫

সনাৎ জয়সুরিয়া

১৮

৩৪৬

৮৮

 ২১.৬২

থিসারা পেরেরা

২০

২৩২

৪০

২৩.২০

জেহান মুবারাক

১২

১৬১

৪৬*

২৩.০০

চামারা কাপুগেদারা

১০

১৪৫

৩৭*

১৬.১১

চামারা সিলভা

১২

১৩৮

৩৮

১২.৫৪

কুশল পেরেরা

১২৫

৬১

২০.৮৩

বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সেরা ১০ বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

লাসিথ মালিঙ্গা

৩১

১০২.৪

৭৬৩

৩৮

৫/৩১

২০.০৭

অজন্তা মেন্ডিজ

২১

৭৮.৩

৫২৬

৩৫

৬/৮

১৫.০২

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ

২৯

৭৪.২

৪৮১

১৯

৩/১৬

২৫.৩১

নুয়ান কুলাসেকেরা

১৮

৫৮.৫

৪৩০

১৭

৪/৩২

২৫.২৯

রঙ্গনা হেরাথ

১০

৩৫.৩

3

২১৪

১৩

৫/৩

১৬.৪৬

মুত্তিয়া মুরালিধরন

৩৫.০

২০৯

১১

৩/২৯

১৯.০০

থিসারা পেরেরা

২০

২২.২

২০১

৩/৩৩

২৮.৭১

সনাৎ জয়সুরিয়া

১৮

৩১.৫

২৫৬

২/৪

৩৬.৫৭

দিলহারা ফার্নান্দো

১৭.০

১০৪

২/১৭

১৭.৩৩

আকিলা ধনাঞ্জয়ে

১১.০

0

৭৪

২/১৭

১৭.৩৩

 

সময়সূচি

১৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নামিবিয়া নামিবিয়া ৯৬/১০

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১০০/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

৭ উইকেটে জয়ী শ্রীলঙ্কা, ১৩.৩ ওভার (৩৯ বল হাতে রেখে)

২০ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৭১/৭

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১০১/১০

ম্যাচ রিপোর্ট

শ্রীলঙ্কা ৭০ রানে জয়ী

২২ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ৪৪/১০

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ৪৫/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ৭.১ (শ্রীলঙ্কা ৮ উইকেটে জয়ী)

২৪ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ১৭১/৪

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৭২/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেটে জয়ী

২৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৫৪/৬

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৫৫/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৭ (অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী)

৩০ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৪২/১০

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪৬/৬

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯.৫ (দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে জয়ী)

০১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৩৭/১০

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১৬৩/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯ (ইংল্যান্ড ২৬ রানে জয়ী)

০৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৬৯/৮

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৮৯/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০ (২০ রানে জয়ী শ্রীলঙ্কা)

১৬ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

কার্দিনিয়া পার্ক

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১০৮/১০ (১৯.০)

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৬৩/৭ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

৫৫ রানে জয়ী নামিবিয়া

১৮ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

কার্দিনিয়া পার্ক

আরব আমিরাত আরব আমিরাত ৭৩/১০ (১৭.১)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৫২/৮ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: শ্রীলঙ্কা ৭৯ রানে জয়ী

২০ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

কার্দিনিয়া পার্ক

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১৪৬/৯ (২০.০)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৬২/৬ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ১৬ রানে জয়ী শ্রীলঙ্কা

২৩ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

বেলেরিভ ওভাল

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৩৩/১ (১৫.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১২৮/৮ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ৯ উইকেটে জয়ী শ্রীলঙ্কা

২৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:০০ পিএম

পার্থ স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৫৮/৩ (১৬.৩)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৫৭/৬ (২০.০)

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী

২৯ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১০২/১০ (১৯.২)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৬৭/৭ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: নিউজিল্যান্ড ৬৫ রানে জয়ী।

০১ নভেম্বর, ২০২২, ১০:০০ এএম

ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৪৪/৮ (২০.০)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৪৮/৪ (১৮.৩)

ফল: শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে জয়ী

০৫ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১৪২/৬ (১৯.৪)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৪১/৮ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ইংল্যান্ড ৪ উইকেটে জয়ী।