ওয়েস্ট ইন্ডিজ

Team Image

ওয়েস্ট ইন্ডিজ : শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্য এবারও

ক্রিকেট বিশ্বের এককালের মহাপরাক্রমশালী দলটির নাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে যদি টেস্ট আর ওয়ানডে ফরম্যাট বাদ দিয়ে শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের কথা ধরা হয়, তাহলে বর্তমান ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবার শক্তিশালী। বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে।

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে ৬টি। এর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজই কেবল দু’বার এই শিরোপাটি জয় করার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার মাটি থেকে এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালে ভারতের মাটি থেকে শিরোপা জয় করে নেয় ক্যারিবীয়রা।

মূলতঃ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করছে যে ক’জন ভালোমানের ক্রিকেটার, তাদের প্রায় অধিকাংশেরই সমাবেশ ঘটেছে ক্যারিবীয় দলে। যে কারণে বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টিতেও তাদের সেই গৌরবোজ্জ্বল সময়ের মত আধিপত্য বজায় রেখে চলেছে।

যদিও ড্যারেন স্যামি, মারলন স্যামুয়েলসসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার এবার নেই। তবে ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ড, ডোয়াইন ব্র্যাভো, লেন্ডল সিমন্সসহ বিশ্ব কাঁপানো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার এবারও আছেন। বিশ্ব জয় করার দারণ ক্ষমতা রয়েছে এদের হাতে। শুধু সময়মত জ্বলে উঠতে পারলেই হবে।  

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট ইতিহাস অনেক পুরনো। ১৮৮০ সালে কানাডার বিপক্ষে খেলার জন্য সর্বপ্রথম ক্রিকেট দল গঠন করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো দ্বীপদেশ শুধু ক্রিকেটের টানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাম নিয়ে একত্রিত হয়েছে এক পতাকাতলে।

১৯২৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সদস্য হয় তারা। ১৯২৮ সালে প্রথম টেস্ট খেলার সুযোগ পায়। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের শুরুর দিনগুলোতে একচেটিয়া দাপট ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অবাক দৃষ্টিতে সবাই দেখেছে গ্যারি সোবার্স, ক্লাইভ লয়েড, গর্ডন গ্রিনিজ, জোয়েল গার্নার, ভিভ রিচার্ডস, কোর্টনি ওয়ালশ, কার্টলি অ্যামব্রোস, ব্রায়ান লারাদের ক্রিকেট জাদু।

কিন্তু এখন সেসব কেবলই স্মৃতি। ওয়ানডে আর টেস্ট না হলেও টি-টোয়েন্টিতে সেই স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে এনেছে তারা। টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে অষ্টম ও ওয়ানডেতে নবম স্থানই বলে দিচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের বর্তমান হালচাল। আবার টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বকাপ এলে তারা ভালো করলেও র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে অনেক। রয়েছে ৯ম স্থানে।

যে কোনো সময় জ্বলে উঠতে পারে ক্যারিবীয় ক্রিকেটাররা। যেমন ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ওভারে টানা চারটি ছক্কা মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অসাধারণ জয় এনে দেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। যদিও এবার সেই ব্র্যাথওয়েট আর ক্যারিবীয় দলে নেই।

২০১২ শ্রীলঙ্কার মাটিতে স্বাগতিকদের হারিয়ে প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টি শিরোপা জয় করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫৬ বলে ৭৮ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে ক্যারিবীয়দের ১৩৭ রানের সংগ্রহ এনে দেন মারলন স্যামুয়েলস। জবাব দিতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের অসাধারণ বোলিংয়ে ১৮.৪ ওভারে মাত্র ১০১ রানেই অলআউট হয়ে যায় লঙ্কানরা। অথচ লঙ্কানদের ওই দলে ছিলেন জয়াবর্ধনে, সাঙ্গাকারা, দিলশান, ম্যাথিউজদের মত ব্যাটসম্যানরা। অথচ ৩৬ রানে ফাইনাল জিতে যায় ক্যারিবীয়রা।

পরেরবার তো (২০১৬ সালে, মাঝে ২০১৪ সালে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা) ভারতের মাটিতে ফাইনালে রূপকথাই লিখেছিল তারা। সেই মারলন স্যামুয়েলসই খেলেন ৬৬ বলে ৮৫ রানের অনবদ্য এক ইনিংস। তাতেও যখন পরাজয় প্রায় নিশ্চিতই বলা যায়, তখন বেন স্টোকসকে টানা ৪বার সীমানার বাইরে পাঠিয়ে ২৪ রান তুলে ফেলেন ব্র্যাথওয়েট। আর দুই বিশ্বকাপ জয়ে ফাইনালে অবদান রাখার জন্য দু’বারই ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন স্যামুয়েলস।

ক্রিস গেইল তো এবার আরও একটি শিরোপা জয়ের জন্যই অবসর নেননি। ধরেই রেখেছেন টি-টোয়েন্টির আরও একটি শিরোপা হাতে তুলে নেবেন। দেখার বিষয়, আরব আমিরাতে কতটা পারেন তিনি। সঙ্গে তার দলটাও রয়েছে বেশ সম্ভাবনায়ী।

২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপ ছিল ক্যারিবীয়দের জন্য হতাশাজনক। গ্রুপ পর্বে ২ ম্যাচের সবগুলোতে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে তাদেরকে। প্রথম ম্যাচে তারা হেরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৮ উইকেট। পরের ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশের কাছে ৬ উইকেটে।

২০০৯ সালে সি গ্রুপে ছিল ক্যারিবীয়রা। সেবার ১টিতে জয়, একটিতে হার। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে সক্ষম হয় তারা। এরপর সুপার এইটে গিয়েও বাজিমাত করে ক্রিস গেইলের নেতৃত্বাধীন দলটি। ‘ই’ গ্রুপে ইংল্যান্ড এবং ভারতকে বিদায় করে তারা উঠে যায় সেমিফাইনালে। তবে সেমিতে শ্রীলঙ্কার কাছে তারা হেরে যায় ৫৭ রানে।

২০১০ বিশ্বকাপে অংশ নেয় ডোয়াইন ব্র্যাভোর নেতৃত্বে। ‘ডি’ গ্রুপে তারা হারিয়ে দেয় আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডকে। কিন্তু সুপার এইটে শুধুমাত্র ভারতকে হারাতে পেরেছিল তারা। বাকিগুলোতে হেরে বিদায় নেয় তারা।

২০১২ সালে তো চ্যাম্পিয়নই হলো তারা, ফাইনালে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৩৬ রানে হারায় তারা। ২০১৪ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার টেনে অংশ নেয় ক্যারিবীয়রা। ৪ ম্যাচের তিনটিতে জিতে তারা ওঠে সেমি ফাইনালে। কিন্তু শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে যায় ২৭ রানে। ২০১৬ সালে তো আবারও চ্যাম্পিয়ন।

এবারও তারা অংশ নিচ্ছে সরাসরি সুপার টুয়েলভ পর্বে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ২৩ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এরপর ২৬ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা, ২৯ অক্টোবর খেলবে প্রথম পর্বে ‘বি’ গ্রুপের রানারআপ দলের বিপক্ষে। ৪ নভেম্বর খেলবে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে। ৬ নভেম্বর মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার।

Captain Image

কাইরন পোলার্ড

জন্ম: ১২ মে, ১৯৮৭; বয়স: ৩৪
ডাকনাম: পোলি, বিগম্যান

ব্যাকগ্রাউন্ড

ওয়েস্ট ইন্ডিজের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়েই প্রথম লাইমলাইটে আসেন কাইরন পোলার্ড। সিনিয়র দলের হয়ে এই হার্ডহিটারের অভিষেক হয় ২০০৬ সালে, জন্মস্থান ত্রিনিদাদের হয়ে। এর ছয় মাস পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বারবাডোজের বিপক্ষেও হয়ে যায় তার অভিষেক।

এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি পোলার্ডকে। নিজের অলরাউন্ড নৈপূণ্যে ২০০৭ সালেই তিনি জায়গা করে নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে। সে বছর ওয়ানডে অভিষেকের পর ২০০৮ সালে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও উইন্ডিজের হয়ে খেলার সুযোগ পান তিনি। মারকুটে স্বভাবের ব্যাটসম্যান হওয়ায় ক্যারিবিয়ানদের হয়ে যদিও কখনো টেস্ট খেলা হয়নি পোলার্ডের। তাতে কি, ফ্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টগুলোতে তার চাহিদা আকাশচুম্বি।

অধিনায়কত্ব

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটা যেন ক্যারবিয়ান ক্রিকেটারদের জন্যই তৈরি। একদিকে, শারীরিকভাবে দীর্ঘকায় হওয়ায় পিঞ্চ হিটিং সামর্থ্য রাখা পোলার্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোতে বেশি মনোযোগী। জাতীয় দলে একটা সময় তাই অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি। তবে দীর্ঘ একযুগ বহির্বিশ্বে খেলে পোলার্ড এতটাই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হয়ে ওঠেন যে, ২০১৯ সালে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংক্ষিপ্ত ওভারের ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেয়া হয়। ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর জেসন হোল্ডারকে সরিয়ে পোলার্ডকে এই দায়িত্ব তুলে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড।

যত সাফল্য

অধিনায়ক হিসেবে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে বেশ ভালো সাফল্যই আছে কাইরন পোলার্ডের। ২০২০ সালে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) তার নেতৃত্বে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স হয়েছিল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন। উইন্ডিজ দলের অধিনায়ক হিসেবে প্রায় দুই বছর কাটিয়ে দিলেও এখনো সে অর্থে সাফল্য পাওয়া হয়নি। তার নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কাকেই হারাতে পেরেছে ক্যারিবিয়ানরা।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সফল হতে প্রয়োজন আগ্রাসী ব্যাটিং। আর সেটাই সবচেয়ে ভালো করে পারেন পোলার্ড। এই ফরম্যাটের অনেকগুলো রেকর্ড আছে তাই তার দখলে। এই তো কিছুদিন আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আকিলা ধনঞ্জয়ার করা এক ওভারে ছয় ছক্কা হাঁকিয়ে ইতিহাস গড়েছেন পোলার্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হার্শেল গিবস এবং যুবরাজ সিংয়ের পর তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তার এমন কীর্তি ইতিহাস হয়েই থাকবে। টি-টোয়েন্টির আরও একটি রেকর্ড আছে পোলার্ডের দখলে, যা সবসময় তার হয়েই থাকবে। এই ফরম্যাটে সবধরনের ম্যাচ মিলিয়ে ৫০০ ম্যাচ খেলা প্রথম ক্রিকেটার হলেন পোলার্ড।

ব্যক্তিগত জীবন

ত্রিনিদাদের খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা পোলার্ডের। মা আর দুই বোনসহ তাদের ছিল চারজনের পরিবার। পুরো পরিবারের ভরণপোষণ চালাতে হতো তার মাকে। পোলার্ডের ক্রিকেটে সফল হওয়ার সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। ব্যক্তি জীবনে দুই সন্তানের জনক তিনি। বিয়ে করেন জেনা আলিকে।

Coach Image

ফিল সিমন্স

জন্ম: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬৩; বয়স: ৫৮  

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

২০০২ সালে খেলোয়াড়ি জীবন থেকে বিদায় নেয়ার পরপরই কোচিং ক্যারিয়ারে মন দেন ফিল সিমন্স। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার যাত্রা শুরু হয় জিম্বাবুয়ের প্রধান কোচ হিসেবে। ২০০৪ সালে এই দায়িত্ব পাওয়ার এক বছর পরেই অবশ্য বরখাস্ত হন তিনি।

এরপর ২০০৭ সালে আয়ারল্যান্ড জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত করা হয় তাকে। সিমন্সের অধীনে আইরিশরা ২২৪ ম্যাচ খেলে। ২০১৫ বিশ্বকাপ শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ করা হয় তাকে। মাঝে আফগানিস্তানের ব্যাটিং পরামর্শক এবং পরে প্রধান কোচ হিসেবে দুই বছর কাজ করেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয় দফায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব বুঝে নেন সিমন্স।

সাফল্য

ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল সিমন্সের অধীনেই। ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাফল্যের পেছনের বড় চাবিকাঠি ছিলো তার প্রশিক্ষণ।

কোচিং ক্যারিয়ারে আয়ারল্যান্ডকে দু’হাত ভরে সফলতা এনে দেন এই ত্রিনিদাদিয়ান। তার সময়ে আইরিশরা ১১ শিরোপা জিতেছে। খেলেছে আইসিসির প্রতিটি ইভেন্টে। ২০০৭ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ, ২০১১ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড এবং ২০১৫ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে বধে আইরিশদের পথ দেখান সিমন্স।  

সম্ভাবনা

প্রায় দুই দশকের কোচিং ক্যারিয়ারে বহু সাফল্য পেয়েছেন সিমন্স। ব্যর্থ যে হননি তাও নয়। জিম্বাবুয়ে তার সময়েই ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হয়েছিল। আর ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আফগানিস্তান তার অধীনে জিততে পারেনি আসরের কোনো ম্যাচ।

তবে দীর্ঘদিন কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা সিমন্সের বড় অস্ত্র। যদি ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের সঙ্গে তার রসায়ন জমে আর সে সব অভিজ্ঞতা যদি গেইল-রাসেলরা কাজে লাগাতে পারে, তবে বলা যায় না তার অধীনে আরেকটা বিশ্বকাপ হয়তো পেয়েও যেতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ব্যক্তিগত জীবন

৫৭ বছর বয়সী ফিল সিমন্স ইংলিশ ফুটবল খুব পছন্দ করেন। লন্ডনের ক্লাব টটেনহাম হটস্পারের পাঁড় ভক্ত তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের ডানহাতি ব্যাটসম্যান লেন্ডল সিমন্স সম্পর্কে তার ভাতিজা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াড

কাইরন পোলার্ড (অধিনায়ক), নিকোলাস পুরান, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, ডোয়াইন ব্রাভো, রস্টোন চেজ, আন্দ্রে ফ্লেচার, ক্রিস গেইল, শিমরন হেটমেয়ার, এভিন লুইস, ওবেদ ম্যাককয়, রবি রামপাল, আন্দ্রে রাসেল, লেন্ডল সিমন্স, ওশানে থমাস ও হেইডেন ওয়ালশ জুনিয়র।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট 

ক্রিস গেইল

৭৪

১৮৫৪

২৯.৪২

১৪/২

১১৭

১৩৯.১৮

নিকোলাস পুরান

৪১

৬৩৪

২২.৬৪

৩/০

৬২* 

১২৪.০৭

আন্দ্রে ফ্লেচার

৫৪

৯৫০

২১.১১

৬/০

৮৪*

১১১.৩৭

শিমরন হেটমেয়ার

৩৭

৫৩৯

১৯.৯৬

২/০

৬১

১১৬.৯১

এভিন লুইস

৪৫

১৩১৮

৩২.১৪

৯/২

১২৫*

১৫৮.০৩

লেন্ডল সিমন্স

৬৬

১৫০৮

২৭.৪১

৯/০

৯১*

১২৩.৪০ 

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

ওবেদ ম্যাককয়

১২

১৯

১৬.২১

২/০

৪/২২

৭.৭০

রবি রামপাল

২৩

২৯

২৪.৩১

০/০

৩/১৬

৮.৫১

ওশানে থমাস

১৭

১৯

২৬.৫২

০/১

৫/২৮

৯.১৬

হেইডেন ওয়ালশ জু. ২৬

২৩

২১.০৮

০/০

৩/২৩

৭.৫৯

 

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সেরা

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

আন্দ্রে রাসেল

৬২

৫১

২১.০৫

১/০

৫১

১৫৬.৩৩

৩৬

৩৪.৪৭

০/০

৩/৪৩

৯.১৮

কাইরন পোলার্ড

৮৮

১৩৭৮

২৪.৬০

৬/০

৭৫*

১৩৭.৯৩

৩৮

২৭.৩৪

১/০

৪/২৫

৮.৪২

ফাবিয়ান অ্যালেন

২৮

২৫০

১৭.৮৫

০/০

৩৪

১৩৮.৮৮৮ ২০

২৭.০৫

০/০

২/১৮

৭.২১

 

ডোয়াইন ব্রাভো

৮৬

১২২৯

২৩.১৮

৪/০

৬৬*

১১৫.৬১

৭৬

২৯.৫১

৩/০

৪/১৯

৮.০৮

রস্টোন চেজ

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ৬ বার 
  • চ্যাম্পিয়ন : দুইবার (২০১২, ২০১৬)       
  • রানার্সআপ : নেই  
  • সেমিফাইনাল: দুইবার (২০০৯, ২০১৪)
  • দ্বিতীয় পর্ব :একবার (২০১০)  
  • প্রথম পর্ব: একবার (২০০৭)

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন),

সংক্ষেপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০০৭-২০১৬

৩১

১৭

 ১২

২০৫

১০১

বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ১০টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

২০৫

হার

দক্ষিণ আফ্রিকা

জোহানেসবার্গ

২০০৭

২০৫

জয়

অস্ট্রেলিয়া

কলম্বো

২০১২

১৯৬

জয়

ভারত

মুম্বাই

২০১৬

১৯১

হার

অস্ট্রেলিয়া

কলম্বো

২০১২

১৮৩

জয়

ইংল্যান্ড

মুম্বাই

২০১৬

১৭৯

জয়

অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা

২০১৪

১৭৯

জয়

ইংল্যান্ড

পাল্লেকেলে 

২০১২

১৭৭

হার

শ্রীলঙ্কা

নটিংহাম

২০০৯

১৭২

জয়

অস্ট্রেলিয়া

দ্য ওভাল

২০০৯

১৭১

জয়

বাংলাদেশ

ঢাকা

২০১৪

বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

ক্রিস গেইল  

২৮

৯২০

১১৭

৪০.০০

মারলন স্যামুয়েলস

২০

৫৩০

৮৫*

৩১.১৭

ডোয়াইন ব্রাভো

২৯

৫০৪

৬৬*

২৪.০০

লেন্ডল সিমন্স

১২

৩২০

৮২*

২৯.০৯

জনসন চার্লস

১৩

২৪৭

৮৪

২০.৫৮

আন্দ্রে ফ্লেচার

১১

২১৯

৮৪*

২৭.৩৭

ড্যারেন স্যামি

২৫

২১৫

৪২*

১৭.৯১

শিবনারায়ণ চন্দরপল 

১৩

১৮৬

৩৭

২০.৬৬

কাইরন পোলার্ড

১৮

১৬৪

৩৮

১১.৭১

রামনরেশ সারওয়ান

১৩

১৬৩

২৮*

2০.৩৭

বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ১০ বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

ডোয়াইন ব্রাভো  

২৯

৭২.৪

৬৪৫

২৫

৪/৩৮

২৫.৮০

স্যামুয়েল বদ্রি

১৫

৫৯.০

৩২৬

2৪

৪/১৫

১৩.৫৮

সুনিল নারাইন

১২

৪৪.৪

২৩১

১৫

৩/৯

১৫.৪০

আন্দ্রে রাসেল

১৭

৩৯.১

৩৩৩

১৫

২/১০

২২.২০

রবি রামপল

১১

৩৭.৫

৩৪৫

১৫

৩/১৬

২৩.০০

ড্যারেন স্যামি

২৫

৪৪.৪

৩০৮

১১

৩/৮

২৮.০০

ফিদেল এডওয়ার্ডস

২৭.০

২৪৬

৩/২৪

২৭.৩৩

ক্রিস গেইল

২৮

৩৪.৪

২৫৮

২/১৭

২৮.৬৬

জেরম টেলর

১০

৩৬.০

৩২৩

৩/৩০

৩৫.৮৮

ক্রিসমার সান্টোকি

১৮.৫

১২৯

৩/১৭ 

১৬.১২

 

সময়সূচি

২৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫৫/১০

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ৫৬/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী

২৬ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪৩/৮

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪৪/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.২ (দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উকেটে জয়ী)

২৯ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪২/৭

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ১৩৯/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০.০ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩ রানে জয়ী)

০৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৬৯/৮

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৮৯/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০ (২০ রানে জয়ী শ্রীলঙ্কা)

০৬ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৬১/২

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৭/৭

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভারঃ ১৬.১ (অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী)

১৭ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

বেলেরিভ ওভাল

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১১৮/১০ (১৮.৩)

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১৬০/৫ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: স্কটল্যান্ড ৪২ রানে জয়ী

১৯ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

বেলেরিভ ওভাল

জিম্বাবুয়ে জিম্বাবুয়ে ১২২/১০ (১৮.২)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৩/৭ (২০.০)

ফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩১ রানে জয়ী

২১ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

বেলেরিভ ওভাল

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪৬/৫ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৫০/১ (১৭.৩)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: আয়ারল্যান্ড ৯ উইকেটে জয়ী