দেশজুড়ে এখন গ্রামীণফোনের ২০০ জিপিসি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০২১

গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে সারাদেশে ২০০টি ফ্ল্যাগশিপ স্টোর ‘গ্রামীণফোন সেন্টারের’ (জিপিসি) কার্যক্রম শুরু করেছে গ্রামীণফোন। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে জিপিসি চালুর মধ্য দিয়ে ২০০তম জিপিসি স্থাপনের অসামান্য মাইলফলক অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (০২ ডিসেম্বর) ভার্চুয়াল মাধ্যমে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে গ্রামীণফোন। বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ আনুষ্ঠানিকভাবে ওই জিপিসি উদ্বোধন করেন।

গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস খায়রুল বাশারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ মার্কেটিং অফিসার সাজ্জাদ হাসিব, চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হোসেন সাদাত ও হেড অব কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সার্ভিস মো. আওলাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে গ্রাহক ও জিপিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গ্রামীণফোনের হেড অব কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সার্ভিস মো. আওলাদ হোসেন কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকা নাগেশ্বরী থেকে যুক্ত হন এবং জিপিসির কার্যক্রম তুলে ধরেন।

গ্রাহকদের উন্নত সেবা প্রদানের অনুপ্রেরণা থেকে এখন দেশজুড়ে গ্রামীণফোনের প্রয়োজনীয় কাস্টমার সল্যুশন সেন্টার রয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে সর্বোচ্চ সম্পৃক্ততা এবং প্রতিশ্রুতি পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০০ জিপিসির পাশাপাশি গ্রামীণফোনের বিদ্যমান অন্যান্য ডিজিটাল সেবা চ্যানেল, ১২১ হটলাইন ও মাইজিপি অ্যাপ্লিকেশনের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে। জেলা সদরের বাইরে জিপিসির বিস্তৃতি ঘটেছে এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখন গ্রামীণফোন সেন্টার রয়েছে। অবস্থান অনুসারে ২০০টির মধ্যে ঢাকায় সর্বোচ্চ ২৪টি, সিলেটে ২৪টি, রাজশাহীতে ২১টি, বরিশালে ১৯টি, বগুড়ায় ১৮টি, খুলনায় ১৭টি, ময়মনসিংহে ১৭টি, কুমিল্লায় ১৬টি, চট্টগ্রামে ১২টি এবং রংপুরে ৭টি জিপিসি রয়েছে। এছাড়াও গ্রাহকরা সারাদেশের চার লাখ ২০ হাজার রিটেইল পয়েন্ট থেকেও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ বলেন, সত্যিকার অর্থেই গ্রামীণফোনের জন্য আজকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন। কারণ জনগণের কাছাকাছি আসার এক বিশাল মাইলফলক প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে। জনগণের সঙ্গে কানেক্টেড হওয়ার জন্য গ্রামীণফোনের হটলাইন, মাইজিপির মতো সেবা থাকলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য গ্রামীণফোন সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা সবসময়ই থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। সাধারণ মানুষ যারা এখনও পুরোপুরি ডিজিটাল সেবায় অর্ন্তভুক্ত হয়নি, জিপি সেন্টার তাদের জন্য সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এজন্য গ্রামীণফোনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ ব্যাপারে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাজ্জাদ হাসিব বলেন, ২০০তম জিপিসির এই দুর্দান্ত মাইলফলক অর্জন নিয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এই স্টোরগুলো গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানে আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রতিফলন। গত দুই দশক ধরে গ্রাহকরা আমাদের কাছ থেকে তাদের পছন্দসই পণ্য, সেবা এবং সুবিধা পেতে সানন্দে আমাদের সেন্টারগুলোতে আসছেন।

হেড অব গ্রামীণফোন কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সার্ভিস মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন বলেন, আমরা ২০০ গ্রামীণফোন সেন্টারের এক বিশাল মাইলফলক অর্জন করেছি, যা একইসঙ্গে অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের বিষয়। সামনের দিনগুলোতে আরও স্টোর চালুর মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের কাছাকাছি পৌঁছানোর প্রচেষ্টা অব্যহত রাখবো।

এইচএস/কেএসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]