সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে ক্যারিয়ার টক

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫৯ পিএম, ২০ জুন ২০১৯

বৈশ্বিক প্রযুক্তির বাজারে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প দ্রুত ক্রমবর্ধমান। বিশ্ব সেমিকন্ডাক্টর অ্যাপ্লিকেশন গুলোতে আয়ের রেকর্ড ৪৮০বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন ডিভাইসের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।

এসব ডিভাইসগুলোর জন্য চিপের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য দেশীয় যে কোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যন্ত্রাংশ তৈরির লক্ষ্যে চিপ প্রস্তুতকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বাইরের চিপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের শরণাপন্ন না হয়ে দেশেই চিপ প্রস্তুত করতে পারলে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর আয়ে বাংলাদেশও অবদান রাখতে পারে।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে বৃহস্পতিবার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের যৌথ উদ্যোগে এক ক্যারিয়ার টকের আয়োজন করা হয়।

এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন ইনটেল এর সাবেক কর্মী ও তাহই এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলিয়া সাফাকাত।

আলিয়া সাফাকাত বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হবে তথ্য ভিত্তিক বিপ্লব যেখানে বিশ্ব দরবারে টিকে থাকার জন্য নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে সংযুক্তি হবে একটি বড় মাধ্যম। বাংলাদেশকে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে উন্নত করে তুলতে উচ্চমানের শিক্ষা এবং গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা জরুরি।

আলিয়া সাফাকাত আরো বলেন, অর্থনৈতিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে পোশাক শিল্পের বিশাল অবদান রয়েছে। তুলনামূলকভাবে যেখানে বিশ্ব জুড়ে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প প্রাধান্য পেয়ে আসছে সেখানে বাংলাদেশের অবদান নগন্য। বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই শিল্পে আগ্রহী করে তুলতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো বেশী সমৃদ্ধ হবে।

তিনি আরো বলেন, এই শিল্পে কর্মক্ষেত্র সৃষ্টির ক্ষেত্রে সরকার এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। নাহলে আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র প্রোগ্রামার, ওয়েব ডিজাইনার কিংবা সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহী হবে যেখানে সেমিকন্ডাকটর শিল্পে জাপান, চীন, তাইওয়ানের চেয়ে বাংলাদেশ অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের বিভাগীয় প্রধান বিলকিস জামাল ফেরদৌসি বলেন, শিক্ষাজীবন থেকে ছাত্রদের এই সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে আমরা সেমিকন্ডাকটরের বৈশ্বিক বাজারে টিকিয়ে রাখতে পারব।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক এর সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।

তিনি বলেন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে কিছু দক্ষ লোক তৈরি করতে পারলে সেমিকন্ডাক্টরি শিল্পে বাংলাদেশকে দাঁড় করানো যাবে। বিশেষ করে বাংলাদেশে মেয়ে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির কর্মক্ষেত্রে নিয়ে আসতে সেমিকন্ডাক্টরি শিল্প হতে পারে একটি বড় মাধ্যম।

এএ

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]

আপনার মতামত লিখুন :