খায়রুলের ফ্রিল্যান্সিং প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে ৫০০ তরুণ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৯ এএম, ২৯ মার্চ ২০২১

নিজেকে আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলার জন্য এক দারুণ পেশা ফ্রিল্যান্সিং। নিজেই নিজের বস আর নিজেই নিজের অফিস। আছে চ্যালেঞ্জ সেই সঙ্গে আছে বিপুল আয়ের সম্ভাবনা। এখন আর এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ।

বিশেষ করে রাজশাহীর খাইরুল আলমের কথা বলতেই হয়। ফ্রিল্যান্সিংয়ে যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের বড় বিজ্ঞাপন। সম্প্রতি খাইরুল এসেছেন, ফোর্বস ও দ্যা এন্টারপ্রিওনারের প্রতিবেদনেও।

সেখানে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশে আইটি খাতে ফ্রিল্যানসিং এর সম্ভাবনা আর চ্যালেঞ্জ। পদ্মার পাড়ের জেলা রাজশাহীতে বসে মাত্র ১০ জন নিয়ে খায়রুল শুরু করেছিলেন তার ফ্রিল্যান্সিং বিজনেস। বর্তমানে শুধুমাত্র রাজশাহীতেই তার অধীনে কাজ করছে অন্তত ৫০০ তরুণ।

নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বর্তমানে আমাজন, ওয়ালমার্ট ও ই-বের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকসেবা দিচ্ছে খায়রুল আলমের প্রতিষ্ঠান ফ্লিট বাংলাদেশ। এর মধ্যে রয়েছে আমাজন ভেন্ডার ব্যবস্থাপনা, ফুলফিলমেন্ট বাই আমাজন, আমাজন প্রাইভেট লেভেল প্রোডাক্ট, ওয়ালমার্ট স্টোর ব্যবস্থাপনা ও ই-বে স্টোর ব্যবস্থাপনা।

তা ছাড়া ফনেক্স গ্রুপ, অ্যাশলি ফার্নিচারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সরাসরি গ্রাহকসেবা দিয়ে থাকে তার প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও ফ্লিট বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য রয়েছে নিজস্ব ইনভেনটরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

খাইরুল আলম বলেন, ‘দেশের তরুণ সমাজকে আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সামনের দিনগুলোতে কাজ করবে তার প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি ২০২৩ সালের মধ্যে অন্তত দুই হাজার তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ইচ্ছে আছে।’

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের 'ডিজিটাল ইকোনমাই রিপোর্ট-২০১৯' মতে, বৈশ্বিক এ খাতে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন, যাদের মাধ্যমে প্রতিবছর দেশে ১০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে।

দেশের তরুণ সমাজকে আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলার পাশাপাশি রেমিটেন্স আয়ের বিষয়টিকে মাথায় রেখেই ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে সরকারের আরও বেশি পৃষ্ঠপোষকতা করার পরামর্শ দিচ্ছেন বুয়েটের অধ্যাপক ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ড. মাহফুজুল ইসলাম।

এরই মধ্যে বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগ ফ্রিল্যান্সিংকে বেশ গুরুত্বের সহকারে দেখতে শুরু করেছে। দেশের পাঁচ লাখ ফ্রিল্যানসারদের স্বীকৃতি দেতে তাদের মাঝে কার্ড বিতরণ কর্মসূচিও হাতে নেয়া হয়েছে।

এছাড়াও এই পেশায় তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে লার্নিং আর্নিং প্রকল্পসহ বেশ কিছু প্রকল্প হাতেও নেয়া হয়েছে।

এমএমএফ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]