৬০ দেশে গ্রাহক সেবা দিচ্ছে অপো

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ০১ আগস্ট ২০২১

বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ গ্রাহকের মন জয় করে চলেছে গ্লোবাল স্মার্ট ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অপো। সম্প্রতি ট্রাস্টিওর্দি ক্যাম্পেইন শুরুর মাধ্যমে এই আস্থা অর্জনের প্রক্রিয়াকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০টির বেশি দেশে চলে এ ক্যাম্পেইন। এরপর তারা নিয়ে এসেছে একগুচ্ছ ডাটা সুরক্ষা সেবা, যার মাধ্যমে মানুষ অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হতে পারে। বহুমুখী সেবা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করাই ছিল এসব ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য।

অপোর অন্যান্য গ্রাহক সেবার মধ্যে রয়েছে আউটসোর্সিংয়ের বদলে নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশে আড়াই হাজারের বেশি সার্ভিস সেন্টার খোলা হয়েছে এবং ২০২০ সাল থেকে এক স্থানে সব ধরনের সেবা দিতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘এক্সপেরিয়েন্স স্টোর’ চালু করেছে অপো। এসব সার্ভিস সেন্টারে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

অপো ৩৪টি ভাষায় হটলাইন সেবা দিয়ে আসছে। ব্যবহারকারী চাইলে যেকোনো সময় এসব হটলাইনে ফোন দিয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ডিভাইস সম্পর্কিত সব ধরনের সেবা নিতে পারবেন, যার উদ্দেশ্য গ্রাহককে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা। এর সঙ্গে রয়েছে আন্তর্জাতিক ওয়্যারেন্টি সেবা, ফেস-টু-ফেস রিপ্যায়ার এবং ওয়ান আওয়ার ফ্ল্যাশ ফিক্স সেবাও দিয়ে যাচ্ছে স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ড অপো।

এছাড়া চলমান মহামারি বিবেচনায় অপো কন্টাক্ট-লেস সেবায় জোর দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ঘরে বসে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা মাই অপো অ্যাপে ভিজিট করে স্পেয়ার পার্টসের মূল্যসহ যাবতীয় তথ্যাদি জেনে ফোন মেরামত করাতে পারেন। ২০২০ সালে ১০ কোটির বেশি অপো ব্যবহারকারী কন্টাক্ট-লেস সেবা গ্রহণ করেছে। গ্রাহকদের এসব প্রশ্নের জবাব ও পণ্য, সেবা ও নীতি সম্পর্কে জানাতে অপো প্রতিষ্ঠা করেছে ‘নলেজ বেজ’।

শুধু ট্রাবলশুটিং বের করে ডিভাইস মেরামত বা প্রশ্নের উত্তর দেয়াই অপোর কাজ নয়। ‘কেয়ার অ্যান্ড রিচ’র মাধ্যমে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে অবিরাম কাজ করছে প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা এ প্রতিষ্ঠানটি।

এমএসএম/এমআরএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]