ভরদুপুরেও গভীর ঘুমে অচেতন পাতায়াবাসী

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১২:১০ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৯

দুপুর ১২টা। রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ। ঠান্ডা বাতাস বইছে। চমৎকার আবহাওয়া। হোটেল থেকে কোরাল আইল্যান্ডে যাওয়ার জন্য ফের ‘ল্যান্ড’ হোঁচট খেলাম। এ কী! ভুল করলাম না কি? রাস্তাঘাটে সুনসান নীরবতা। দেখে মনে হবে যেন সবেমাত্র পুব আকাশে সূর্য মামা উঁকি দিয়েছে। ফুটপাতের নাস্তার দোকানগুলো সবেমাত্র ঝাঁপি খুলছে।

Pataya

রাস্তার পাশে বড় রেস্তোরাঁগুলো চেয়ার-টেবিল ফাঁকা করে আছে। পর্যটকদের কেউ কেউ ধীরগতিতে হেঁটে শহরটা ঘুরে দেখছেন। হোটেলের রিসেপশনিস্ট নারী জানান, পাতায়া শহরের সকাল শুরু হয় দুপুরের পর থেকে। সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত এখানে পর্যটকদের জন্য বিনোদনমূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে। ঘুমাতে যায় ভোর হওয়ার পর।

Pataya

তার কথার শতভাগ প্রমাণ পাওয়া গেল গত রাতে যাওয়া পাতায়া ওয়াকিং স্ট্রিটে গিয়ে। রুমমেট ছোট ভাই শাহিন জিজ্ঞাসা করল, ‘ভাই, এই জায়গাটা চিনতে পেরেছেন?’ সত্যিই চিনতে পারিনি। ‘পাতায়া ওয়াকিং স্ট্রিট’ লেখা সাইনবোর্ড দেখে মনে পড়ল গত রাতে জমজমাট ছিল এ স্থানটি। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি, হাই ভলিউমের গান-বাজনা আর অট্টহাসিতে জমজমাট ছিল রোডটি। কিন্তু এ মুহূর্তে সব দোকানপাট বন্ধ। বন্ধ রাস্তায় গুটিকয়েক গাড়ি চলছে।

Pataya

দুপুর ১২টায় কুরাল আইল্যান্ডে যাওয়ার শেষ লঞ্চ। আমরা কয়েকজনও শেষ লঞ্চের যাত্রী। আমরাসহ বহু বিদেশি পড়িমরি করতে করতে লঞ্চে উঠলাম। লঞ্চে উঠে সবাই বিশেষ করে সাদা চামড়ার ইউরোপিয়ানরা লাইফ জ্যাকেট পরে নিল, পাছে পাতায়ার নীল পানিতে ডুবে না মরে।

Pataya

এক সাদা চামড়ার লোককে সটান হয়ে লঞ্চের পাটাতনে রোদের মধ্যে শুয়ে পড়তে দেখা গেল। আরেক বিদেশি, যার পা থেকে গলা পর্যন্ত ট্যাটু আঁকা, তাকে খালি গায়ে নির্বিকার লঞ্চের পেছনের দিকে বেঞ্চে বসে থাকতে দেখলাম।

Pataya

চলবে…

এমইউ/এসআর/পিআর

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]