দেশীয় পর্যটনের বিকাশ ঘটানোর সুবর্ণ সুযোগ

ভ্রমণ ডেস্ক
ভ্রমণ ডেস্ক ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১৭ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২০

মো. কামরুল ইসলাম

আমরা শুদ্ধাচারের কথা বলি কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারি সারাবিশ্বকে অঙুলি প্রদর্শন করে শুদ্ধাচার কি তা দেখিয়ে দিয়েছে। প্রত্যেকের দুর্বলতাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে এনেছে। পরনির্ভরশীলতাকে দূরে ঠেলে আত্মনির্ভর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯। বিশ্ব বাণিজ্যের দু’একটি খাত ছাড়া সব খাতই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনো বার্ষিকী পরিকল্পনাই কাজে আসেনি। স্বল্পমেয়াদী দীর্ঘমেয়াদী কিংবা অতিদীর্ঘমেয়াদী কোনো পরিকল্পনাই কোভিডের কাছে টিকে উঠতে পারেনি। উন্নত বিশ্ব কিংবা আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ অথবা আফ্রিকার অনুন্নত দেশসমূহ কেউ কোভিড-১৯ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেনি। পরম পরাক্রমশালী যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, চীন, বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতাধর ভারত কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশ করোনাভাইরাসের কাছে পর্যুদস্ত। মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম হচ্ছে চিকিৎসা। অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে সারাবিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা।

কোভিড-১৯ এর কারণে বিমান চলাচল ও পর্যটন খাত চরমভাবে বিপর্যস্ত। যেসব দেশের আয়ের প্রধান খাতই পর্যটন, সেখানে অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয় হওয়ার শঙ্কায়ও পড়েছে। সারাবিশ্বের আকাশপথ অনেকটা লকডাউন ছিল। ধীরে ধীরে সেই আকাশ খুলতে শুরু করেছে। বিভিন্ন শর্তারোপের মাঝেই এয়ারলাইন্সগুলো হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি মাথায় নিয়ে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবকালীন সময়ে ব্যবসার ভিন্নতার মাঝেই আয়ের উৎস খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সারাবিশ্বে পর্যটনখাত একটি অন্যতম শক্তিশালী শিল্পখাত হিসেবে আবির্ভুত হয়েছিল। বাংলাদেশে ইনবাউন্ড আউটবাউন্ড ট্যুরিজমকে কেন্দ্র করে শতশত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল, যেখানে লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়ের সব পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম। গত এক দশকে বিশেষ করে একবিংশ শতাব্দির শুরু থেকেই বাংলাদেশে পর্যটক শ্রেণি গড়ে ওঠে। যারা সুযোগ পেলেই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বিভিন্ন আকর্ষণীয় গন্তব্যে ভ্রমণ করার অভ্যাস গড়ে তোলে। ভ্রমণ করার পরিকল্পনার সাথে আয়ের সক্ষমতাও একটা বড় ব্যাপার।

বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের প্রতিযোগিতামূলক ভাড়ার কারণে, সহজলভ্য ট্যুরিস্ট ভিসা প্রাপ্তিও একটি বড় বিষয়। একসময় বাংলাদেশে পর্যটন বলতেই আমরা বুঝতাম কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত অথবা সিলেটের চা বাগান কিংবা সুন্দরবন। সেটাও আবার শীতকাল কেন্দ্রিক। বিংশ শতাব্দির শেষদিকেও শুধু শীতকালে সপ্তাহে দু’টি কিংবা তিনটি ফ্লাইট পরিচালিত হতো ঢাকা থেকে কক্সবাজার। হাতে গোনা কিছু ভালো মানের হোটেল (বেশিরভাগই পর্যটন কর্পোরেশন পরিচালিত) ছিল। প্রাইভেট এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরুর পর থেকেই কক্সবাজারে সারা বছর ফ্লাইট পরিচালনা করতে থাকে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গড়ে উঠতে থাকে আন্তর্জাতিক মানের চার-পাঁচ তারকা হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট। ফলে দেশীয় পর্যটকদের পাল্লা দিয়ে বিদেশি পর্যটক বাড়তে থাকে। যার ফলশ্রুতিতে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

গত সাত বছরে অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে তিনগুণ। যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পর্যটনকে উৎসাহিত করেছে। সারা দেশে গড়ে উঠেছে অনেক উন্নতমানের হোটেল, মোটেল কিংবা রিসোর্ট। মানুষ একটু সুযোগ পেলেই ঘুরতে বেরিয়ে পরে পরিবার-পরিজন নিয়ে। আজ কোভিড-১৯ এর কারণে এভিয়েশন, ট্যুরিজমের সাথে হোটেল ব্যবসায়ও চরম ধ্স নেমেছে। এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী কিংবা কর্মী সবাই একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

কোভিড-১৯ এর বিস্তার জ্যামিতিক হারে না বাড়লেও গাণিতিক হারে এখনো বাংলাদেশে বেড়ে চলেছে। কিন্তু সরকার বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা দিয়ে এভিয়েশন, ট্যুরিজম ও হোটেল ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচিয়ে রাখার তাগিদে কিংবা এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সবার ভবিষ্যতকে নিরাপদ রাখতে ১ জুন থেকে ধারাবহিকভাবে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি প্রদান করে। প্রথম দিকের তুলনায় বর্তমানে কিছুটা যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বহির্বিশ্ব থেকে যাত্রী আসা বন্ধ বলা চলে, পর্যটকশূন্যতা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে ওয়ার্ক স্টেশন ছেড়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোথাও মুভমেন্টের নিষেধাজ্ঞা আছে। সবাই ভার্চুয়াল মিটিংয়ে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। নানাবিধ কারণে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। সেই সঙ্গে রয়েছে সরকারি কিছু বিধি নিষেধ। এত কিছুর পরও ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে যাত্রী সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পাওয়ার পর্যটকদের উপস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। ১৭ আগস্ট থেকে সরকারি স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা দিয়ে সব হোটেল, মোটেল, রিসোর্টসহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার।

পৃথিবীর প্রায় সব দেশই নিজেদের নাগরিকদের কথা বিবেচনা করে কোভিড-১৯ কালীন পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করছে। ট্যুরিস্ট ভিসা পুরোপুরিভাবেই বন্ধ রেখেছে দূতাবাসগুলো। এ অবস্থা চলতি বছরের বাকি সময় থেকে আগামী বছরও স্থায়ী হতে পারে। সব কিছুই নির্ভর করছে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ওপর। সেই সঙ্গে ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।

অর্থনীতির গতিশীলতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে অনবরত। আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে। দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এ খাতকে শক্তিশালী করার প্রত্যয় ঘোষণা করেছে। বর্তমানে তৈরি হওয়া পর্যটক শ্রেণিকে দেশীয় পর্যটনে উদ্বুদ্ধ করতে সারাদেশের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে। বিশেষ করে কক্সবাজারের পাশাপাশি সেন্টমার্টিন, হিমছড়ি, ইনানী বিচসহ সব দর্শনীয় স্থানসমূহ। সিলেটের চা বাগান, জাফলং, রাতারগুল জলাবন, হাকালুকি হাওর, লালাখাল, ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি, তামাবিল, মাধবকুণ্ডের জলপ্রপাত, পাহাড়, ঝরনা- সব মিলিয়ে নানা বৈচিত্রের সম্ভার রয়েছে সীমান্তঘেঁষা বিস্তীর্ণ সবুজ লীলাভূমি। ঐতিহ্যময় বাংলার সৌন্দর্য সুন্দরবন, বগুড়ার মহাস্থানগড়, দিনাজপুরের কান্তজীর মন্দির, রামসাগরসহ সারাদেশের আকর্ষণীয় সব পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে পর্যটকদের সামনে তুলে ধরতে হবে। পর্যটকদের সামনেও দেশকে চেনা-জানার একটি সুযোগ চলে এসেছে করোনা মহামারির কারণে।

বিগত এক দশক ধরেই বাংলাদেশের এক শ্রেণির পর্যটক যারা প্রতিবছর ভারত, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, জাপানসহ মধ্যপ্রাচ্য কিংবা ইউরোপ-আমেরিকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে যায়। এ বছর দেশের বাইরে ভ্রমণে যাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে বিভিন্ন দেশের নিয়ম-নীতির কারণে। আবার অনেকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধও করবে না বিদেশ ভ্রমণে। করোনাভাইরাস দেশীয় পর্যটকদের অভ্যন্তরীণ ট্যুরিজমের প্রতি আকৃষ্ট করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনাভাইরাস পর্যটন শিল্পের জন্য একটি ব্রেকথ্রু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর সেটার জন্য দেশীয় পর্যটন শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পরিণত করতে হবে।

পজিটিভ বাংলাদেশ গঠনে ২০২১ সাল হোক দেশীয় পর্যটন শিল্পের জন্য স্মরণীয় বছর।

লেখক: মহাব্যবস্থাপক, জনসংযোগ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স লিমিটেড।

এসইউ/এএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,০৪,৩৫,৮৮০
আক্রান্ত

১১,২০,২১৭
মৃত

৩,০১,৯৮,৯৪৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৯০,২০৬ ৫,৬৮১ ৩,০৫,৫৯৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮৩,৯৩,২০৪ ২,২৪,৮২৪ ৫৪,৬৩,৩১৩
ভারত ৭৫,৭৪,১৬৭ ১,১৪,৯০২ ৬৬,৯৩,৪৯১
ব্রাজিল ৫২,৩৫,৩৪৪ ১,৫৩,৯০৫ ৪৬,৫০,০৩০
রাশিয়া ১৪,১৫,৩১৬ ২৪,৩৬৬ ১০,৭৫,৯০৪
আর্জেন্টিনা ৯,৮৯,৬৮০ ২৬,২৬৭ ৮,০৩,৯৬৫
স্পেন ৯,৮২,৭২৩ ৩৩,৭৭৫ ১,৯৬,৯৫৮
কলম্বিয়া ৯,৫৯,৫৭২ ২৮,৯৭০ ৮,৫৮,২৯৪
ফ্রান্স ৮,৯৭,০৩৪ ৩৩,৪৭৭ ১,০৪,৬৯৬
১০ পেরু ৮,৬৮,৬৭৫ ৩৩,৭৫৯ ৭,৭৯,৭৭৯
১১ মেক্সিকো ৮,৫১,২২৭ ৮৬,১৬৭ ৬,১৯,০৩৬
১২ যুক্তরাজ্য ৭,৪১,২১২ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,০৩,৭৯৩ ১৮,৪৭১ ৬,৩৪,৫৪৩
১৪ ইরান ৫,৩৪,৬৩১ ৩০,৭১২ ৪,৩১,৩৬০
১৫ চিলি ৪,৯৩,৩০৫ ১৩,৬৭৬ ৪,৬৫,০২১
১৬ ইরাক ৪,৩০,৬৭৮ ১০,৩১৭ ৩,৬৩,৫৩২
১৭ ইতালি ৪,২৩,৫৭৮ ৩৬,৬১৬ ২,৫২,৯৫৯
১৮ জার্মানি ৩,৭১,১৫৪ ৯,৮৮২ ২,৯১,৯০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৩,৬৫,২৪০ ১২,৬১৭ ২,৮৯,২৪৩
২০ ফিলিপাইন ৩,৫৯,১৬৯ ৬,৬৭৫ ৩,১০,৩০৩
২১ তুরস্ক ৩,৪৭,৪৯৩ ৯,২৯৬ ৩,০৪,০০৩
২২ সৌদি আরব ৩,৪২,৫৮৩ ৫,২০১ ৩,২৮,৮৯৫
২৩ পাকিস্তান ৩,২৩,৪৫২ ৬,৬৫৯ ৩,০৭,৪০৯
২৪ ইসরায়েল ৩,০৪,৩৬৭ ২,২৪৮ ২,৭২,২৫২
২৫ ইউক্রেন ৩,০৩,৬৩৮ ৫,৬৭৩ ১,২৬,৪৮৯
২৬ নেদারল্যান্ডস ২,৩৬,২২৬ ৬,৭৬৮ ২৫০
২৭ বেলজিয়াম ২,২২,২৫৩ ১০,৪১৩ ২১,১৫৭
২৮ কানাডা ১,৯৮,১৪৮ ৯,৭৬০ ১,৭৭,১০৪
২৯ পোল্যান্ড ১,৮৩,২৪৮ ৩,৬১৪ ৯৪,০১৪
৩০ রোমানিয়া ১,৮২,৮৫৪ ৫,৯৩১ ১,৩২,০৮২
৩১ চেক প্রজাতন্ত্র ১,৭৩,৮৮৫ ১,৪২২ ৭২,১৩৪
৩২ মরক্কো ১,৭৩,৬৩২ ২,৯২৮ ১,৪৩,৯৭২
৩৩ ইকুয়েডর ১,৫৩,২৮৯ ১২,৩৮৭ ১,৩৪,১৮৭
৩৪ বলিভিয়া ১,৩৯,৭৭১ ৮,৪৮১ ১,০৪,৪৮৩
৩৫ নেপাল ১,৩৬,০৩৬ ৭৫৭ ৯৪,৫০১
৩৬ কাতার ১,২৯,৬৭১ ২২৪ ১,২৬,৬৫০
৩৭ পানামা ১,২৪,৭৪৫ ২,৫৬৪ ১,০১,০৪১
৩৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২১,৬৬৭ ২,২০৩ ৯৮,৮৮০
৩৯ কুয়েত ১,১৬,৮৩২ ৭১০ ১,০৮,৬০৬
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,১৬,৫১৭ ৪৬৬ ১,০৮,৮১১
৪১ ওমান ১,১০,৫৯৪ ১,১১৪ ৯৬,৪০০
৪২ কাজাখস্তান ১,০৯,৫০৮ ১,৭৬৮ ১,০৫,০০১
৪৩ মিসর ১,০৫,৪২৪ ৬,১২০ ৯৮,২৪৭
৪৪ সুইডেন ১,০৩,২০০ ৫,৯১৮ ৪,৯৭১
৪৫ পর্তুগাল ১,০১,৮৬০ ২,১৯৮ ৫৯,৯৬৬
৪৬ গুয়াতেমালা ১,০১,৫৯৯ ৩,৫৪১ ৯১,০৩২
৪৭ কোস্টারিকা ৯৫,৫১৪ ১,১৮৩ ৫৮,৮১৬
৪৮ জাপান ৯৩,১২৭ ১,৬৭৪ ৮৫,৯৪১
৪৯ ইথিওপিয়া ৮৯,১৩৭ ১,৩৫২ ৪২,৬৪৯
৫০ হন্ডুরাস ৮৮,৪২৫ ২,৫৬৮ ৩৪,৯৬৪
৫১ বেলারুশ ৮৮,২৯০ ৯৩৩ ৮০,১৩০
৫২ ভেনেজুয়েলা ৮৬,৬৩৬ ৭৩৬ ৭৯,৬৯৪
৫৩ চীন ৮৫,৬৮৫ ৪,৬৩৪ ৮০,৮০২
৫৪ সুইজারল্যান্ড ৮৩,১৫৯ ২,১৩৮ ৫৩,৪০০
৫৫ বাহরাইন ৭৭,৯০২ ৩০১ ৭৪,৩২০
৫৬ মলদোভা ৬৭,৩০২ ১,৬০০ ৪৮,৪৯৩
৫৭ অস্ট্রিয়া ৬৫,৯২৭ ৯০৪ ৫০,৩৫৯
৫৮ আর্মেনিয়া ৬৫,৪৬০ ১,০৯১ ৪৮,২০৮
৫৯ উজবেকিস্তান ৬৩,৪৩০ ৫২৯ ৬০,৪০১
৬০ লেবানন ৬২,২৮৬ ৫২০ ২৮,০৬২
৬১ নাইজেরিয়া ৬১,৪৪০ ১,১২৫ ৫৬,৬১১
৬২ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯১৫ ২৮ ৫৭,৮১৯
৬৩ প্যারাগুয়ে ৫৪,৭২৪ ১,১৮৮ ৩৬,০৬৮
৬৪ আলজেরিয়া ৫৪,৪০২ ১,৮৫৬ ৩৮,০৮৮
৬৫ কিরগিজস্তান ৫২,৫২৬ ১,৪৯৮ ৪৫,৮৬৩
৬৬ আয়ারল্যান্ড ৪৯,৯৬২ ১,৮৫২ ২৩,৩৬৪
৬৭ লিবিয়া ৪৯,৯৪৯ ৭৩২ ২৭,২৬২
৬৮ হাঙ্গেরি ৪৭,৭৬৮ ১,১৭৩ ১৪,৩১২
৬৯ ফিলিস্তিন ৪৭,৬১৬ ৪১৩ ৪০,৮৬১
৭০ ঘানা ৪৭,৩৭২ ৩১০ ৪৬,৬৬৪
৭১ আজারবাইজান ৪৫,২৯৫ ৬৩০ ৪০,১৪৪
৭২ কেনিয়া ৪৫,০৭৬ ৮৩৯ ৩২,০৮৪
৭৩ তিউনিশিয়া ৪০,৫৪২ ৬২৬ ৫,০৩২
৭৪ আফগানিস্তান ৪০,২৮৭ ১,৪৯৭ ৩৩,৭৬০
৭৫ জর্ডান ৩৮,৯৩৭ ৩৮০ ৭,০০৬
৭৬ মায়ানমার ৩৭,২০৫ ৯১৪ ১৭,৫৬৮
৭৭ সার্বিয়া ৩৬,২৮২ ৭৭৮ ৩১,৫৩৬
৭৮ ডেনমার্ক ৩৫,৮৪৪ ৬৮৬ ২৯,৫৬২
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩৪,৬৬১ ৯৯৭ ২৫,৪৪২
৮০ এল সালভাদর ৩১,৬৬৬ ৯২৬ ২৭,০০০
৮১ স্লোভাকিয়া ৩০,৬৯৫ ৯২ ৭,৫৩৬
৮২ বুলগেরিয়া ২৯,৫০৩ ৯৮৬ ১৬,৯৪৩
৮৩ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৩৯৯ ৯০৫ ২৫,১০৮
৮৪ ক্রোয়েশিয়া ২৫,৯৭৩ ৩৭৪ ২০,৫২৯
৮৫ গ্রীস ২৫,৮০২ ৫২০ ৯,৯৮৯
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ২৫,২৭৫ ৪৪৪ ২৩,৩৬৮
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৩,৭৮৮ ৮৪৬ ১৭,৩৯২
৮৮ ক্যামেরুন ২১,৪৪১ ৪২৩ ২০,১১৭
৮৯ মালয়েশিয়া ২১,৩৬৩ ১৯০ ১৩,৭১৭
৯০ আইভরি কোস্ট ২০,৩২৩ ১২১ ২০,০২১
৯১ জর্জিয়া ১৮,৬৬৩ ১৪৩ ৮,৩৩৮
৯২ আলবেনিয়া ১৭,৩৫০ ৪৫৪ ১০,১৬৭
৯৩ মাদাগাস্কার ১৬,৮১০ ২৩৮ ১৬,২১৫
৯৪ নরওয়ে ১৬,৫৩৯ ২৭৮ ১১,৮৬৩
৯৫ জাম্বিয়া ১৫,৮৯৭ ৩৪৬ ১৫,০৩১
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১৫,৭৬০ ২৪০ ১১,২৮৮
৯৭ সেনেগাল ১৫,৪৩২ ৩১৯ ১৩,৮৬৫
৯৮ সুদান ১৩,৬৯৭ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
৯৯ স্লোভেনিয়া ১৩,৬৭৯ ১৯০ ৬,৩৮৫
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১৩,৫৫৫ ৩৫১ ৯,১০০
১০১ নামিবিয়া ১২,২৯৩ ১৩১ ১০,৪২২
১০২ গিনি ১১,৫১৮ ৭০ ১০,৪২৭
১০৩ মালদ্বীপ ১১,২১০ ৩৭ ১০,১৬৪
১০৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,০৫২ ৩০৩ ১০,৩৫৭
১০৫ লুক্সেমবার্গ ১১,০১০ ১৩৫ ৮,৪৭১
১০৬ মোজাম্বিক ১০,৮৬৬ ৭৫ ৮,৫১৩
১০৭ উগান্ডা ১০,৬৯১ ৯৭ ৬,৯৯২
১০৮ তাজিকিস্তান ১০,৫৩৩ ৮০ ৯,৫৬৩
১০৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,২৬৮ ৬৯ ৯,৯৯৫
১১০ হাইতি ৮,৯৬৪ ২৩১ ৭,২১৩
১১১ গ্যাবন ৮,৮৮১ ৫৪ ৮,৪৩০
১১২ জ্যামাইকা ৮,৩২১ ১৭৩ ৩,৯৫১
১১৩ জিম্বাবুয়ে ৮,১৪৭ ২৩১ ৭,৬৭৮
১১৪ কেপ ভার্দে ৭,৭৫২ ৮৬ ৬,৫২৬
১১৫ লিথুনিয়া ৭,৭২৬ ১১৩ ৩,১১০
১১৬ অ্যাঙ্গোলা ৭,৬২২ ২৪৭ ৩,০৩০
১১৭ মৌরিতানিয়া ৭,৬০৮ ১৬৩ ৭,৩৪৭
১১৮ গুয়াদেলৌপ ৭,১২২ ৯৬ ২,১৯৯
১১৯ কিউবা ৬,২৫৮ ১২৭ ৫,৭৮০
১২০ মালাউই ৫,৮৬০ ১৮১ ৪,৭৫৭
১২১ ইসওয়াতিনি ৫,৭৮০ ১১৬ ৫,৪১৫
১২২ বাহামা ৫,৭৭৩ ১২৩ ৩,৩৩৯
১২৩ শ্রীলংকা ৫,৬২৫ ১৩ ৩,৪৪০
১২৪ জিবুতি ৫,৪৫৯ ৬১ ৫,৩৭৫
১২৫ নিকারাগুয়া ৫,৩৫৩ ১৫৪ ৪,২২৫
১২৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,২৯৭ ৯৬ ৩,৬৫২
১২৭ হংকং ৫,২৫৭ ১০৫ ৪,৯৮২
১২৮ বতসোয়ানা ৫,২৪২ ২০ ৯০৫
১২৯ কঙ্গো ৫,১৫৬ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩০ সুরিনাম ৫,১৩০ ১০৯ ৪,৯৪৪
১৩১ সিরিয়া ৫,০৭৭ ২৪৮ ১,৫২৮
১৩২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৭০ ৮৩ ৪,৯৫৪
১৩৩ রুয়ান্ডা ৪,৯৭৪ ৩৪ ৪,৭৮৩
১৩৪ রিইউনিয়ন ৪,৯২১ ১৭ ৪,৪৪৫
১৩৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৫৫ ৬২ ১,৯২৪
১৩৬ মালটা ৪,৭৩৭ ৪৫ ৩,২৪২
১৩৭ আরুবা ৪,৩২২ ৩৪ ৩,৯৮৩
১৩৮ মায়োত্তে ৪,১৫৯ ৪৩ ২,৯৬৪
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,১০১ ১১ ২,৮৫৬
১৪০ এস্তোনিয়া ৪,০৮৫ ৬৯ ৩,২২৯
১৪১ সোমালিয়া ৩,৮৯০ ৯৯ ৩,০৮৯
১৪২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩,৭৯৭ ১৪ ২,৮৪৪
১৪৩ গায়ানা ৩,৭৩৪ ১০৯ ২,৬৫৪
১৪৪ থাইল্যান্ড ৩,৬৯১ ৫৯ ৩,৪৮৮
১৪৫ গাম্বিয়া ৩,৬৪৯ ১১৮ ২,৬৪৯
১৪৬ লাটভিয়া ৩,৪৯৪ ৪৪ ১,৩৪১
১৪৭ মালি ৩,৩৮৮ ১৩২ ২,৫৮৬
১৪৮ এনডোরা ৩,৩৭৭ ৫৯ ২,০৫৭
১৪৯ দক্ষিণ সুদান ২,৮৪৭ ৫৫ ১,২৯০
১৫০ বেলিজ ২,৮১৩ ৪৪ ১,৬৭০
১৫১ সাইপ্রাস ২,৬৪৪ ২৫ ১,৪৪৪
১৫২ উরুগুয়ে ২,৫৩১ ৫১ ২,১০৫
১৫৩ বেনিন ২,৪৯৬ ৪১ ২,৩৩০
১৫৪ গিনি বিসাউ ২,৩৮৯ ৪১ ১,৭৮২
১৫৫ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৩৮১ ৬৫ ১,৭৭৪
১৫৬ সিয়েরা লিওন ২,৩৩০ ৭৩ ১,৭৬০
১৫৭ মার্টিনিক ২,২৫৭ ২৪ ৯৮
১৫৮ টোগো ২,০৫৭ ৫১ ১,৫৩১
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৫৬ ৫৯৭ ১,৩৩৮
১৬০ নিউজিল্যান্ড ১,৮৮৬ ২৫ ১,৮২৪
১৬১ লেসোথো ১,৮৩৩ ৪২ ৯৬১
১৬২ চাদ ১,৩৭৯ ৯৩ ১,১৮১
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৩৭৭ ৮২ ১,২৬৮
১৬৪ নাইজার ১,২১০ ৬৯ ১,১২৬
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৪০ ৩৫ ১,০৪৬
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৬৬ ৪৫ ৬৮৮
১৬৭ সিন্ট মার্টেন ৭৫৩ ২২ ৬৬৯
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৪৮ ৪৮ ৬৪৯
১৬৯ কিউরাসাও ৭৪৪ ৪৩৩
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৯৮ ৬৮৪
১৭২ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮১ ৫৪০
১৭৩ জিব্রাল্টার ৫৭৭ ৪৬২
১৭৪ বুরুন্ডি ৫৪৯ ৪৯৭
১৭৫ তাইওয়ান ৫৪০ ৪৯৩
১৭৬ সেন্ট মার্টিন ৫৩১ ৩৮০
১৭৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৮ কমোরস ৫০২ ৪৮৫
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৮৫ ৪৭২
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৫২ ৩৮৮
১৮১ মরিশাস ৪১৭ ১০ ৩৬৪
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪৮ ২৪ ৩১৯
১৮৩ ভুটান ৩২৭ ৩০১
১৮৪ মঙ্গোলিয়া ৩২৪ ৩১২
১৮৫ কম্বোডিয়া ২৮৩ ২৮০
১৮৬ মোনাকো ২৬৫ ২১৭
১৮৭ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৩ ২১২
১৮৮ লিচেনস্টেইন ২২৪ ১৪২
১৮৯ বার্বাডোস ২২২ ২০৩
১৯০ বারমুডা ১৮৫ ১৭২
১৯১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২১
১৯২ সিসিলি ১৪৯ ১৪৮
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৭ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১১৯ ১০১
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৭২ ৫৫
১৯৬ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৭ ৬৪
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ৩৬ ২৭
২০০ ডোমিনিকা ৩৩ ২৯
২০১ ফিজি ৩২ ৩০
২০২ পূর্ব তিমুর ২৯ ৩১
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৭ ২৪
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৩ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৬ ১৪
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
২১৫ সলোমান আইল্যান্ড
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]