দিবস পালনেই বোঝা যায় নারীর অধিকার আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৪৯ পিএম, ০৮ মার্চ ২০২১

ওমর ফারুক হিমেল

“আমরা সমাজের অর্ধাঙ্গ, আমরা পড়িয়া থাকিলে সমাজ উঠিবে কীরূপ? কোনো ব্যক্তি এক পা বাঁধিয়া রাখিলে সে খোঁড়াইয়া খোঁড়াইয়া কতদূর চলিবে? পুরুষের স্বার্থ এবং আমাদের স্বার্থ ভিন্ন নহে। তাহাদের জীবনের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য যাহা আমাদের লক্ষ্য তাহাই।” কথাগুলো ভারতীয় উপমহাদেশের নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের।

নারী এখন শুধু রান্না কিংবা চুল বেঁধেই তাদের দিন পার করে না। এখন তারা সবক্ষেত্রেই মেধা, যোগ্যতা, বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তায় প্রতিষ্ঠিত। কূটনৈতিক ক্ষেত্রে এমনই এক প্রতিষ্ঠিত নাম আবিদা ইসলাম। এশিয়ার অন্যতম ড্রাগন খ্যাত দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আবিদা।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ এলাকায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম হয় আবিদা ইসলামের। বাবা প্রয়াত নজরুল ইসলাম সরকারের প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মা সেলিনা ইসলাম ছিলেন উন্নয়নকর্মী।

ঢাকার শহীদ আনোয়ার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি, হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন আবিদা। এরপর অস্ট্রেলিয়ার মোনাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

পররাষ্ট্র ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচ থেকে ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন আবিদা। তিনি দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগে, বিভিন্ন পদে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। যার মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা, দূরপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আমেরিকা-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগ।

আবিদা দায়িত্ব পালন করে লন্ডন, কলম্বো ও ব্রাসেলসে বাংলাদেশ মিশনে। তিনি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (হেড অব মিশন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

সবশেষ ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমেরিকা উইংয়ে দেড় বছর কর্মরত থাকার পর ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব দেয়া হয় তাকে। ব্যক্তিজীবনে দুই সন্তান; আরশাদ আহমেদ, আয়েশা আহমেদের জননী আবিদা।

পেশাদার এ কূটনীতিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাগো নিউজের প্রবাস প্রতিনিধি ওমর ফারুক হিমেল।

জাগো নিউজ: ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটিকে আপনি কীভাবে দেখেন?

আবিদা ইসলাম: দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য হলো বৈষম্য ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে নারীদের জাগ্রত করা। প্রতিবাদ গড়ে তোলা। আজ যখন নারীদের জন্য আলাদাভাবে একটি দিবস পালন করা হচ্ছে তার অর্থই হচ্ছে সমাজের সবক্ষেত্রে নারীদের এখনো সম-অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

জাগো নিউজ: নারীরা কি আজো সমাজের সবক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হয়?

আবিদা ইসলাম: সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অর্থনৈতিক বঞ্চনা রয়ে গেছে। কিছুটা সুযোগ-সুবিধা বাড়লেও অসমতা এবং অর্থনৈতিক বঞ্চনা কমেনি। যেমন- কাজের ক্ষেত্রে সমান মজুরি নিশ্চিত না করা, সম্পত্তিতে নারীর উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা না করা। ঘরে-বাইরে নারীরা সহিংসতা, যৌন নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন, যা করোনাকালে আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ১৯১০ সালের ৮ মার্চ প্রথম নারী দিবস পালিত হয়েছিল। ১১০ বছর পরও আমরা নারী দিবস পালন করছি। হয়তো এমনিভাবে আরও অনেক বছর লাগবে নারীদের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে।

jagonews24

জাগো নিউজ: নারী ও শিশু নির্যাতনকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

আবিদা ইসলাম: নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। যেমন নারী শিক্ষার বিস্তারে দারিদ্র্য-বিমোচন, বাল্যবিবাহ রোধ, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠায় কর্মসূচি। এছাড়া নারীর অধিকার রক্ষায় সরকার বিভিন্ন আইনও প্রণয়ন করেছে। যেমন- জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০, নারী উন্নয়নে জাতীয় কর্ম-পরিকল্পনা ২০১৩-২০২৫, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৩, ডিএনএ আইন-২০১৪, যৌতুক নিরোধ আইন-২০১৮, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ ও বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা-২০১৮। সেইসঙ্গে মাতৃত্বকালীন ভাতা, ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে চলেছে।

জাগো নিউজ: বর্তমানে নারীরা নানা বাধার মুখোমুখি হচ্ছে, এটাকে কীভাবে দেখেন?

আবিদা ইসলাম: প্রতিবন্ধকতা নারীদের জন্য নতুন কিছু নয়। সেই আদিকাল থেকেই সবসময় বৈষম্যের শিকার হয়েছে নারী। বঞ্চনার শিকার হয়েছে এবং এখনো চলছে এসব কর্মকাণ্ড। হয়তোবা তার মাত্রা এবং তার প্রকৃতি ভিন্ন। নানা ধরনের প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা জয় করেই কিন্তু নারী এগিয়ে গেছে এবং আজও এগিয়ে যাচ্ছে।

জাগো নিউজ: সভ্যতায় নারীর অবদানকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

আবিদা ইসলাম: সমাজ এবং সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে নারী সবসময় অবদান রেখে চলছে। তাদের অবদানের জন্যই মানবসভ্যতা এখনো টিকে আছে। তবে এ যুগে নারীর পরিবার ও কর্মস্থল-দুদিকই সামলাতে হয়, সমানভাবে নজর দিতে হয়। আগে যখন গৃহস্থালির কাজে বন্দি ছিল, তখন নারীর দায়িত্ব এবং কর্তব্য সংসারের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কর্মস্থলে এসে নারীর দায়িত্ব এবং কর্তব্য এখন দ্বিগুণ হয়েছে। কারণ, কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি গৃহস্থালি কাজের দায়িত্বও তাকে নিতে হয়। তবু নারী থেমে নেই। ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, কূটনীতি, সশস্ত্র বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী, শান্তিরক্ষা মিশনসহ সর্বক্ষেত্রে নারী দক্ষতার সঙ্গে সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

jagonews24

জাগো নিউজ: আপনি কূটনৈতিক পেশায় আছেন দীর্ঘদিন। এ পেশায় নারীদের পদচারণা কেমন?

আবিদা ইসলাম: আমরা যখন এই পেশায় যোগ দেই, তখন নারী কূটনীতিক সংখ্যায় ছিল খুবই কম। পঁচিশ বছর আগে এই পেশায় যখন যোগ দিয়েছিলাম তখন আমরা গল্প শুনেছি যে আমাদের আগে অনেক নারীই এই পেশায় যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবার হয়তো তখন মানসিকভাবে তাদের অনুকূলে ছিল না। ফলে পরিবার ও কর্মস্থল সামলানো তাদের পক্ষে দুরূহ হয়ে পড়েছিল। তারা এ পেশা পরে পরিবর্তন করেছিলেন। এখন অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এই পেশায় নারীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে এবং বাড়ছে। তারা বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। নারীর এ সাফল্যে আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত।

জাগো নিউজ: অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দক্ষিণ কোরিয়ায় আপনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এখানে প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে আপনার অনুভূতি কী?

আবিদা ইসলাম: রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, তিনি নারী না পুরুষ সেভাবে আমি কখনো ভেবে দেখিনি। আমার মনে হয় সেভাবে কারও ভাবাও হয়তো সমীচীন নয়। আমি সব সময়ই নিজেকে বাংলাদেশ সরকারের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ভেবেছি। যাকে সরকার সুনির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছে। প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার আলাদা করে কোনো অনুভূতি নেই।

জাগো নিউজ: দেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও এর মূল্যায়ন?

আবিদা ইসলাম: নারীর ক্ষমতায়নে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ স্বাধীন করার পর দেশ পুনর্গঠনে নারীদের সম্পৃক্ত করেছিলেন। বাংলাদেশের সংবিধানে এবং রাষ্ট্রীয় নানা আইনের মাধ্যমে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

jagonews24

জাগো নিউজ: নারীকে অবহেলা করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়?

আবিদা ইসলাম: আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূল ধারার বাইরে রেখে দেশের টেকসই উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়। এই উপলব্ধি থেকে সরকার বিভিন্ন নারীবান্ধব নীতি গ্রহণ করে। নারীর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়ার পাশাপাশি নারীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের কারণে, রাজনীতি, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা, সশস্ত্র বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সর্বক্ষেত্রে নারী এখন সদর্পে বিচরণ করছে, যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছে।

জাগো নিউজ: বর্তমান কর্মপরিবেশের সহকর্মীরা কতটুকু সহায়ক?

আবিদা ইসলাম: বর্তমান কর্মপরিবেশ অত্যন্ত অনুকূল। নারী হিসেবে আমি কোনো বৈষম্যের শিকার হইনি। আমার যে সহকর্মীরা ছিলেন এবং আছেন, তারা সব সময় অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন। এখনো আছেন। পরিবার থেকেও সব সময়ই সহযোগিতা পেয়েছি। সুতরাং সেদিক থেকে আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবতী।

জাগো নিউজ: পরিবার ও কর্মস্থলে পুরুষের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী?

আবিদা ইসলাম: পরিবার ও কর্মস্থলে এখনো পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়ে গেছে, যা পরিবর্তন করতে হবে। নারীদের পরিপূর্ণ একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। সেই সঙ্গে নারীর প্রতি যথাযথ মর্যাদা এবং সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। তাছাড়া পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সব সম্পদে নারী এবং পুরুষের সমান অধিকার রয়েছে, সমান অংশীদারত্ব রয়েছে। নারী এবং পুরুষের মধ্যে অধিকারের এই সমতা প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি বলে আমি মনে করি।

jagonews24

জাগো নিউজ: আইন করে কিংবা শাস্তি দিয়েও নারীদের প্রতি সহিংসতা রোধ করা যাচ্ছে না। বিষয়টা আপনি কীভাবে দেখছেন?

আবিদা ইসলাম: আমি মনে করি, নারীদের প্রতি পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের জন্য আমাদের আরও গভীরভাবে ভাবতে হবে। কারণ আইন বা শাস্তি দিয়েও নারীদের প্রতি সহিংসতা রোধ করা যায় না। প্রয়োজন মানসিক পরিবর্তন। করোনাকালে উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশভেদে সারাবিশ্বে আমরা এর আধিক্য দেখেছি। স্কুলে যেমন আমরা বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষালাভ করি তেমনি নারীদের সম্মান ও যথাযথ মর্যাদা প্রদানের বিষয়েও শিশুকাল থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। তাহলেই কেবল পুরুষতান্ত্রিক ধ্যান-ধারণা পরিবর্তন করা সম্ভব।

জাগো নিউজ: আপনার ২৫ বছরের বর্ণিল পথচলার কথা বলছিলেন। আপনার কূটনীতিক জীবনের স্মরণীয় কিছু পাঠকদের জানাতে চাই।

আবিদা ইসলাম: আমার বাবা সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমার পদায়ন নিশ্চিত হলে বাবা বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত তার সহকর্মীদের জানান। তারা যখন জানলেন যে তাদের সহকর্মীর মেয়ে এই মন্ত্রণালয়ে যোগদান করতে যাচ্ছে, তখন তারা আমার বাবাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমি যেন এ চাকরি বাদ দিয়ে অন্য কোনো কিছু করি (স্কুল অথবা কলেজের শিক্ষকতা) অথবা সরকারের অন্য কোনো ক্যাডারে যোগদান করি। কারণ পরিবার সামলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ করাটা আমার জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে পড়বে। আমার মা মুক্তমনের মানুষ ছিলেন এবং তিনি সে সময় আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি কাজে যোগ দিতে উৎসাহ দিয়ে বলেছিলেন, চেষ্টা করে দেখতে, সফল না হলে অন্যকিছু ভাবা যাবে। তখন পরিবারের এ সহযোগিতা না পেলে আমার জীবন হয়তো অন্যরকম হতো।

জাগো নিউজ: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আবিদা ইসলাম: আজকের এ দিবসে নারী স্ব-মহিমায় জেগে উঠুক সারাবিশ্বে। জাগো পরিবারসহ সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এমআরএম/এসএইচএস/এইচএ/জেআইএম

আগে যখন গৃহস্থালির কাজে বন্দি ছিল, তখন নারীর দায়িত্ব এবং কর্তব্য সংসারের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কর্মস্থলে এসে নারীর দায়িত্ব এবং কর্তব্য এখন দ্বিগুণ হয়েছে

নারীদের প্রতি পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের জন্য আমাদের আরও গভীরভাবে ভাবতে হবে। কারণ আইন বা শাস্তি দিয়েও নারীদের প্রতি সহিংসতা রোধ করা যায় না। প্রয়োজন মানসিক পরিবর্তন আবিদা ইসলাম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]