করোনাকালেও এগিয়ে যাচ্ছে নারী

ইসমাইল হোসাইন রাসেল
ইসমাইল হোসাইন রাসেল ইসমাইল হোসাইন রাসেল
প্রকাশিত: ০৮:৪৭ এএম, ০৮ মার্চ ২০২১

#নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনা বিশ্বের রোল মডেল
#পুরুষের পাশাপাশি নারীও সমানতালে উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে
#বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা একই সূত্রে গাঁথা

করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত গোটা বিশ্ব। অর্থনৈতিক গতি, সামাজিক অবস্থান সব ক্ষেত্রেই করোনার প্রভাব। সবকিছু ছাপিয়ে করোনা পরিস্থিতিতেও এগিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের নারীরা। অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বেচাকেনায়ও পিছিয়ে নেই তারা। বর্তমানে দেশের ৮০ শতাংশ নারী ই-কমার্সের মাধ্যমে তাদের পণ্য কেনাবেচা করছেন। ফলে করোনা নারীদের আটকে রাখতে পারেনি। নারীরা এগিয়ে যাচ্ছেন তাদের নিজ গতিতে।

বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে জাগো নিউজের বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব বিষয়ে কথা বলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক ইসমাইল হোসাইন রাসেল

জাগো নিউজ: ‘করোনাকালে নারী নেতৃত্ব, গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’—শীর্ষক প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে নারীদের এগিয়ে নিতে আপনাদের উদ্যোগ কী?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা: প্রথমেই আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাতে চাই। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনায় তিনি করোনা নিয়ন্ত্রণ করেছেন। বিশ্বের অনেক দেশে কোটি কোটি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছে, লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে করোনা আক্রান্তের হার ও মৃত্যুর হার কম। এমনকি যে ১০টি দেশে করোনার টিকা এসেছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। দেশে করোনার টিকা প্রথমে একজন নারী নিয়েছেন।

বাংলাদেশে ৭০ ভাগের বেশি নারী স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কাজ করছেন। নারীরা কিন্তু এগিয়ে আসছেন, নারীরাই নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ ভাগ মানুষকে সেবা দিচ্ছে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি নারী এবং ২০ শতাংশ শিশু। করোনার সময় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আমরা অফিস করেছি এবং আমাদের যত কর্মসূচি রয়েছে সব কর্মসূচি পালন করেছি। আমরা বিভিন্নভাবে নারীদের সহায়তা করেছি।

নারীরা তাদের উৎপাদিত পণ্য এখন বিক্রি করছেন অনলাইনে। ই-কমার্সের মাধ্যমে ৮০ ভাগ নারী পণ্য বিক্রয় করছেন। নারীর উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর সমঅধিকার-সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আইন-নীতি-কৌশল প্রণয়ন করেছেন এবং তা বাস্তবায়ন করেছেন। আমরা সেসব নীতি কৌশল নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

করোনাকালে পুরুষের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। তারা কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। বিভিন্ন শিল্পোন্নত পরাশক্তি দেশ এখন বাংলাদেশের পেছনে। ২০০৬ সালে বাংলাদেশে পুরুষের তুলনায় নারীর অগ্রগতি ছিল ৬২ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৭২ শতাংশে। ২০১১ সালে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার হার ছিল ৪৬ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ শতাংশে।

করোনাকালে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০ লাখ নারীকে ভিজিডি, মাতৃত্বকালীন ভাতা ও ল্যাকটেটিং মাদার ভাতা প্রদান করেছে। অসহায়, দুস্থ নারী ও শিশু এবং মহিলা উন্নয়ন সমিতির মাঝে নগদ ১২ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র হিসেবে ৬০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে; বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বেকার, দুস্থ নারীদের আত্ম-কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আবাসিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান এবং দুস্থ অসহায় নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম চলমান।

জাগো নিউজ: নারী সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় কী ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা: বাংলাদেশের সব সেক্টরে নারীরা তাদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে কাজ করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার নারী, বিরোধীদলীয় নেত্রী নারী, উপনেতা নারী, সিনিয়র সচিব নারী। বাংলাদেশের মেজর জেনারেলও নারী, নারীরা পাইলট, মিশনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নারীরা। একসময় এদেশে সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন নারী। নারীরা বেশি সুযোগ পান না, তাদের যদি সমান সুযোগ দেয়া হয়, তাহলে পুরুষের পাশাপাশি তারা সমানতালে কাজ করে যেতে পারেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে বেশি যোগ্যতা নিয়ে নারীরা কাজ করছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এ লক্ষ্যেই নারীদের প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, ভাতা প্রদান ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে সরকার। ফলে বাংলাদেশে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতায়ন, বৈষম্য বিলোপ, অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি, সফল উদ্যোক্তা ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নারীরা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ নারী উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বিশ্বে রোল মডেল।

jagonews24

নারী উন্নয়ন, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও নির্যাতন প্রতিরোধে ৩৫ লাখ নারীকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন কার্যক্রমকে ব্র্যান্ডিংয়ে ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে। জয়িতা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করছেন। দুস্থ ও প্রশিক্ষিত নারীদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সহায়তার উদ্দেশ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ করছে। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তায় ১০ লাখ ৪০ হাজার দরিদ্র নারীকে ভিজিডি প্রদান করা হচ্ছে; ভিজিডি উপকারভোগী নারীকে পুষ্টি, স্বাস্থ্য, আয়বর্ধক ও সামাজিক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সাত লাখ ৭০ হাজার জনকে মাতৃত্বকালীন ভাতা ও দুই লাখ ৭৫ হাজার জনকে ল্যাকটেটিং ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। মাতৃত্বকাল ও ল্যাকটেটিং ভাতাভোগী নারীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

জাগো নিউজ: বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে পদক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অগ্রগতি কতদূর?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা: আমাদের অনেক সফলতা রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সফলতা হলো- বঙ্গমাতা পদক। বঙ্গমাতা পদকের নীতিমালা ইতোমধ্যে ক্যাবিনেটের বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে; এটাই সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে মনে করি। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ একসূত্রে গাঁথা, একটা বাদ দিয়ে যেমন আরেকটা বলতে পারি না; তেমনি বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে যেমন বঙ্গমাতার কথা বলা যায় না, তেমনি বঙ্গমাতাকে বাদ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কথা বলা যায় না।

তিনি বঙ্গবন্ধুকে আন্দোলন-সংগ্রামে শক্তি দিয়েছেন, অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে ছিলেন তখন তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, আর্থিক সহায়তা করা, সভা করা ও কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করা। ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯’র গণআন্দোলন, ’৭০’র নির্বাচন, ’৭১’র মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গমাতার অনেক অবদান ছিল।

এই পদক স্ব স্ব ক্ষেত্রে যারা সফল নারী তাদের আরও অনুপ্রেরণা দেবে, উৎসাহ দেবে, আগ্রহ তৈরি করবে। কাজেই এটা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি বিশাল সফলতা। এ বছর ৮ আগস্ট বঙ্গমাতার জন্মদিনে আমরা পদকটি বিতরণ করব।

jagonews24

জাগো নিউজ: সাম্প্রতিক সময়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় এটি বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নারী নির্যাতন রোধে আপনারা কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা: বর্তমান সময়ের প্রয়োজনে যুগোপযোগী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন-২০২০ প্রণয়ন করা হয়েছে। উক্ত আইনের ৯ (১) উপ-ধারায় নারী ও শিশু ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’র স্থলে ‘মৃত্যুদণ্ড’ বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’র বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া ওই আইনের ৩২ (ক) ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আইনের বাস্তবায়নের সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে।

এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আন্তঃমন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে। জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি, যৌতুক প্রতিরোধ কমিটি, মানব পাচার (নারী ও শিশু) ও পাচার রোধ সংক্রান্ত মনিটরিং কমিটি/জেলা মানবপাচার প্রতিরোধ কমিটি, কারাগারে থাকা শিশু/কিশোরীদের অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে গঠিত জেলা টাস্কফোর্স কমিটি ও বিভাগীয়-জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির কার্যক্রম নিয়মিতভাবে মনিটরিংসহ নিয়মিতভাবে কমিটির সভা আয়োজন করা হচ্ছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাওয়া অভিযোগগুলো নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

দৈনিক সংঘটিত নারী নির্যাতনের ঘটনার ওপর নিয়মিতভাবে তদন্ত ও ফলোআপ করা হয়। মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের জেলা ও উপজেলা কার্যালয় এবং বিভাগীয় আইনি সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে এ ফলোআপ সম্পাদিত হচ্ছে। এছাড়া নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৮-২০৩০, বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৮-২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে।

জাগো নিউজ: নারীর সুরক্ষায় কী ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা: সরকার কর্মজীবী নারীদের আবাসিক হোস্টেল সুবিধা প্রদান ও শিশুদের জন্য দিবা যত্ন (ডে কেয়ার) সেবা দিচ্ছে। যৌতুক ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সচেতন করা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মনিটরিং কার্যক্রম, ৪৭টি সদর হাসপাতাল এবং ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল থেকে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন ১০৯-এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে এবং ৬৪টি জেলার প্রায় ৮ হাজার কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন করা হয়েছে।

আইএইচআর/এআরএ/এসএইচএস/এইচএ/জেআইএম

২০০৬ সালে বাংলাদেশে পুরুষের তুলনায় নারীর অগ্রগতি ছিল ৬২ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৭২ শতাংশে। ২০১১ সালে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার হার ছিল ৪৬ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ শতাংশে

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]