কোনো ঝামেলা ছাড়াই করা যাবে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন। তাও আবার একদিনেই। এজন্য যেতে হবে না বিআরটিএ কার্যালয়েও।‘আন্তর্জাতিক সিভিল সার্ভিস দিবস’ উপলেক্ষে স্পট রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দেবে বিআরটিএ। আগামী বৃহস্পতিবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাওয়া যাবে।এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিআরটিএ। এই বিজ্ঞপ্তিটি ওয়েবসাইটেরপাশাপাশি বিআরটিএ কার্যালয়েও প্রদর্শিত হচ্ছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৩ জুন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার মোটরসাইকেল স্পটে রেজিস্ট্রেশন করা হবে। আগ্রহী সেবাগ্রহীতাদের মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মোটরসাইকেলসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাস্তায় চলার পথে পুলিশি মামলার ঝামেলা এড়াতে বাইক নিবন্ধনের এই সুয়োগ নেয়া উচিত। সাধারণত রেজিস্ট্রেশন হাতে পেতে মাসখানেক সময় লেগে যায়। সঙ্গে কিছু ঝামেলা তো থাকেই। এভাবে রেজিস্ট্রেশনের জন্য যেসব কাগজ সঙ্গে আনতে হবে- ১. মালিক ও আমদানিকারক/ডিলার কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর করা নির্ধারিত আবেদনপত্র।২. মালিকের ৩ কপি সদ্য তোলা স্ট্যাম্প সাইজের রঙিন ছবি।৩. বিল অব এন্ট্রি, ইনভয়েস, বিল অব লেডিং ও এলসিএ কপি (ফটোকপি আমদানিকারক অথবা শোরুম মালিক কর্তৃক সত্যায়িত)৪. সেল সার্টিফিকেট/সেল ইন্টিমেশন/বিক্রয় প্রমাণপত্র। ৫. প্যাকিং লিস্ট, ডেলিভারি চালান ও গেট পাস৬. (ক) মূসক-১, (খ) মূসক-১১(ক) এবং (গ) ভ্যাট পরিশোধের চালান৭. সিকেডি মোটরযানের ক্ষেত্রে বিআরটিএর টাইপ অনুমোদন ও অনুমোদিত সংযোজনী তালিকা৮. রেজিস্ট্রেশন ফি জমাদানের রসিদ৯. ব্যক্তি মালিকানাধীন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/ টেলিফোনবিল/ বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদির যেকোন একটির সত্যায়িত ফটোকপি এবং মালিক প্রতিষ্ঠান হলে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে চিঠি।১০. ১২৫ ও তদূর্ধ্ব সিসি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ৫০ (পঞ্চাশ)টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা (অঙ্গীকারনামার নমুনা ওয়েবসাইটে ওস্পটে পাওয়া যাবে)।এমএ/এনএফ/আরআইপি