খুলনা মহানগরীর কয়েকটি সড়কের অব্যাহত যানজট এবং দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। প্রায় দেড় মাস আগে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ইজিবাইক চলাচলের উপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়িত না হওয়ায় এধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কেএমপি। তবে নগরীবাসীর চলচলের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, নগরীর সড়কগুলোর ধারণ ক্ষমতার অধিক ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য খানজাহান আলী রোড, ডাকবাংলা মোড় থেকে শিববাড়ীসহ কয়েকটি সড়কে ইজিবাইক চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। তবে খুলনায় ক্ষমতাসীন দলের নগর শাখার এক শীর্ষ নেতার ছত্রছায়ায় যে যেভাবে পারছে নগরীর রাস্তায় চালাচ্ছে ব্যাটারি চালিত যাত্রী পরিবহনের এই বাহনটি। সূত্র জানায়, খুলনা মহানগরীতে গড়ে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক রাস্তায় নামছে। সে হিসাবে অনুযায়ী খুলনা মহানগরীর রাজপথসহ অলিগলিতে প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার ইজিবাইক চলাচল করছে। তবে গত ১০ মে অনুষ্ঠিত খুলনার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় ২০ মের মধ্যে নগরীর কয়েকটি সড়কে ইজিবাইক চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। কিন্তু সেই আরোপাদেশ বাস্তবে পরিণত হয়নি। এছাড়া বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ হয়নি।এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. রাকিব হাসান জানান, কেএমপি কর্তৃপক্ষ এবার ইজিবাইকের উপর কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নগরীর খান জাহান আলী রোড ক্রস করতে পারবে, কিন্তু রূপসা থেকে আগে যেভাবে ইজিবাইক চলাচল করেছে সেভাবে কোনোভাবেই চলতে দেয়া হবে না। তাছাড়া পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে বাইক স্টেশন রোড যেতে পারবে, ময়লা পোতা আসতে পারবে, কিন্তু কেডিএ এভিনিউতে চলতে পারবে না। তবে ট্রাফিক বিভাগে লোকবলের স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে মো. রাকিব হাসান বলেন, ট্রাফিক বিভাগে জনবল একটু কম আছে। তবে যা আছে তা দিয়ে এখন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আলমগীর হান্নান/এফএ/এবিএস