রংপুরের বোলারদের তোপে শুরুটা ভালো হয়নি সিলেট টাইটান্সের। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই ৩৫ রানে হারিয়ে বসে ৩ উইকেট। জাগিয়ে তোলে দ্রুত অলআউটের শঙ্কা। তবে শেষ পর্যন্ত ১৪৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে স্বাগতিক সিলেট আফিফ ও ইথান ব্রুকসের দৃঢ়তায়।
টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে শুরুটা ভালো করে রংপুর। ৩৫ রানের মধ্যেই তুলে নেয় সাইম আইয়ুব (১১), অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ (৪) ও রনি তালুকদারের (১৯) উইকেট। ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। আলিস, মোস্তাফিজ ও ফাহিম আশরাফ নেন উইকেটগুলো।
ভালো ফর্মে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন ১৯ বলে ১৫ রান করে বোল্ড হলে ৬৩ রানে হারায় ৪ উইকেট। সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব ও ইথান ব্রুকস। দুজনে মিলে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। এই জুটিই দিয়েছে সিলেটকে লড়াকু পুঁজি।
৪টি চার ও এক ছক্কায় ৩১ বলে ৪৬ রান করে আফিফ আউট হলে ভাঙে জুটি। মোস্তাফিজ ভাঙেন জুটি। আগের ম্যাচের নায়ক আজমতউল্লাহ ওমরজাই পারেননি ভালো কিছু করতে। ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ফাহিম আশরাফের বলে। একই ওভারে ৩০ বলে ৩২ রান করা ব্রুকসকেও ফেরান ফাহিম। ফলে ১৩৭ রানে সিলেটের পতন হয় ৭ উইকেটের।
খালেদ আহমেদ মোস্তাফিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন ইনিংসের ১৯.৫ বলে। ১৪২ বলে ৮ উইকেট হারানো সিলেটের হয়ে শেষ বলে ২ রান নেন মোহাম্মদ আমির। এতে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৪।
রংপুরের হয়ে মোস্তাফিজ ও ফাহিম সমান ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। সমান একটি করে আলিস আল ইসলাম ও মৃত্যুঞ্জয়ের।
আইএন