প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও সকালবেলায় ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তবে শুরুতে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ সারি বা উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি।
এবারের জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৪৪৫ জন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।
নির্বাচনে মোট ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ১৫৭ প্রার্থী এবং হল সংসদের ১৩ পদে ৩৩ প্রার্থী। হলের শিক্ষার্থীদের হল সংসদে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য আলাদাভাবে ভোট দিতে হবে।
ভোটগ্রহণ শেষে ৬টি ওএমআর মেশিনে হবে ব্যালট গণনা। ফলাফল ঘোষণা করা হবে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে। ভোটগণনা সরাসরি দেখানো হবে এলইডি স্ক্রিনে।
এর আগে দুই দফা পিছিয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনের দিন ঠিক করা হয়। তবে ওইদিন নির্বাচন শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এর প্রেক্ষিতে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এরপর দিনভর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ফের জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে ৬ জানুয়ারি নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনে প্যানেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’; ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’; ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ ও বামপন্থি মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেল। এছাড়া একটি আংশিক প্যানেল ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন।
টিএইচকিউ/ইএ/এএসএম