বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের গরিব, খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষই সবচেয়ে বেশি হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। তাদের যেন পুলিশি হয়রানির শিকার না হতে হয়, সে বিষয়গুলো মাথায় রেখে আইন প্রণয়ন করতে হবে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটরযানচালক দলের সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, শুধু মিছিল-মিটিংয়ের জন্য সংগঠন নয়, মোটরযান চালকদের মতো পেশাজীবীদের সমাজে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে হবে। তারা যেন নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে পেশা পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় আইন ও সহায়তা দিতে হবে।
আরও পড়ুনজকসু নির্বাচনে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়ার আশানির্বাচনি সমঝোতায় এনসিপিতে ‘আদর্শ বনাম কৌশলের দ্বন্দ্ব’
তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশগুলোতে পেশাভেদে কোনো শ্রেণিবিভাজন নেই। সেখানে ট্যাক্সিচালক বা উবারচালকের সামাজিক মর্যাদা অন্য পেশাজীবীদের মতোই। বাংলাদেশেও এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে- যার অঙ্গীকার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার ৩১ দফা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগে তুলে ধরেছেন।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেও যারা চাকরি পাচ্ছেন না, তারা যেন উবার বা ট্যাক্সির মতো স্বাধীন পেশায় যুক্ত হয়ে নিজের ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারেন। তবে এজন্য রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও আইন প্রণয়ন করতে হবে।
এমএইচএ/কেএসআর/এমএস