সোশ্যাল মিডিয়া

জকসু ভোট নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুভূতি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়েছে ৬ জানুয়ারি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদের প্রথম ভোটে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা অনুভূতি প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে প্রত্যাশার কথাও জানান।

সালমান সাদ লিখেছেন, ‘অবশেষে জকসু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুকুটে আরেকটি রঙিন পালক যুক্ত হলো। জীবনের প্রথম ভোট দিলাম সুষ্ঠু শান্ত পরিবেশে। কোনো ট্রমাটিক ভোটের স্মৃতি নেই। ভোট দেওয়ার পর নুমং দার সাথে দেখা। প্রথম ভোটের অনুভূতি বলতে গিয়ে তার ছোট ছোট লাল চোখ জলে পূর্ণ হলো- শৃঙ্খলা, এমন গণতান্ত্রিক আবহ যেন দেশে, জাতীয় নির্বাচনেও, সব সময়ই থাকে, বলতে বলতে। প্রথম ভোট দেওয়ার আনন্দ আমাদের সবারই এমন।’ তিনি লিখেছেন, ‘একটা নিরিবিলি বুথে একা একা বসে, সুস্থির মতো ভেবেচিন্তে ব্যালটে টিক দেওয়াটা কী মাত্রার আনন্দ ও স্বস্তির, তা আমরা যারা ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পর রাতের ভোট, মারামারির ভোট, হুমকি-ধামকির ভোট, আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে, ভোট পাইনি কখনো, তারা হয়তো পূর্ণমাত্রায় বুঝবো না। এই দেশে যতদিন বাঁচি, যতগুলো ভোট দেবো, আজকের ভোট দেওয়ার এই যে আনন্দময় অভিজ্ঞতা, তা কি অব্যাহত থাকবে?’

মাঈন উদ্দিন আহমেদ লিখেছেন, ‘জকসু; ব্যালটে যার নাম বেশি সুন্দর। সেই বিবেচনায় দুইটা ভোট দিলাম।’

আরও পড়ুনবাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা শিশু সাজিদের শোকে স্তব্ধ বাংলাদেশ 

শিশির রহমান লিখেছেন, ‘মুড সুইং বি লাইক: ব্যালট হাতে পাওয়ার পর মাইন্ড চেঞ্জ হয়া গেসে। জকসু ফ্যাক্ট!’

শাহিন আলম লিখেছেন, ‘প্রথম জকসু ভোট হোক ন্যায় ও সততার পক্ষে। যারা প্রকৃতপক্ষে প্রাণপ্রিয় জবির দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে কাজ করবে, সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করবে, জকসুতে ভোট হোক তাদের পক্ষে।’

তিনি লিখেছেন, ‘যারা ক্ষমতা নিয়ে চাঁদাবাজি, অধিকার আন্দোলনে প্রশাসনের পক্ষ নিয়ে আন্দোলনের মোড় ঘুরানো, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী হয়রানি, মারামারি, তোষামোদি আশা করি; শিক্ষার্থীরা এগুলো বর্জন করে নিজের স্বার্থে, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে প্রকৃতপক্ষে সৎ ও যোগ্যপ্রার্থীকে বাছাই করে নেবে।’

সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে বড় পরিচয় হোক আমরা জবিয়ান। প্রথম জকসু কলঙ্কিত না হোক। শুভ কামনা প্রিয় বিদ্যাপীঠ ও প্রিয় জবিয়ানস।’

এসইউ