টানা তিন জয়ে ভালো সময় পার করা রাজশাহী দাঁড়াতে পারেনি চট্টগ্রামের বোলারদের সামনে। পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে তাদের সংগ্রহ মাত্র ১২৮ রান।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। তার সিদ্ধান্ত যথার্থ প্রমাণ করেন দলের বোলাররা।
তানজিদ হাসান তামিম ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের ২১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তানভীর ইসলাম। ১৯ রান করা ওয়াসিম হন বোল্ড। তিনে নামা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭ রান করে হাসান নওয়াজের বলে ক্যাচ দেন আমের জামালের হাতে। ৩৩ রানে ২ উইকেট হারায় রাজশাহী।
ওপেনার তানজিদ তামিম মাত্র ৫ রান করে আমের জামালের শিকার হলে ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ওয়ারিয়র্স। সেই বিপদ আরও বাড়ে ১৫ রান করা মুশফিককেও আমের জামাল এবং ১১ রানে রায়ান বার্লকে চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান বিদায় করলে ৭২ রানে তারা হারায় ৫ উইকেট।
রাইজিং এশিয়া কাপে এসএম মেহেরব দ্যুতি ছড়ালেও রাজশাহীর হাল ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাকে ফেরান তানভীর। ১৯ রান করেন তিনি। ৯১ রানে ৬ উইকেট হারানো শান্তর দলের তখন বড় স্কোর অসম্ভব হয়ে পড়ে।
আমের জামাল আবারও তুলে নেন উইকেট। আকবর আলী ১৭ রানে ফিরলে ১০৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রানের সম্ভাবনাও ফিকে হয়ে যায়। দলের বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই ফেরেন রিপন মন্ডলও। ১ রান করেন তিনি। তাকে ফিরিয়ে নিজের প্রথম উইকেট তুলে নেন শরিফুল ইসলাম।
৫ রান করে সন্দিপ লামিচানে। ১২৩ রানে ৯ উইকেট হারানো রাজশাহী শেষ পর্যন্ত ১২৮ রান করতে সমর্থ হয় পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করে। ১৪ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন তানজিম হাসান সাকিব।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট আমের জামাল পেয়েছেন। সমান দুটি শরিফুল ও তানভীর। একটি করে পান মাহেদি ও নওয়াজ।
আইএন