ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো বিমান হামলার বিষয়টি বিবেচনায় রাখছেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বড় শক্তি হলো—তিনি সব সময় সব বিকল্প খোলা রাখেন। আর বিমান হামলা সেই বহু বিকল্পেরই একটি।
লেভিট জোর দিয়ে বলেন, কূটনীতি সব সময়ই প্রেসিডেন্টের প্রথম পছন্দ। তবে ট্রাম্প প্রয়োজনে এবং যখন তিনি তা প্রয়োজন মনে করবেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মারাত্মক শক্তি ও সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করতে তিনি ভয় পান না।
লেভিট বলেন, এটা ইরানের চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না। গত গ্রীষ্মে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রসঙ্গও টানেন লেভিট।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বিজয়ের বার্তা দেওয়ার বিষয়ে লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, ইরানি শাসনব্যবস্থা প্রকাশ্যে যা বলছে, বাস্তবে প্রশাসন যে বার্তা পাচ্ছে, তা একেবারেই ভিন্ন।
এদিকে যুক্তরাজ্যকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করতে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার ফোনালাপে আরাঘচিকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান।
এর জবাবে আরাঘচি যুক্তরাজ্যকে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এড়িয়ে চলার জন্য সতর্ক করেছেন।
ফোনালাপের সময় ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লন্ডনে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানান যুক্তরাজ্যকে।
সূত্র: বিবিসি
এমএসএম