খেলাধুলা

‘বাংলাদেশ থেকে আরও আন্তর্জাতিক মানের আম্পায়ার তৈরি করতে চাই’

বাংলাদেশ ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ের মান উন্নয়নে গত তিন সপ্তাহকে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন আইসিসির সাবেক এলিট আম্পায়ার সাইমন টাফেল। বিসিবিতে ম্যাচ রেফারিদের দুইদিনের কর্মশালা শেষে তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ থেকে আরও আন্তর্জাতিক মানের আম্পায়ার তৈরি করাই তার লক্ষ্য।

বিপিএল ও বিসিবিতে আয়োজিত বিভিন্ন কার্যক্রম প্রসঙ্গে টফেল বলেন, ‘বিগত তিন সপ্তাহ বাংলাদেশের ক্রিকেটের ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগের আরও একটি বড় ধাপ ছিল। বিপিএলে সাতটি দল অংশ নিয়েছে এবং আম্পায়ার, রেফারি ও কোচরা একসঙ্গে কাজ করেছেন ক্রিকেটের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে।’

বিপিএলের অংশ হতে পারা এবং সেখানে ম্যাচ রেফারি হিসেবে কাজ করাকে আনন্দের অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন টফেল। একই সঙ্গে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) থেকে আম্পায়ার কোচ ডেনিস বার্নসকে যুক্ত করার বিষয়টিকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তিনি।

বিপিএল শেষে বিসিবিতে ম্যাচ রেফারিদের জন্য আয়োজিত দুই দিনের কর্মশালার কথা তুলে ধরে টফেল বলেন, ‘এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল আম্পায়ার মূল্যায়ন পদ্ধতি উন্নত করা। একজন আম্পায়ারের পারফরম্যান্স কিভাবে বিশ্লেষণ করা হবে এবং কিভাবে গঠনমূলক ফিডব্যাক দেওয়া যায়—এসব বিষয়েই সেখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’

টাফেলের মতে, আম্পায়ারদের উন্নতির জন্য মানসম্পন্ন তথ্য ও বিশ্লেষণ যেমন জরুরি, তেমনি তাদের ভালো কাজগুলোকেও উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘বিপিএলে আম্পায়ারিংয়ের মান ইতোমধ্যে অনেক উন্নত হলেও আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।’

কর্মশালায় মাঠ পর্যায়ের কাজ, ম্যাচ ও খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পরিসংখ্যান সংগ্রহ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান টফেল। তিনি বলেন, ‘বিসিবি আম্পায়ারদের র‍্যাঙ্কিং করে যোগ্যদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে চায়। খেলোয়াড়দের মতোই ম্যাচ অফিসিয়ালদেরও জবাবদিহির মধ্যে থাকতে হবে। আমরা সবাই মিলে কাজ করলে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি আন্তর্জাতিক মানের আম্পায়ার তৈরি করা সম্ভব। আগামী মৌসুমকে আরও ভালো করতে এই প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

এসকেডি/আইএইচএস/