সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে৷
আহতরা হলেন- ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকাদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছেনের ছেলে হিমেল।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ধানের শীষের মিছিল করছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসছিল। এ মিছিল ক্রসিংয়ের সময় হঠাৎ করেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি ও কিলঘুসি ছাড়াও মারপিটে জড়ান। এতে উভয় দলের ১০-১২ জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলছেন, ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। কিন্তু মিছিল শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তাদের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শিমুল তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে ছয়জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তবে ভর্তি হওয়া একজনের অবস্থা গুরুতর।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
এম এ মালেক/এমএন/এমএস