দেশজুড়ে

রংপুরে কমেছে ডিম-সবজির দাম

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে অধিকাংশ সবজির দাম। সে সঙ্গে দাম কমেছে পোলট্রি ডিমের। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগিসহ মাছ-মাংস ও চাল-ডালের দাম।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৪-৪৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৬-৩৮ টাকা। এদিকে, বয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০, পাকিস্তানি সোনালী ২৮০-৩০০, পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৭০-২৮০ এবং দেশি মুরগি ৫০০-৫২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের ডিম বিক্রেতা আব্দুল মজিদ ভুট্টু বলেন, পাইকারি বাজারে একশত ডিম ৮২০ টাকা। সেই হিসেবে প্রতিহালির দাম ৩৩ টাকার মতো হয়। গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় আজ ডিমের দাম অনেকটাই কমেছে।

বাজারে গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ এবং খাসি ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৪৫-৫০ এবং কাঁচামরিচ ৯০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি টমেটো ৫০-৬০ থেকে কমে ৩০-৪০, গাজর ৪০-৫০ থেকে কমে ৩০-৪০, মুলা ৩৫-৪০ থেকে কমে ২৫-৩০, ফুলকপি ৩৫-৪০ থেকে কমে ২৫-৩০, বাঁধাকপির পিস ২০-২৫, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৫০, কাঁচকলার হালি ২০-২৫, চিকন বেগুন গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০, গোল বেগুন ৫০-৬০ থেকে কমে ৪০-৫০, পটল গত সপ্তাহের মতোই ১০০-১২০, বরবটি ৫০-৬০, শিম ৩০-৪০, পেঁপে ২৫-৩০, শসা ৬০-৭০, করলা ৭০-৮০ থেকে বেড়ে ৮০-১০০, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ থেকে বেড়ে ৫০-৬০, লেবুর হালি ১৫-২০ বেড়ে ২০-২৫, প্রতিকেজি ধনেপাতা গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ -২০ এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০-৫০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৪০-১৫০, দেশি রসুন আগের মতোই ১০০-১২০, আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০, শুকনা মরিচ আগের মতো ৩৫০-৪০০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু (পুরাতন) গত সপ্তাহের মতোই ১৫-২০, বাজারে আসা নতুন কার্ডিনাল আলুও বিক্রি হচ্ছে ২৫-২০, সাদা নতুন আলু ২০-২৫ থেকে কমে ১৫-২০, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩৫-৪০ থেকে কমে ২৫-৩০, শিল আলু (নতুন) ৬০-৬৫ থেকে কমে ৪৫-৫০, ক্যারেজ আলু (নতুন) ২৫-৩০ থেকে কমে ২৫-২০ এবং বড় সাইজের ঝাউ আলু ৬০-৬৫ থেকে কমে ৪৫-৫০ এবং ছোট সাইজের ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আদর্শপাড়া বৌ বাজারের সবজি বিক্রেতা জয়নাল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে দুই-একটা সবজির দাম বাড়লেও অধিকাংশের দাম কমেছে। বাজারে শীতকালীন সবজিসহ নতুন আলুর সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে দাম কিছুটা কমতির দিকে।

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫-২০০ এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৮০-২০০, মসুর ডাল (চিকন) ১৫০-১৬০, মাঝারি ১০০-১১০ থেকে কমে ৯০-১০০, মুগডাল ১৬০-১৮০ থেকে কমে ১৫০-১৬০, বুটের ডাল ১২০-১৩০ থেকে কমে ১১০-১২০, খোলা চিনি ১১০-১২০ থেকে কমে ১০৫-১১০, ছোলাবুট ১০০-১১০ থেকে কমে ৯০-১০০, প্যাকেট আটা ৫৫, খোলা আটা ৪৫-৫০ এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চালের বাজার।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০, টেংরা ৪০০-৫৬০, মৃগেল ২২০-২৫০, পাঙাশ ১৫০-২০০, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০, বাটা ১৮০-২৪০, শিং ৩০০-৪০০, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এএইচ/এমএস