খেলাধুলা

শেষ মুহূর্তে সুযোগ পেয়ে ভিসা নিয়ে চিন্তিত স্কটল্যান্ড

নিরাপত্তা ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ। একটি দলের ঘাটতি পূরণে তাই সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। নিজেদের ইতিহাসে সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে স্কটিশরা। তবে জটিলতা দেখা দিয়েছে তাদের খেলোয়াড়দের ভিসা প্রাপ্তি নিয়ে।

তাড়াহুড়ো করে স্কোয়াড ঘোষণা করে স্কটল্যান্ড। ১৫ সদস্যের সেই দলে আছেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পেস বোলার সাফিয়ান শরিফ।

বরাবরই রাজনৈতিক কারণে সবসময়ই বৈরিতা বিরাজ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এর প্রভাব এসে পড়ে বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ওপরও। ইংল্যান্ডের স্পিনার বশির খাণের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল এমন ঘটনা।

ইংল্যান্ডের হাডার্সফিল্ডে জন্ম নিয়েছেন স্কটিশ পেসার শরিফ। বাবা পাকিস্তানি ও মা ব্রিটিশ-পাকিস্তানি। ৭ বছর বয়সে সে স্কটল্যান্ডে পাড়ি দেওয়া ডানহাতি পেসারের ভিসা প্রাপ্তি নিয়ে চিন্তিত দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। স্কটল্যান্ডের জার্সিতে ৯০ ওয়ানডে ও ৭৫ টি-টোয়েন্টি খেলে শিকার করেছেন ১৯৮ উইকেট।

গতকাল স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলেন, ‘আমরা সবাই এটি (ভিসা কার্যক্রম) সম্পন্ন করার জন্য আইসিসির সঙ্গে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভিসার বিষয়টি সবসময়ই কিছুটা অনিশ্চিত থাকে এবং আপনার হাতে তিন দিন থাকুক বা ৪৫ দিন, তাতে কিছু যায় আসে না।’

ভিসা প্রাপ্তির জন্য সকল কাজ চলমান। সময়মতো ভিসা হাতে পেলেই ভারতে উড়াল দেবে দলটি। ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘গত ৪৮ ঘণ্টায় আমাদের মনোযোগ মূলত সেখানেই ছিল। কেবল ভিসাগুলো সম্পন্ন করা যাতে আমাদের খেলোয়াড়রা সবাই যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে। তারা সবাই এখন ভিসা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে এবং আমরা যত দ্রুত সম্ভব ভারতের মাটিতে উপস্থিত হবো, তাই এটি এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।’

এর আগে, ভিসা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার আলী খান, শায়ান জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মহসিন ও ইহসান আদিলের।

আইএন