কবিতার নিঃশ্বাসে দূষিত ধোয়াশ্বাস-প্রশ্বাসে উঠানামা করে দুর্বল হৃদপিণ্ড ক্ষণে ক্ষণে নিস্তব্ধ হয় কণ্ঠস্বর চোখে নেই আগুনের স্ফুলিঙ্গ কন্ঠে নেই আকাশ বিদারী হাক।তার আর্তনাদে প্রকম্পিত হয় না মাটি করেনা রাজপথে শব্দের মিছিলকন্ঠে বাজে না অগ্নিবীণার সুর ঝংকার সর্বহারার বেদনার বাণী বুকে নেই বৈশাখীর ঝড় প্রভঞ্জনের বেসামাল আলোড়ন। কায়ক্লেশ কবিতার দেয়াল।যুদ্ধের বিভীষিকা, রক্তের সাগরমায়ের আর্তনাদ,শিশুর কান্না, উপবাসী দীর্ঘশ্বাসে পোড়া রুটির মত পুড়তে থাকে। আধুনিক সমরাস্ত্রে পঙ্গু হয়েবন্দি চেতনাহীন কারাগারে। বৃক্ষহীন বৈরী বাতাসে বেঁচে আছে শ্বাসকষ্ট নিয়ে।
কেএসকে