ইরানের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজিবাবাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালায়, তাহলে তার দেশ কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেবে।
বাহরাইনে একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে ইন্দোনেশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ কথা বলেন।
হাজিবাবাই অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনকে দুর্বল করে সামরিক আগ্রাসন ও সম্পদ লুটের যৌক্তিকতা দেখাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনো হুমকি, উত্তেজনা বা সংঘাত শুরু করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তবে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনো আগ্রাসন হলে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকারের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক, কঠোর ও উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর স্বার্থও উপেক্ষা করেন।
হাজিবাবাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক যতই ঘনিষ্ঠ হোক না কেন, কোনো দেশই তার অতিরিক্ত দাবি, চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন থেকে নিরাপদ নয়।
তিনি দাবি করেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোকে দুর্বল, অবিশ্বাসযোগ্য এবং কার্যত অচল করে দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত ও সংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ‘নির্ভুল হামলা’ চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলা চলতি সপ্তাহেই হতে পারে, তবে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সময় পরিবর্তন হতে পারে।
সূত্রের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এ নিয়ে আলোচনা বেশ বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। কর্মকর্তারা ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধের পরিণতি নিয়ে বিভক্ত মত পোষণ করেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম