জাতীয়

দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন শেভেনিং-কমনওয়েলথ স্কলাররা

শেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলাররা বাংলাদেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

তিনি বলেন, এই স্কলারশিপ কর্মসূচি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার দৃঢ় অংশীদারত্বের প্রতিফলন।

যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন শেষে দেশে ফেরা বাংলাদেশের শেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলারদের সম্মানে ‘ওয়েলকাম হোম রিসেপশনে’ এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্য হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশে ফেরা স্কলারদের পাশাপাশি ব্রিটিশ কাউন্সিল, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ স্কলার্স অ্যান্ড ফেলোজ এবং শেভেনিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত স্কলারশিপ কর্মসূচিগুলো যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার শক্তিশালী অংশীদারত্বকে আরও গভীর করেছে।

তিনি বলেন, বিশ্বমানের যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা এসব স্কলার আগামীদিনে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অবদান রাখবেন বলে তিনি আশাবাদী।

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, স্কলারদের একাডেমিক সাফল্য ও শেখার প্রতি অঙ্গীকার বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বাস্তব ভূমিকা রাখার সক্ষমতা তৈরি করেছে। কমনওয়েলথ ও শেভেনিং নেটওয়ার্কের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মোট ৪০ জন কমনওয়েলথ এবং ২২ জন শেভেনিং গ্র্যাজুয়েটকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্ট অ্যালামনাইরাও উপস্থিত ছিলেন।

জেপিআই/ইএ