রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পেরোলেও সন্ধান মেলেনি শ্রমিক রেজাউল শিকদারের।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে পড়ে নিখোঁজ হন তিনি।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে ডুবুরি দল।
নিখোঁজ ওই যুবকের নাম রেজাউল শিকদার। তিনি গোয়ালন্দ উপজেলার বাহিরচর শাহাদাৎ মেম্বার পাড়া এলাকার মৃত মহিউদ্দিন শিকদারের ছেলে।
জানা গেছে, ফেরিঘাটের পন্টুনে নিখোঁজ রেজাউল শিকদারের সঙ্গে এক যাত্রীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পন্টুনের ওপর ধস্তাধস্তির মধ্যে রেজাউলসহ ওই ব্যক্তি নদীতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা ওই যাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও তলিয়ে যান রেজাউল শিকদার। খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ থেকে এসে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উদ্ধার কাজ শুরু করে আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল।
রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অভিযান চললেও তাকে না পেয়ে শেষ হয় প্রথম দিনের অভিযান। বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান।
এদিকে নিখোঁজ রেজাউল শিকদারের পরিবারের দাবি, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফেরিঘাট থেকে পরিকল্পিতভাবে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ নিখোঁজ রেজাউলের সন্ধান চান তারা।
আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার জয়নুল আবেদিন জানান, নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধ্যানে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ চলছে। সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
রুবেলুর রহমান/এমএন/এমএস