শেরপুর-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান বাদলের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক সংলগ্ন পৌর ঈদগাহ মাঠে প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টায় শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
নুরুজ্জামান বাদলের ভাগনে মনির হোসেন বলেন, ‘গতকাল মামা বলেন আজ যেহেতু শবে বরাত তাই ইবাদত পালন করবো, এজন্য কোথাও পথসভা বা গণসংযোগে বের হবো না। পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নানান বিষয়ে মামার সঙ্গে কথা হয়। রাত দেড়টার দিকে আমি চলে আসি। পরে রাত আড়াইটার দিকে মামার মৃত্যুর সংবাদ পাই। শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে শ্রীবরদী পোড়াগাঁও এলাকার দক্ষিণ পাড়াগাঁও গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত করা হবে।
নুরুজ্জামান বাদলের বন্ধু মো. এবাদুল্লাহ সরকার বলেন, আমরা শ্রীবরদী এপিপিআই উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৮৮ সালে এসএসসি পাশ করি। বাদল ছাত্রজীবন হতেই রাজনীতি করতেন। শ্রীবরদী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার আগের দিন তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। দলের জন্য তিনি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে জানায়, নুরুজ্জামান বাদল দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন ডায়ালাইসিস করতেন। কিন্তু শবে বরাত রাতে সমস্যা বেড়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুজ্জামান বাদল ইন্তেকাল করেন।
মো. নাঈম ইসলাম/আরএইচ/এএসএম