সামনে নির্বাচনকে ঘিরে খুব আলোচনা হচ্ছে নারী ভোটারদের নিয়ে। বিশেষ করে নারী ভোটারদেরকে দেয়া জামায়াতে ইসলামির বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ও নারীকেন্দ্রিক বিভিন্ন মন্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অবস্থাদৃষ্টে মনেহচ্ছে, এই নির্বাচন, নারী বিষয়ক নির্বাচন। সে যাক, ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কীভাবে বা কতটুকু নারীর জন্য কাজ করবেন, তা সময়ই বলে দেবে।
নির্বাচনে যে সরকারই আসুক তাদের সামনে আছে বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। ব্যবসা বাণিজ্যের দুরবস্থা, কর্মসংস্থান কমে যাওয়া, কল-কারখানা বন্ধ, বেকারত্ব বৃদ্ধি, তরুণদের চাকরির সংকট, গার্মেন্টস শিল্পের ভোগান্তি এবং নারীর কাজের সুযোগ কমে যাওয়া খুব কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। কথা আছে ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে। অর্থাৎ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। এই প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরে শেষ করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি এই তিনটি সূচকে যোগ্যতা অর্জন করেছে।
এই উত্তরণকে মসৃণ করতে এখন সরকার ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতি নেয়ার কথা। অথচ ঠিক এখুনি দেশে কর্মসংস্থানে নারীশক্তির পিছিয়ে পড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনৈতিক অঙ্গনে বেশ শঙ্কা তৈরি করছে। শ্রমবাজারে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন জোরদার করা না গেলে বাংলাদেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রমবাজারের কাঠামোগত শ্রমবিভাজন, অনানুষ্ঠানিক খাত বৃদ্ধি, এবং বিনামূল্যে গৃহস্থালি কাজের ভার বেড়ে যাওয়ায় শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ উদ্বেগজনকভাবে কমছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, নারী শ্রমশক্তির সংখ্যা ২০২৩ সালের ২৫.৩ মিলিয়ন থেকে কমে ২০২৪ সালে ২৩.৭ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা সতর্ক করে বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশ, প্রবৃদ্ধি গতি হারানোর ঝুঁকিতে আছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নারী শ্রমশক্তি অংশগ্রহণে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে। নেপালে এ হার প্রায় ৫০ শতাংশ, ভুটানে ৫৮, কিন্তু বাংলাদেশে মাত্র ৩৭ শতাংশ। কর্মসংস্থানে নারীর অংশগ্রহণ কমে গেলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনও ঝুঁকিতে পড়বে। সবকিছু মিলে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে ব্যবসায়ীদের মধ্যে একধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের এই উত্তরণ ঘটা নিয়ে।
শুধু নারী শক্তির সংখ্যা কমে যাওয়া নয়। জাতিসংঘের নির্ধারিত তিনটি সূচক যেমন : মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ, ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিয়েও সবাই ভাবছে। এর আগে দুইবার বাংলাদেশ এগুলোতে পাশ নম্বর পেয়েছে কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বেশ দুর্বল। এই উত্তরণের ফলে কিছু ক্ষেত্রে সুবিধা কমে যাবে। এলডিসি হিসেবে প্রাপ্ত শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা (যেমন ইউরোপে) কমে যাবে। এছাড়া রপ্তানি বহুমুখীকরণ, প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজার শক্তিশালী করা প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে ব্যবসায়ী মহলের একটা অংশ মনেকরছেন।
বাংলাদেশ 'পোস্ট-এলডিসি' ভিশন নিয়ে কাজ করছে, যা উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর জোর দিচ্ছে এবং তৈরি পোশাক শিল্পের মতো খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে চেয়েছে। কিন্তু শ্রমশক্তিতে পুরুষদের অংশগ্রহণ মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও নারীদের অংশগ্রহণ, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে, আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। অথচ এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ যখন অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা ও সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা হারাবে, তখন উৎপাদনশীলতা, রপ্তানি ও রাজস্ব আয় বাড়াতে নারী শ্রমশক্তিকে কাজে লাগানো অপরিহার্য বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।
‘ফিমেইল অ্যামপ্লয়মেন্ট অ্যাজ আ ন্যাশনাল অপরচুনিটি ফর অ্যাডভান্সিং ইকোনমিক রিফর্ম ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক এক সংলাপে উপস্থাপিত গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, পুরুষদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও নারীদের অংশগ্রহণ, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে, আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ফলে কারখানার সামগ্রিক কর্মসংস্থান ৩০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে সেলাই ও ট্রিমিংয়ের কাজে যুক্ত নারীদের ওপর। নারী শ্রমশক্তির একটি বড় অংশ হারিয়েছে কৃষিখাত। কারণ অনেকেই অন্যান্য অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রে কাজে চলে গেছেন। এর ফলে কৃষিখাতে তৈরি হওয়া শূন্যস্থানগুলো অনেকটাই অপূর্ণ থেকে যাচ্ছে।
দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য যে-কোনো অবস্থায় নারীকে কাজে থাকার সুযোগ করে দিতে হবে। শুধু ভালো ভালো নীতির কথা বলা ও বক্তৃতা-বিবৃতি নয়, দরকার বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ। এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যেন ফর্মাল খাতের নিয়োগ কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে নয়, বরং আগ্রহী হয়েই নারীদের নিয়োগ করতে উৎসাহী হন। আনুষ্ঠানিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ জোরদার না করলে দেশ 'মধ্যম আয়ের ঘরে'ই পড়ে থাকবে, যা আমরা দেখতে চাইছি না।
সাধারণ কর্মজীবী নারী ছাড়াও শিক্ষিত নারীরাও দক্ষতা ও চাকরির মধ্যে তীব্র অসামঞ্জস্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। স্নাতক ডিগ্রিধারী নারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার নারীদের জাতীয় গড় বেকারত্ব হারের প্রায় ছয়গুণ। কর্মসংস্থানের গুণমান নিয়েও বড় ধরনের উদ্বেগ রয়েছে। কারণ কর্মরত নারীদের ৯৫.৯৬ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত, যেখানে চাকরির নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মজীবনে উন্নতির সুযোগ খুব সীমিত।
অর্থনীতিবিদ বিদিশা হক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশে নারীর শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ হ্রাস পাচ্ছে, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে অবস্থা উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণমূলক পদে নারীর অংশগ্রহণ কম। এছাড়া, অসংখ্য নারী 'না শিক্ষা, না কর্ম, না প্রশিক্ষণ' অবস্থায় রয়েছেন এবং নারীরা বিনা পারিশ্রমিকে গৃহস্থালি ও সেবামূলক কাজে ব্যাপক সময় দিচ্ছেন, যা জাতীয় ক্ষেত্রে শ্রম হিসেবে স্বীকৃত হচ্ছে না।
নারীর বিপুল পরিমাণ অনানুষ্ঠানিক ও অদৃশ্য শ্রম অর্থনীতিতে অবদান রাখলেও তা জাতীয় আয়ের হিসাব ও নীতিনির্ধারণে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না। (সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি (বিইএ) ও ইডেন মহিলা কলেজের যৌথ উদ্যোগে
'বাংলাদেশে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন: শ্রমবাজার প্রেক্ষিত' শীর্ষক সেমিনার) বহু আগে থেকেই বলা হচ্ছে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়নে অন্যতম মূল বাধা হচ্ছে, নারীকে মূলধারার অর্থনীতিতে অন্তর্ভুক্ত না করা এবং নারীর অবদানকে সেকেন্ডারি মনে করা। অথচ নারীর হাতকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতেই হবে দেশ, সমাজ ও পরিবারের প্রয়োজনেই। কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবার পুরুষ প্রধান হলেও, নারী প্রধান পরিবারের সংখ্যা ইদানীং বাড়ছে বলে সরকারি তথ্যে জানা যাচ্ছে।
এসব নারীর বেশিরভাগই বিধবা, নয়তো বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। বিবিএস এর জরিপ অনুযায়ী প্রতি ১০০টি পরিবারের মধ্যে ১৪টি পরিবারের প্রধান এখন নারী এবং ২০১৩ সাল থেকে এই হার বাড়ছে। কাজেই নারীর আয় পরিবার, সমাজ, দেশ কারো জন্যই সেকেন্ডারি নয়।
নারীরা পিছিয়ে পড়ছেন, কর্মহীন হচ্ছেন, সক্ষমতা কম বলে কাজের সুযোগ হারাচ্ছেন, বিশেষ করে প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবে নারীরা কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছেন। কিন্ত এজন্য নারীরা দায়ী নয়, দায়ী পরিবার, সামাজিক অবকাঠামো, বাজেটে যথাযথ বরাদ্দের অভাব। নারীর জন্য বিশেষভাবে দরকার শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীর শ্রমবাজার সংযুক্তি জোরদার করার পরিকল্পনা।
নারীর ভোট পাওয়ার জন্য, নারী উন্নয়নের পক্ষে উল্টাপাল্টা প্রচারণা চালিয়ে লাভ হবে না, বরং দরকার নারী উন্নয়নের একটি সমন্বিত রূপরেখা। আগামীতে যারাই সরকার গঠন করুন, তাদের উচিৎ হবে এই সংকট মোকাবিলায় জরুরিভিত্তিতে কার্যকর কিছু উদ্যোগ নেওয়া। যেমন চাকরি হারানো নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি, তাদের আবার কর্মসংস্থানে যুক্ত করা, হতে পারেন, শ্রমবাজারে ন্যায্য মজুরি এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, সরকারি সহায়তা ও বাজারসংযোগ বাড়াতে হবে।
অবশ্য এরকম কোনোকিছু আমরা এখনো দেখতে পাইনি। নারীর কাজের শ্রমঘণ্টা কমিয়ে নারীকে বিপদে না ফেলে, কাজের জায়গায় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার। আরো দরকার সাশ্রয়ী মূল্যের চাইল্ডকেয়ার সুবিধা বাড়ানো, নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, নারীর দক্ষতাবৃদ্ধি প্রশিক্ষণ, নারীর নিরাপত্তা জোরদার করা, নারীর জন্য টয়লেট সুবিধা বাড়ানো, নারীকে যৌন হয়রানির করার জন্য কঠিন বিচারের মুখোমুখি করার বিধান চালু করা। বর্তমানে ৫৪ শতাংশ নারী অপর্যাপ্ত শিশুযত্ন ব্যবস্থাকে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা মনে করেন।
আমাদের স্বীকার করতে হবে যে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি নারীরা শ্রমবাজার থেকে ছিটকে পড়ছেন। তাদের এই ছিটকে পড়ার হার এতটাই বেশি যে, তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশে প্রায় ২১ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ লাখই নারী। অর্থাৎ চাকরি হারানো মানুষের ৮৫ শতাংশের বেশি নারী, যা শ্রমবাজারে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। (সূত্র:
ইউএন উইমেনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন)। নারীর কাজ হারানোর এই ট্রেন্ড, শুধু পরিবারগুলোর আয়কেই প্রভাবিত করছে না, বরং দেশে দারিদ্র্য, বৈষম্য ও সামাজিক ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত ও সেবা খাতে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়া সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেছেন, ‘তৈরি পোশাক খাত, কৃষি, সেবা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেশের শ্রমবাজারে নারীরা যে ভয়াবহ সংকটে পড়েছেন, তা শুধু উদ্বেগজনক নয়, বরং শ্রমবাজারে বিদ্যমান লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের নগ্ন প্রকাশ।’
দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য যে-কোনো অবস্থায় নারীকে কাজে থাকার সুযোগ করে দিতে হবে। শুধু ভালো ভালো নীতির কথা বলা ও বক্তৃতা-বিবৃতি নয়, দরকার বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ। এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যেন ফর্মাল খাতের নিয়োগ কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে নয়, বরং আগ্রহী হয়েই নারীদের নিয়োগ করতে উৎসাহী হন। আনুষ্ঠানিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ জোরদার না করলে দেশ 'মধ্যম আয়ের ঘরে'ই পড়ে থাকবে, যা আমরা দেখতে চাইছি না। নারীর ক্ষমতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধির সুযোগ করে দেওয়া মানে, দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
লেখক : যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও কলাম লেখক।
এইচআর/এমএস