জাতীয়

‘ক’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হলেন ৩৮৭ জুলাই যোদ্ধা, ‘খ’ ৪৭৪ জন  

৩৮৭ জন জুলাই যোদ্ধা ‘ক’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছেন, যারা আগে ‘খ’ ও ‘গ’ ক্যাটাগরিতে ছিলেন। আবার ‘গ’ ক্যাটাগরিতে থাকা ৪৭৪ জন জুলাই যোদ্ধা ‘খ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছেন।

গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এ পুনর্নির্ধারিত ক্যাটাগরির তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (গেজেট) হরিদাস ঠাকুর জাগো নিউজকে বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধারা তাদের ক্যাটাগরি উন্নীত করার জন্য আবেদন করেছেন। কেউ হয়তো ‘খ’ বা ‘গ’ ক্যাটাগরিতে ছিল, তারা বলেছে আমরা বেশি আহত তাই ‘ক’ ক্যাটাগরির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। আবার কেউ হয়তো ‘গ’-তে আছে, তারা বলছে আমরা ‘খ’ ক্যাটাগরির যোগ্য। তাদের আবেদনগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের পর আমরা এ পুনর্নির্ধারিত ক্যাটাগরি প্রকাশ করেছি।’

আরও পড়ুনজুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ জারি

ক্যাটাগরি পরিবর্তন হলেও মোট জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা ১৫ হাজার ৪৪২ জন ঠিক থাকবে বলেও জানান তিনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনে অংশ নেওয়া আহত ব্যক্তিদের জুলাই যোদ্ধার মর্যাদা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

অতি গুরুতর আহতদের ক-শ্রেণি, গুরুতর আহতদের খ-শ্রেণি ও সাধারণ আহতদের গ-শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার কয়েক দফায় তিন ক্যাটাগরির জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করে। পরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত হওয়া ও একাধিকবার নাম আসা ১২৮ জুলাই যোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়। এরপর তিন ক্যাটাগরিতে জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা হয় ১৫ হাজার ৪৪২ জন।

আহতদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার। যারা অতি গুরুতর আহত (ক-শ্রেণি) তারা এককালীন পাঁচ লাখ টাকা পেয়েছেন এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। একটি অঙ্গহানি হয়েছে এমন গুরুতর আহত (খ-শ্রেণি) যারা আছেন তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন এবং তারা এককালীন ৩ লাখ টাকা পেয়েছেন।

গ-শ্রেণির আহতদের এককালীনে এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তারা প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।

আরএমএম/বিএ