দেশজুড়ে

নোয়াখালী কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ৩৫ বন্দি

নোয়াখালী জেলা কারাগারে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পোস্টাল ব্যালটে ৩৫ বন্দি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টায় জেল সুপার ও নির্বাচনের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বারেক জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সকল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এখানে মোট ৪৪ জন বন্দি ভোট দেওয়ার জন্য নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। কিন্তু দুজন বন্দি মামলার কারণে অন্যত্র অবস্থান করায় বাকি ৪২ জন বন্দি ভোট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সাতজনের ব্যালট এখনো না আসায় বাকি ৩৫ জন বন্দি ভোট দিয়েছেন।

জেল সুপার আরও বলেন, ভোট দেওয়ার জন্য কারাগারের ভেতরে দুটি গোপন বুথ স্থাপনসহ আনুষাঙ্গিক সব কার্যক্রম করা হয়েছে। বন্দিরা গোপন কক্ষে গিয়ে নিজেদের ইচ্ছামতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছন। এসব ব্যালট যথাযথ নিয়মে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে পাঠানো হবে। বাকি ব্যালট এলে বাকি সাতজনও ভোট দিতে পারবেন।

এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি ‌‘নোয়াখালী কারাগারে বন্দি ৯৪১, পোস্টাল ব্যালটের আবেদন ৪৪ জনের’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাগো নিউজ।

এতে বলা হয়, নোয়াখালী জেলা কারাগারে বন্দি আছেন ৯৪১ জন। এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার আবেদন করেছেন মাত্র ৪৪ জন। যা মোট বন্দির ৪ দশমিক ৭ শতাংশ।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিরা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগে জামিনের আশায় পোস্টাল ব্যালটে আবেদন করতে এর বেশি রাজি হননি। কারণ এখানে আবেদন করে জামিন পেলে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। অনেক বুঝিয়ে ৪৪ জনকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে রাজি করানো হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন কারাগারসহ নোয়াখালীর ছয়টি আসনের মোট ৭২ জন বন্দি পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছেন। এরমধ্যে নোয়াখালী-১ আসনে ১২ জন, নোয়াখালী-২ আসনে ছয়জন, নোয়াখালী-৩ আসনে সাতজন, নোয়াখালী-৪ আসনে ৩১ জন, নোয়াখালী-৫ আসনে ১২ জন এবং নোয়াখালী-৬ আসনের চারজন আবেদন করেছেন।

ইকবাল হোসেন মজনু/এসআর/জেআইএম