ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সরকার গঠন করতে পারলে ঢাকা–১৪ সংসদীয় আসনে একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি ভোটাধিকার, অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান বিষয়ে দলের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে একাত্তর ও চব্বিশের শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করবে বিএনপি।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।
স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে ঢাকা–১৪ সংসদীয় আসনে দ্রুত একটি হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে এক লাখ হেলথকেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সংকট দূর করা সম্ভব হবে।তারেক রহমান বলেন, এক যুগের বেশি সময় ধরে দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তার ভাষায়, ‘আগামী ১২ তারিখ সেই কেড়ে নেওয়া অধিকার ফিরে পাওয়ার দিন।’ তিনি বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচন দেশ গঠন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিএনপি কাজ করবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের যুবসমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
ধর্মীয় বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মগুরুদের সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মের নাম ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী মানুষকে বিভ্রান্ত করার ও ষড়যন্ত্র চালানোর চেষ্টা করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ওই দলের কিছু লোক ধরা পড়েছে।
কেএইচ/এমএএইচ/