দেশজুড়ে

জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে সম্পদ ও ঋণের তথ্য গোপনের অভিযোগ

সিলেট-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে হলফনামায় ঋণ ও সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ তুলেছেন ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, আরজেএসসি-এর ফর্ম-১২ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের পরিচালক এবং আল কারামা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের শেয়ার হোল্ডার। তবে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় এই তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া শিডিউল-১০ রিপোর্টে ইবনে সিনা হাসপাতালের ২৪ কোটি টাকার ঋণ অনাদায়ি রয়েছে যা হলফনামায় প্রকাশিত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে- শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক এবং ইসলামী ব্যাংক সিলেট শাখায় হাবিবুর রহমানের বড় অঙ্কের ঋণ রয়েছে, যা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি। বিএনপি এই তথ্য যাচাইযোগ্য উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি, জেলজুলুমের শিকার হয়েছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই সময়ে ব্যক্তিগত আক্রমণে সময় নষ্ট করা ঠিক নয়। জনগণকে দেশের বাস্তব সমস্যা যেমন কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্য, জীবনের নিরাপত্তা, শিক্ষা ও চিকিৎসার দিকে নজর দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরবর্তী বাস্তবতায় দেশের মানুষ রাজনীতি নিয়ে নতুন আশার স্বপ্ন দেখছে। সেসময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে, চরিত্রহানি করছে। এই ধরনের প্রচারণা আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির জন্য ক্ষতিকর।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

আহমেদ জামিল/এফএ/এমএস