নেতাকর্মীদের উদ্দেশে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ বলেছেন, ১২ তারিখ ভোটকেন্দ্রে থাকতে হবে, ভোট দিতে হবে এবং সকাল থেকে ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকতে হবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সীতাকুণ্ড পৌর সদরে আয়োজিত নির্বাচনি গণমিছিল ও জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার স্বপক্ষ এবং তরুণ সমাজের আকাঙ্ক্ষা- এই দুটি প্রতিষ্ঠিত করে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশকে উন্নয়নের কোন ধাপে নিয়ে যাবে সে পরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন জননেতা তারেক রহমান। ইতোমধ্যে উনার পরিকল্পনাগুলো নিয়ে সারাদেশে বিভিন্নভাবে আলোকপাত করা হয়েছে। তার মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে পরিকল্পনা, ক্রীড়া শিক্ষাসহ নানা পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির ৩১ দফা ও ইশতেহারে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং মুক্তি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা প্রণয়ন করেছে বিএনপি। সেগুলো বাস্তবায়িত হলে বিশ্বে বাংলাদেশ হবে আরেকটি নতুন রোল মডেল।
আসলাম চৌধুরী বলেন, আপনাদের মধ্যে আমাদের প্রাণপ্রিয় মুরুব্বি যারা আছেন, তাদের সন্তানদের এই বাংলাদেশের মাটিতে নিষ্কণ্টক রেখে যাওয়ার জন্য দলমত নির্বিশেষে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার জন্য এই বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। ধানের শীষ প্রতীক হলো গণতন্ত্রের, এই ধানের শীষ প্রতীক হলো গরিব, দুঃখী মানুষের। এই ধানের শীষ প্রতীক হলো কৃষক, শ্রমিক, সবজি বিক্রেতার। এই ধানের শীষ প্রতীক হলো ঠেলাগাড়িওয়ালা, জেলেপাড়া থেকে শুরু করে সাধারণ সব স্তরের মানুষের। এই ধানের শীষের প্রতীক হলো কৃষকদের, ব্যবসায়ীদের। সুতরাং ১২ তারিখ ভোটকেন্দ্রে থাকতে হবে, ভোট দিতে হবে এবং সকাল থেকে ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সবসময় জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূল, শিক্ষা উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়ন, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বেকার সমস্যা দূরীকরণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, কৃষি ও কৃষকের উন্নতি সাধন, জাহাজ ভাঙা শিল্পের উন্নয়ন, পর্যটনখাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্তকরণসহ বিএনপির জাতীয় কর্মকপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে ইনশাল্লাহ।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক গাজী মো. সুজা উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোরছালিনের সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ডা. কমল কদর, কাজী মো. মহিউদ্দিন, জহরুল আলম জহুর, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সদস্য সচিব সালেহ আহম্মদ সলু, সাবেক সভাপতি ইউসুফ নিজামী, জয়নাল আবেদীন দুলাল, যুবদল নেতা আওরঙ্গজেব মোস্তফা, ফজলুল করিম চৌধুরী, সাহাব উদ্দিন রাজু, ছাত্রদল কোরবান আলী শাহেদ প্রমুখ।
জেএইচ/এএসএম