নোয়াখালী-৪ আসনের সদরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুটি নির্বাচনি ব্যানার চুরির অভিযোগে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছে কর্মী-সমর্থকরা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চুরি হওয়া ব্যানারের স্থলে নতুন দুটি প্রতীকী ব্যানার লাগিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা।
জানা গেছে, নোয়াখালী সরকারি কলেজ গেটের সামনে লাগানো ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুটি ব্যানার কে বা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। পরে সেই জায়গায় নতুন দুটি ব্যানার লাগিয়ে এর প্রতিবাদ করে দাঁড়িপাল্লার সমর্থকরা।
নতুন ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘নোয়াখালী সরকারি কলেজ গেটের সামনে দাঁড়িপাল্লার দুইটি ব্যানার ছিল জালেমরা রাতে নিয়ে গেছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে আসুন, সকলে মিলেমিশে গড়ি বাংলাদেশ।’
সকালে নতুন ব্যানার দুটি দেখে স্থানীয়রা কৌতূহলী হয়ে ওঠেন। এ নিয়ে নানা ধরনের মুখরোচক আলোচনা-সমালোচনা করেন। অনেকে অভিনব এ ব্যানার দেখতে ছুটে আসেন।
মহিউদ্দিন নামে এক বাসিন্দা বলেন, ব্যানার চুরি করে ভোট কমানো যায় না। আর ব্যানার দিয়ে ভোটও আসে না। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে কেউ কারো প্রচারণায় বাধা দেওয়া উচিত নয়।
আবুল কালাম নামে একজন বলেন, দাঁড়িপাল্লার চুরি হওয়া ব্যানারের চাইতে, চুরির প্রতিবাদে দেওয়া ব্যানার দেখতে অনেক মানুষ এসেছে। বলা যায়, এটা নতুন আইডিয়া।
নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি নাজিম মাহমুদ শুভ বলেন, ভোটকে সামনে রেখে এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। এটি প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। যা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনি পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।
তিনি আরও বলেন, এটি নতুন দুটি ব্যানার চুরির ঘটনার নীরব প্রতিবাদ। তবে রাজনৈতিক সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে।
ইকবাল হোসেন মজনু/এমএন/এমএস