দেশে আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই মানদণ্ডগুলো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কস্ট অ্যাকাউন্টিং ও অডিট ব্যবস্থা মেনে চলতে এবং এর স্বচ্ছতা ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে মানদণ্ডগুলো গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল। আর্থিক প্রতিবেদন ও নীতিমালা সংস্কার প্রসঙ্গে আলোচনা করতে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে আইসিএমএবির নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট মো. কাউসার আলম। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিএমএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার, সেক্রেটারি মঞ্জুর মো. সাইফুল আজম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. মুশফিকুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম প্রমুখ।
বৈঠকে এফআরসির তত্ত্বাবধানে কস্ট অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডস ও কস্ট অডিট স্ট্যান্ডার্ডস সংক্রান্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। চূড়ান্ত অনুমোদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে কমিটি পর্যায়ের কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে।
আইসিএমএবির প্রেসিডেন্ট মো. কাউসার আলম বলেন, ‘এই মানদণ্ডগুলো সুসংগঠিত কর্পোরেট ও অর্থনৈতিক শাসন-ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, কস্ট অ্যাকাউন্টিং ও অডিট ব্যবস্থা মেনে চলতে এবং এর স্বচ্ছতা ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে এগুলো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।’
এছাড়া, চলমান কর্পোরেট শাসনব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়। উভয় প্রতিষ্ঠানই জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি ও টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী শাসন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় জোর দেয়। পাশাপাশি পাবলিক ইন্টারেস্ট এন্টিটিজ (পিআইই)-সম্পর্কিত আর্থিক প্রতিবেদন ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয় এবং এফআরসিকে সব রকম পেশাগত ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেয় আইসিএমএবি।
আইসিএমএবির প্রতিনিধিদল শিল্পখাতে কার্যকারিতা বৃদ্ধি, সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক জবাবদিহিতা জোরদারে কস্ট অডিটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে। বৈঠক শেষে উভয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড আরও শক্তিশালী, নীতিমালার কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং শাসন-ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
ইএইচটি/এমএমএআর