জাতীয়

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কোনো শক্তিতে প্রভাবিত হবে না: চীনা দূতাবাস

দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। পাশাপাশি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক তৃতীয় কোনো পক্ষকে টার্গেট (লক্ষ্য) করে নয় বলেও জানিয়েছে দেশটি।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে ঢাকার চীনা দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের বক্তব্য ‘পুরোনো সুর’ এবং তা অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কোনো শক্তির প্রভাবে প্রভাবিত হবে না।

সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন দাবি করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের বাড়তে থাকা প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পৃক্ততার ঝুঁকি সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করতে ওয়াশিংটন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন, বাংলাদেশে প্রভাব বাড়ছে চীনের দেশের আমদানিনির্ভর খাতে ‘অপরিহার্য’ হয়ে উঠেছে চীন 

এর জবাবে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে দূতাবাস এরই মধ্যে তাদের ‘গুরুতর অবস্থান’ স্পষ্ট করেছে। তার ভাষায়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আবারও চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে ‘আঙুল তুলেছেন’ এবং ‘সাদা-কালো মিশিয়ে’ উপস্থাপন করেছেন।

মুখপাত্র আরও বলেন, চীন ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সম্মান ও সমর্থনের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে। এ দুই দেশের সহযোগিতা বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারত্বের উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে চীন আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলেও দাবি করেন তিনি।

চীনা দূতাবাসের বক্তব্য অনুযায়ী, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। এ সম্পর্ক বাইরের কোনো শক্তির প্রভাবে প্রভাবিত হবে না।

এসময় চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র হুঁশিয়ার করে বলেন, এসব সম্পর্কে হস্তক্ষেপ বা বাধা দেওয়ার যে কোনো প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে।

জেপিআই/কেএসআর