এবার ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে ছিল ব্যাপক দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছিল নানান গুজব। নির্বাচনের দিন ছিল নাশকতার গোয়েন্দা তথ্য। তবে সব ভয়-শঙ্কা উড়িয়ে ভোটের দিন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেন ভোটাররা।
পুলিশ বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে যে এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছিল সেটা অনেকটা দূর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতীয় নির্বাচনে এটিকে ‘সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন’ হিসেবেও অভিহিত করছেন অনেকে।
এর আগে ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের সপ্তম, ২০০১ সালের অষ্টম ও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর বলা হয়। এসব নির্বাচনের দিনেও নানা সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সংখ্যালঘু নির্যাতন, হামলা ও অগ্নিসংযোগ হয়েছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায়, এবারের নির্বাচন ও গণভোটের দিনটি ছিল শান্তিপূর্ণ।
কোন দল জিতলো আর কোন দল হারলো তা বড় কথা না। আমি বলবো এখানে নির্বাচনের বিজয় হয়েছে। কাউকে ভয় দেখানো হয়নি, ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়নি, জালভোট হয়নি, আগের রাতে ভোট হয়নি অর্থাৎ, ভোটাররা তাদের নিজেদের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে। ১৭ বছর পরে এই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন জনগণের মধ্যে ফিরিয়ে আনা হলো।-নির্বাচন বিশেষজ্ঞ আব্দুল আলীম
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী আমলের গত তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। এবার ভোটের মধ্য দিয়ে গত কয়েক বছরের আস্থার ঘাটতি কাটিয়ে বাহিনীটি নিজেদের ভূমিকা ও ভাবমূর্তি নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে। জনআস্থার জায়গায় নিজেদের ভাবমূর্তি নতুন করে প্রতিষ্ঠা করেছেন বাহিনীর সদস্যরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের মাঠে এবার পেশিশক্তির ব্যবহার দেখা যায়নি। ছিল না অস্ত্রের ঝনঝনানি। পারস্পরিক সহনশীলতার মধ্য দিয়ে এবার যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য প্রকাশ পেয়েছে।
আগের নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির চিত্র১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনের ইতিহাস ছিল বারুদ আর রক্তের গন্ধে ভারী। সবশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি অংশ নেয়নি। তবু নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে জ্বালাও-পোড়াও এবং রাজনৈতিক উত্তেজনায় জনজীবন বিপর্যস্ত ছিল। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত সারা দেশে সহিংসতায় অন্তত ১৬ জন নিহত হন। দেশের অনেক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করলেও প্রচারের শুরু থেকেই ছিল ব্যাপক সংঘর্ষ। ভোটের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলের কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের খবর অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন অন্তত ১৯ জন নিহত হন।
এবারের নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। যা ইতিহাস হয়ে থাকবে। কেন্দ্রীয়ভাবে সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটর করা হয়েছে। কাউকে বিশৃঙ্খলা করতে দেওয়া হয়নি।-পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন) রেজাউল করিম
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, ওই বছর রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ৬৭ জন প্রাণ হারান। কেন্দ্র দখল ও ব্যালট পেপারে আগাম সিল মারার মহোৎসবের সেই নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল নির্মমভাবে।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সহিংস অধ্যায়। বিএনপি-জামায়াত জোটের বর্জনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন প্রতিহত করতে দেশজুড়ে নজিরবিহীন সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ভোটের দিনই সারা দেশে অন্তত ২২ জন নিহত হন।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য মতে, ২০১৪ সালের নির্বাচনি বছরজুড়ে সহিংসতায় কয়েক শ মানুষ প্রাণ হারান। নির্বাচনের দিন ও তার আগে ১০০টিরও বেশি ভোটকেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়। ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচনটি তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও একেবারে রক্তপাতহীন ছিল না। নির্বাচনের দিন একজন নিহত হন এবং নির্বাচন-পরবর্তীসময়েও বেশ কিছু প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
২০০১ সালের নির্বাচন ও পরবর্তী সময়কাল ছিল বিভীষিকাময়। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণা থেকে ভোটগ্রহণের চারদিন পর পর্যন্ত ২৫ জন নিহত হন।
ত্রয়োদশে বড় সহিংসতার খবর মেলেনি২৯৯টি আসনে একযোগে সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ও অভিযোগ ছাড়া বড় ধরনের সংঘাত-সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
তবে খুলনায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রতিপক্ষের ধাক্কায় মাথায় আঘাত পেয়ে মহানগর বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচি (৬০) নিহত হন। ভৈরবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাড়া খেয়ে রাজ্জাক মিয়া (৫৫) নামে একজনের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়া পোলিং এজেন্টসহ অন্তত পাঁচজন অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
কঠোর নিরাপত্তা, দ্রুত ব্যবস্থাভোটের দিন কেন্দ্র ও আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো ছিল। প্রার্থীদের অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যবস্থা নেয়। প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় জড়িত কয়েকজনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুনজনগণ বিশ্বাস-ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার প্রতিদানের পালা: তারেক রহমানকমনওয়েলথের পর্যবেক্ষণ/নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো আক্রমণ হয়নিইভার্স ইজাবস/এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য নতুন মানদণ্ডইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন/২০০৮ সালের পর প্রথম ‘বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক’ নির্বাচন
ময়মনসিংহ-১১ আসনের ভালুকা উপজেলার একটি কেন্দ্রে ভোটকক্ষ দখল ও ব্যালটে সিল মারার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ আসনেই প্রার্থী, কর্মী ও ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা করেছেন। কোথাও উত্তেজনা তৈরি হলেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
মোতায়েন ছিল প্রায় ১০ লাখ সদস্যস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩, চৌকিদার-দফাদারের ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়।
নতুন ভাবমূর্তি তৈরি করলো সশস্ত্র বাহিনীসারাদেশেই নির্বাচনের দিন সংঘাত-সহিংসতামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে সশস্ত্র বাহিনী। এবারের নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ-নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করে সেসব ছাপিয়ে পেশাদারত্বের নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী। গণতান্ত্রিক উত্তরণের এ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ করতে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা তাদের নতুন ভাবমূর্তি তৈরি করলো।
প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দনশান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট সবার পেশাদারিত্ব গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের প্রমাণ।
এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন) রেজাউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। যা ইতিহাস হয়ে থাকবে। কেন্দ্রীয়ভাবে সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটর করা হয়েছে। কাউকে বিশৃঙ্খলা করতে দেওয়া হয়নি।’
যা বলছেন বিশেষজ্ঞরানির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জাগো নিউজকে বলেন, ‘অন্যবারের নির্বাচনের চেয়ে নিরিবিলি ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ হয়েছে। আগামীতেও এমন ধারা অব্যাহত থাকবে আশা করছি। ভোটের দিন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তাদের পেশিশক্তি কিংবা অস্ত্রের শক্তি প্রদর্শন করেনি।’
তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে নিরাপত্তা, এটি নজিরবিহীন। নির্বাচন কেন্দ্র করে নানারকম গুজব ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি খারাপ হবে, পুলিশ কিছু করতে পারবে না। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সেনাবাহিনী যে রোলটা প্লে করেছে তা অকল্পনীয়। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে তাদের ভূমিকা ইতিহাসে লেখা থাকবে।
নির্বাচন বিশেষজ্ঞ আব্দুল আলীম আরও বলেন, কোন দল জিতলো আর কোন দল হারলো তা বড় কথা না। আমি বলবো এখানে নির্বাচনের বিজয় হয়েছে। কাউকে ভয় দেখানো হয়নি, ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়নি, জালভোট হয়নি, আগের রাতে ভোট হয়নি অর্থাৎ, ভোটাররা তাদের নিজেদের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে। ১৭ বছর পরে এই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন জনগণের মধ্যে ফিরিয়ে আনা হলো।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক, সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবারের শান্তিপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পেছনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সব পক্ষই অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নেতাকর্মীদের সহনশীল রাখতে পেরে যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সেগুলো বড় ধরনের সহিংসতায় রূপ নেয়নি।’
‘পাশাপাশি এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা, দায়িত্বের পরিধি, বিচারিক ক্ষমতা ও সদস্য সংখ্যা—সবকিছুতেই নতুনত্ব ছিল। তারা পরিপূর্ণ পেশাদারত্ব নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। আমাদের সেনাবাহিনী তাদের কাজের মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক মর্যাদা কিংবা অবস্থান তৈরি করেছে।’
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি জোটই সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ফলে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে তারা আগ্রহী ছিল না, যা সাধারণ ভোটারদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।’
টিটি/এএসএ