খুলনার বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০-১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে মুরগির দাম বৃদ্ধি পেলেও এখনো কমেনি।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) খুলনার নিউ মার্কেট বাজার, নতুন বাজার ও মিস্ত্রিপাড়া বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৩০-৩৫ টাকা, পালংশাক ২০ টাকা, ফুলকপি ২৫-৩০ টাকা কেজি, টমেটো ২০-৩০ টাকা কেজি, লাউ ৩০ টাকা প্রতি পিস, কুমড়া ৪০ টাকা কেজি, ঢ্যাঁড়স ৪০-৫০ টাকা, টমেটো ৬০-৮০ টাকা কেজি, শিম ২০-৩০ টাকা কেজি, কাঁচামরিচ দাম কমে ৫০-৬০ টাকা কেজিতে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা দরে এবং রসুন ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে এবং আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা কেজি দরে, সোনালি ২৩০ টাকা কেজি দরে ও লেয়ার ২২০-২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহেও ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এদিকে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে এবং খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে রুই আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা দরে, পাঙাশ ১৬০-১৮০ টাকা, কাতল ২৪০-২৫০ টাকা কেজি এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের খুচরা সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের সবজির দাম অনেক কম রয়েছে। আর কয়েকদিন পর গরমের সবজি উঠতে শুরু করবে। তখন দাম কম বেশী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে তুলনামূলক সব সবজির দাম কম রয়েছে।
মুরগি ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিন বলেন, গত সপ্তাহ দুই ধরে মুরগির কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। পাইকারি দাম বেশি বলে খুচরা পর্যায়েও দাম বেশি। তবে এখন দাম কমার সম্ভাবনা কম।
মিস্ত্রিপাড়া বাজারে আসা শেখ ছাব্বির বলেন, বাজারে সবজি ও মাছের দাম অনেক কম রয়েছে। বাড়তি দাম না থাকায় অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে বাজার। তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে মুরগির দাম বাড়ছে। সামনে রোজা শুরু। এ সময় সবকিছুর দাম বৃদ্ধির একটা আভাস এখন পাওয়া যাচ্ছে।
অন্য একজন ক্রেতা হাবিবুল শেখ বলেন, বাজারে ৩০-৪০ টাকায় অনেক সবজি বিক্রি হচ্ছে। তবে মুরগির দাম অনেকটা বাড়তি। সে তুলনায় মাছের দাম কম রয়েছে অনেকটা।
আরিফুর রহমান/এমএন/জেআইএম