দেশজুড়ে

রংপুরে বেগুনের দাম দ্বিগুণ, লেবুর হালি ৬০ টাকা

রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে বেগুনের দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে লেবু, শসা, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচসহ কিছু সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে ডিম, মাছ-মাংস, চাল-ডালসহ অন্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চিকন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩০-৪০ টাকা। আর গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা। প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১১০-১২০ টাকা।

এদিকে পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবু ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। টমেটো গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকা, ফুলকপি ২০-২৫ টাকা, বাঁধাকপির পিস ১৫-২০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা, দুধকুষি ৫০-৬০ টাকা, শিম ২৫-৩০ থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা, করলা ১৫০-১৬০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়ার দাম বেড়ে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৪০-১৫০ টাকা, দেশি রসুন ১০০-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০-১৫০ টাকা, আমদানি করা রসুন আগের মতোই ২২০-২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ১৫-২০ টাকা, সাদা আলু ১৫-২০ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু ৩৫-৪০ টাকা, ক্যারেজ আলু ১৫-২০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ধাপ বাজারের সবজি বিক্রেতা কবীর হোসেন বলেন, রমজানে বেগুন, পেঁয়াজ, শসা, লেবুর চাহিদা বেড়ে যায়। আমদানির তুলনায় সরবরাহ কম। এ কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কাঁচামরিচ, রসুনসহ কিছু সবজির দামও বেড়েছে।

এদিকে মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৮০-১৯০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালী মুরগি ৩০০-৩২০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৮০-৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৩৪-৩৫ টাকা।

মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আমীর হোসেন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মুরগির দাম একটু বাড়তি। বিশেষ করে দেশি মুরগির সংকট দেখা দিয়েছে।

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৯০-২১০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ৯০-১০০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪৫-৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮ ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯ ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, মিনারকাপ ২৪০-২৮০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এনএইচআর/জেআইএম