রমজানের প্রথম শুক্রবারেই জমে উঠেছে দিনাজপুরের ব্যতিক্রমধর্মী বউ বাজার।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ৭টা থেকে বিকাল পর্যন্ত বউ বজারে নারী ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। কাটা কাপড় ও থ্রিপিস লেজ, ওয়ান পিস, টু পিসসহ শাড়ি লুঙ্গীর দোকানে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দোকান কর্মচারীরা বাড়তি আয়ের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী বউ বাজারে আয়োজন করে। তবে এবার নারী দোকানদার বেড়েছে। আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে উপচে পড়া ভিড় ছিল ব্যতিক্রমধর্মী এই বউ বাজারে।
প্রতি শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে বিকাল পর্যন্ত শহরের বাসুনিয়াপট্টি, মাহদহপট্টি, চুরিপট্টি ও গরুহাটি এ চারটি রাস্তার দুই ধারে বসে বউ বাজার। বউ বাজারের বিশেষ লক্ষ্যণীয়, এখানকার দোকানের যিনি মালিক তিনিও কোনো না কোনো দোকানের কর্মচারী।
শহরের ডাব গাছ মসজিদ এলাকা থেকে আসা চম্পা নামে এক ক্রেতা বলেন, এ বাজারে কম মূল্যে উন্নতমানের সব ধরনের কাপড় পাওয়া যায়। শুধুমাত্র কম রোজগারের ক্রেতারাই নয়, ধনীরাও এখানে আসেন। বিক্রেতারা ছেলে মানুষ হলেও ক্রেতা হিসেবে কোন পুরুষ মানুষ থাকে না। এতে করে মহিলারা স্বাচ্ছন্দে কেনা কাটা করতে পারেন। তবে এবার নারী দোকানদা বেড়েছে।
শহরের মুদি পাড়া থেকে তানিয়া এসেছিলেন রমজানের কাপড় কিনতে। তিনি বলেন, ছুটির দিন হওয়ায় সময় নিয়ে কেনাকাটা করেছি। দাম কম হওয়ায় অনেক ভালো ভালো কাপড় কিনেছি। মাঝে মাঝেই এ বাজারে আসি।
খুরশীদা পারভীন খুশি ও শিল্পি বেগম বলেন, বউ বাজারে নারীরা আসতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে। এখানে আসলে কেউ খালি হাতে ফেরে না।
দোকানদার শওকত আলী বলেন, বউ বাজারের শুরু থেকে দোকানদারী কলি। সব সময় বেচা কেনা ভালো। তবে রমজানে বেশি হয়। কম দামে অনেক ভালো কাপড় পাওয়া যায়। শুধু কাপড় নয়- জুতা, সেন্ডেলসহ অন্যান্য জিনিসও পাওয়া যায়।
কসমেটিক বিক্রেতা সঞ্জয় রায় বলেন, রমজানের প্রথম শুক্রবার ক্রেতাও অনেক। কিন্তু কিছু নারী ক্রেতা সেজে মালামাল চুরি করেন। আজ দুটি কসমেটিকস আইটেম চুরি হয়ে গেছে।
এমদাদুল হক মিলন/এএইচ/এএসএম