দেশজুড়ে

অস্ত্রসহ ‘করিম-শরীফ বাহিনী’র সদস্য আটক, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো আস্তানাও

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত ‘করিম শরীফ বাহিনী’র সদস্য বাদশা শেখকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বনের গহীনে দস্যুদের গড়া আস্তানাও।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত ‘করিম শরীফ বাহিনী’র সদস্যরা সুন্দরবনের শ্যালা নদী সংলগ্ন মূর্তির খাল ও তৈয়বের খাল এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকেলে কোস্টগার্ড ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানকারীরা ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে চারটি একনালা বন্দুক, একটি ওয়ান শুটারগান, ১৭ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১০ রাউন্ড গুলির খোসা। এ সময় আটক করা হয় সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বাদশা শেখকে (২৫)। আটক ডাকাত বাদশা শেখ বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাসিন্দা।

সিয়াম-উল-হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন ধরে করিম শরীফ বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিল। জব্দ করা আলামত ও আটক ডাকাতের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

কোস্টগার্ডের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কোস্টগার্ড সদস্যদের নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র পুনরায় সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার দৃঢ় সংকল্পে ইতোমধ্যে কোস্টগার্ড বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানে সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ৫টি আস্তানা ধ্বংস করা হয়।

আবু হোসাইন সুমন/কেএইচকে/এমএস