বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও সুইডেনের ঢাকায় অবস্থানরত রাষ্ট্রদূতরাও সাক্ষাতে অংশ নেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূতরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নতুন দায়িত্বের জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ–ইইউ সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা উল্লেখ করেন, দুই দেশের অংশীদারত্ব বহুমুখী ও পারস্পরিক উপকারীভাবে গড়ে উঠেছে। রাষ্ট্রদূতরা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দীর্ঘমেয়াদি, পূর্বানুমানযোগ্য অংশীদারত্বকে আরও সম্প্রসারিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাষ্ট্রদূতরা দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা ও শ্রম সংস্কারে তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইইউ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের জন্য পাঠানো বৃহৎ নির্বাচনি পর্যবেক্ষণ মিশনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি সরকারের গণতন্ত্রের সংহতি, আইনের শাসন ও সুশাসনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বিশেষভাবে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই পক্ষ বাংলাদেশ–ইইউ ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের (এফটিএ)জন্য সম্ভাব্য আলোচনা শুরু করার বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
এছাড়া আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়, মানবিক সমস্যা, জলের সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক অর্থনীতি, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিষয়গুলোও আলোচনা করা হয়।
দিনের শুরুতে রাষ্ট্রদূতরা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের কার্যালয়েও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিমন্ত্রী ইইউ ও তার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থে কার্যকর সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
জেপিআই/এমআইএইচএস