আন্তর্জাতিক

ইরানে মার্কিন হামলায় যোগ দেওয়া সমর্থন করেন ৫৯ শতাংশ ইসরায়েলি

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলায় ইসরায়েলের যোগ দেওয়াকে সমর্থন করেন ৫৯ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক। সম্প্রতি ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১২-এর এক জরিপে এমন ফলাফল উঠে এসেছে।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাত্র ২৯ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক মার্কিন হামলায় ইসরায়েলের অংশ নেওয়ার বিরোধিতা করেন। ১২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

হামলার সমর্থকদের মধ্যে প্রায় ৫৮ শতাংশ ছিলেন বিরোধী দলের ভোটার, আর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোটের পক্ষে ভোট দেওয়া মানুষের মধ্যে সমর্থন ছিল প্রায় ৭৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন>>ইরানে হামলায় শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা, সরকার বদলের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রেরযুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো ইরানইরান ঘিরে উত্তেজনা/ লেবাননে মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

এতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, দেশটির রাজনৈতিক ধরনে পারস্পরিক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার ক্ষেত্রে বড় অংশের মতের মিল রয়েছে।

জরিপটি এমন এক সময় প্রকাশিত হলো, যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে জেনেভায় আগামী বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন-তেহরান তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি একটি ‘অর্থবহ চুক্তি’ চান, যা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে। একই সঙ্গে, চুক্তি না হলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে। দুটি বিমানবাহী রণতরী, ডজনখানেক যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ ও উন্নতমানের আকাশ সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে। দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড কয়েক দিনের মধ্যে অবস্থান নেবে; এটি বর্তমানে গ্রিসের সৌদা উপসাগরের কাছে রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌঘাঁটি আছে।

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরানও কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মার্কিন মিত্ররাও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েলকেএএ/