অর্থনীতি

বাজেট প্রণয়নে অংশীজনদের মতামত চেয়েছে এনবিআর 

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে আয়কর সম্পর্কিত বিভিন্ন আইন ও বিধি সংশোধন, সংযোজন বা পরিবর্তনের জন্য দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের কাছ থেকে প্রস্তাব ও সুপারিশ আহ্বান করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের কাছে এরই মধ্যে তাদের প্রস্তাব ও সুপারিশ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে এনবিআর।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ বিষয়টি জানিয়েছেন। 

জানা যায়, কর ব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী ও অংশীদারত্বমূলক করার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছে এনবিআর। এটি নতুন সরকারের প্রথম বাজেট হবে।

বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতি, চেম্বার ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো চিঠিতে নতুন প্রস্তাবের পক্ষে যৌক্তিক মতামত দিতে বলা হয়েছে। আয়কর, শুল্ক ও ভ্যাট বিষয়ে প্রস্তাব ও সুপারিশ করার জন্য চিঠিতে ছক তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

এনবিআর জানিয়েছে, চিঠিতে ১৫ মার্চের মধ্যে সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। পেনড্রাইভেও প্রস্তাব দেওয়া যাবে। এছাড়া সরাসরি ই-মেইলের মাধ্যমেও প্রস্তাব-সুপারিশ পাঠানো যাবে।

জানা যায়, ব্যবসায়ী ও অংশীজনদের কাছে কাস্টমস আইন, বিধি প্রজ্ঞাপন সংশোধন, পরিমার্জন; এইচএস কোডভিত্তিক শুল্ক-কর যৌক্তিকরণ, ট্যারিফ মূল্যের যৌক্তিক করণ, আয়কর আইন-২০২৩, উৎসে কর বিধিমালা, ভ্রমণ ও দানকর আইনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা প্রত্যাশা করছে এনবিআর। 

চিঠিতে বলা হয়, প্রতি অর্থবছরের বাজেটে কাস্টমস অনুবিভাগ থেকে আমদানি পর্যায়ের শুল্ককর হার যৌক্তিকীকরণ, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং পদ্ধতিগত জটিলতা নিরসনের জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। এসব কারণ ছাড়াও ডব্লিউটিও-এর টিএফএ বাস্তবায়ন, এলডিসি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি ইত্যাদি কারণে আগামী অর্থবছরের (২০২৬-২০২৭) বাজেট বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বাজেট প্রণয়নকালে এসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে কাস্টমস অনুবিভাগ কর্তৃক বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতি/অ্যাসোসিয়েশন, সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়ে থাকে। এসব মতামত ও পরামর্শকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে এনবিআর।

এসএম/এমকেআর