রাজশাহী ও এর আশপাশের এলাকার জন্য চলতি বছরের ‘সাদাকাতুল ফিতর’ বা ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩০০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদরাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালেক।
সভায় জানানো হয়, রাজশাহীর বর্তমান বাজার-দর যাচাই করে ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের ভিত্তিতে ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, গম বা আটা দিয়ে ফিতরা দিলে সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা, যবের ক্ষেত্রে ৪০০ টাকা, খেজুরে ২৩১০ টাকা, কিশমিশে ২৬৪০ টাকা এবং পনিরের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সভায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানানো হয়, শুধুমাত্র সর্বনিম্ন হারে ফিতরা আদায় না করে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত পণ্যসমূহের যে কোনো একটি বা তার বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফিতরা প্রদান করতে।
এছাড়া ওই সভায় জাকাতের নেসাবও নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরাতন রূপার মূল্য প্রতি ভরি ২৫০০ টাকা হিসেবে ৫২.৫ ভরির মোট মূল্য দাঁড়ায় ১ লাখ ৩১ হাজার ২৫০ টাকা। এই পরিমাণ সম্পদের মালিকদের যথাযথভাবে জাকাত আদায়ের আহ্বান জানানো হয়।
সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালেক সকল মুসল্লিদের যথাযথভাবে ফিতরা ও জাকাত আদায়ের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সাখাওয়াত হোসেন/কেএইচকে/এএসএম