জাতীয়

পাম্পের প্রবেশমুখে লেখা ‘তেল নেই’, গ্যাস নিতে ভিড়

দেশে চলমান জ্বালানি খাতের অস্থিরতার মধ্যে রাজধানীর অনেক পেট্রোল পাম্প রাতে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া পরীবাগের একটি পাম্পের প্রবেশমুখে ‘তেল নেই’ প্ল্যাকার্ড টানিয়ে রাখা হয়েছে। এতে তেল নিতে এসে অনেক মোটরসাইকেল আরোহীকে ফিরে যেতে হয়েছে। তবে যেসব গাড়ি গ্যাসে চলার ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব চালকরা গ্যাস নিতে ভিড় করছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিনগত রাত ১২টার দিকে সরেজমিনে ঢাকার কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরীবাগের পাম্পের সামনে মোটরসাইকেলের বেশ কিছু চালক তেল নিতে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। কর্মীরা জানান, পাম্পে আপাতত অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহ নেই।

তবে পাম্পটিতে গ্যাস সরবরাহ চালু থাকায় সেখানে প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। গ্যাস নেওয়ার জন্য অনেক গাড়িচালক লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।

পাম্পে তেল না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। অনেকেই জানান, শহরের একাধিক পাম্প ঘুরেও তারা তেল পাচ্ছেন না।

মোটরসাইকেলে তেল নিতে আসা হুমায়ুন বলেন, কয়েকটা পাম্প ঘুরে দেখলাম বন্ধ রয়েছে। এখানে এসে দেখি লেখা রয়েছে তেল নেই। কোথায় গিয়ে তেল নিবো বুঝতে পারছি না। ভোগান্তিতে পড়ে গেলাম।

আরেক চালক মিলন বলেন, দিনে ভিড় দেখে রাতে তেল নিতে আসলাম। এখন বলছে তেল নেই। তেলের আসলেই সংকট কি না, বুঝতে পারছি না।

এদিকে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ও বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সরকারি ছুটির দিন (শুক্রবার ও শনিবার) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রধান স্থাপনা বা ডিপো খোলা রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, জনগণের চাহিদা মোতাবেক দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম ও সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের মাধ্যমে প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে জ্বালানি তেল পাঠানো হচ্ছে।

এনএস/কেএএ/