ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। তবে এই চাঞ্চল্যকর দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লারিজানির অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হাতে লেখা নোট বা চিঠির ছবি পোস্ট করা হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসায় এই পোস্টটি এখন বড় ধরনের রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
লারিজানির এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হাতে লেখা নোটটি মূলত সম্প্রতি মার্কিন হামলায় নিহত ইরানি নৌবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে লেখা। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) তাদের দাফন হওয়ার কথা রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমেও শেয়ার করা ওই নোটে লারিজানি লিখেছেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর বীর শহীদদের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে: তাদের স্মৃতি চিরকাল ইরানি জাতির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে। এই শাহাদাত সশস্ত্র বাহিনীর কাঠামোতে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সেনাবাহিনীর ভিত্তিকে আগামী বহু বছর ধরে আরও শক্তিশালী করবে। আমি মহান আল্লাহর কাছে এই প্রিয় শহীদদের সর্বোচ্চ মর্যাদা প্রার্থনা করছি।’
به مناسبت مراسم تشییع سلحشوران نیروی دریایی ارتش جمهوری اسلامی ایران: یاد آنان همواره در قلب ملت ایران خواهد بود و این شهادتها بنیان ارتش جمهوری اسلامی را برای سالها در ساختار نیروهای مسلح استوار مینماید. ازخداوند متعال علو درجات برای این شهدای عزیز خواستارم. pic.twitter.com/dvTdhyDYbY
এর আগে, লারিজানিকে হত্যার দাবি করে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট দাবি করেছেন, সোমবার রাতে তেহরানে এক ‘লক্ষ্যভিত্তিক হামলায়’ তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।
দাবিটি সত্য হলে চলমান যুদ্ধে এটি হবে সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন।
লারিজানিকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত শুক্রবার তেহরানে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে। সেখানে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মিছিলে অংশ নেন।
সূত্র: আল-জাজিরাকেএএ/