ঈদুল ফিতর সামনে এলেই বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী দই, মিষ্টি ও সেমাইয়ের বাজারে যেন আলাদা এক প্রাণ ফিরে আসে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। শহরের শত বছরের পুরোনো মিষ্টির দোকানগুলোতে এখন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড়। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষও ঈদের উপহার হিসেবে বগুড়ার দই ও মিষ্টি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, গত দু-তিন বছরের তুলনায় এবার বিক্রি ২৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগে শেষ ১০ দিনে বগুড়ার দই ও মিষ্টির বাজার সবচেয়ে জমজমাট থাকে। এসময় সাধারণ দিনের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি পণ্য বিক্রি হয়। বিশেষ করে দই, রসমালাই, রসগোল্লা, সন্দেশ এবং বিভিন্ন ধরনের সেমাইয়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।
বিক্রির গড় হিসাববগুড়া শহরের অন্তত ৮–১০টি বড় ও পুরোনো মিষ্টির দোকান, কয়েকটি পাইকারি সরবরাহকারী এবং সেমাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদকেন্দ্রিক বাজারটি এখন আর শুধু খুচরা বিক্রিতে সীমাবদ্ধ নেই, এটি এক ধরনের মৌসুমি শিল্পে পরিণত হয়েছে। গত তিন বছরের হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রতি বছরই ঈদের আগে শেষ ১০-১২ দিনে বিক্রি ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। মোট বিক্রির ৬০-৭০ শতাংশ এই সময়ে সম্পন্ন হয়।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ঈদের আগে ১০–১২ দিনে দই ও মিষ্টির মোট বিক্রি দাঁড়ায় ৭-৮ কোটি টাকা। সেসময় প্রতিদিন গড়ে ৬০-৭০ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হতো। ২০২৪ সালে একই সময়ের বিক্রি বেড়ে হয় ৯-১০ কোটি টাকা। দৈনিক গড় বিক্রি উঠে যায় ৮০ লাখ থেকে এক কোটি টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ওই বছরই প্রথম বড় পরিসরে করপোরেট অর্ডার ও অনলাইন ডেলিভারির প্রভাব দেখা যায়।
২০২৫ সালে বাজার আরও বিস্তৃত হয়। ঈদের আগের ১০-১২ দিনে মোট বিক্রি ১১-১২ কোটি টাকায় পৌঁছে। প্রতিদিন গড়ে এক থেকে ১.২ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়। বিশেষ করে দইয়ের পাশাপাশি রসমালাই ও প্যাকেটজাত সেমাইয়ের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।চলতি বছর ব্যবসায়ীরা যে পূর্বাভাস দিচ্ছেন, তাতে বোঝা যায় বাজার আরও বড় হচ্ছে। তাদের ধারণা, এবার এই সময়টাতে বিক্রি ১২-১৪ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। এরইমধ্যে অনেক দোকানে আগাম অর্ডার গত বছরের তুলনায় ২০-২৫ শতাংশ বেশি এসেছে।
পাইকারি সরবরাহকারী আবু জাফর জানান, এখন শুধু দোকানেই বিক্রি হয় না। অনেকে আগে থেকেই ফোনে বা অনলাইনে অর্ডার দিয়ে রাখছেন। এতে একসঙ্গে বড় পরিমাণ বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল না।
বাইরের জেলায় বিস্তারএই বিক্রির বড় একটি অংশ আসে শহরের বাইরে থেকে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, মোট বিক্রির ৩৫-৪০ শতাংশই যায় আশপাশের উপজেলা ও অন্য জেলায়। শিবগঞ্জ, ধুনট, গাবতলী, শেরপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা এসে একসঙ্গে ৫০-১০০ কেজি পর্যন্ত মিষ্টি ও দই নিয়ে যান। এছাড়া ঢাকাসহ বড় শহরে কর্মরত বগুড়ার মানুষ ঈদের সময় বাড়ি ফেরার পথে দই ও মিষ্টি কিনে নিয়ে যান। অনেকেই আবার কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠান। এতে পরিবহনভিত্তিক বিক্রিও গত দুই বছরে বেড়েছে ১৫-২০ শতাংশ।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে লাচ্ছা সেমাই কিনলেই লটারি অফার, রয়েছে বাইক জেতার সুযোগ
ঈদের আগে বড় পরিবার, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আগাম অর্ডারের প্রবণতা বেড়েছে। দোকানগুলো বলছে, মোট বিক্রির প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ এখন আসে আগাম বুকিং থেকে।
চিনিপাতা দইমিষ্টির দোকানের দোকান মুক্তার হোসেন বলেন, ‘আগে মানুষ ঈদের এক-দুদিন আগে এসে কিনতো। এখন অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকেই অর্ডার দিয়ে রাখে। কেউ কেউ ২০-৩০ কেজি মিষ্টি একসঙ্গে নিচ্ছে।’
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ঈদে অতিথি আপ্যায়নের সংস্কৃতি আরও বিস্তৃত হয়েছে। প্রবাসী ও শহরে কর্মরত মানুষের বাড়ি ফেরা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনলাইন অর্ডার ও কুরিয়ার সার্ভিস সহজ হয়েছে। করপোরেট গিফটিংয়ের প্রবণতা বেড়েছে।’
দইয়ের চাহিদা বেশিঈদকে ঘিরে বগুড়ার দইয়ের বাজারে যে চাপ তৈরি হয়, সেটি অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি এবং চোখে পড়ার মতো। শহরের সাতমাথা, কালিতলা, চেলোপাড়া প্রায় সব পুরোনো মিষ্টির দোকানের ভেতরে এখন সকাল থেকেই হাঁড়ি বসছে, আর গভীর রাত পর্যন্ত দই জমানোর কাজ চলছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সময়টাতে উৎপাদন বাড়াতে না পারলে চাহিদার বড় একটা অংশই অপূর্ণ থেকে যাবে।
আরও পড়ুন: জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল বগুড়ার দই
দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ দিনে যেখানে প্রতিটি বড় দোকানে ২০০-৩০০ কেজি দই বিক্রি হয়, ঈদের আগে সেই পরিমাণ বেড়ে ৭০০-৮০০ কেজিতে পৌঁছে যায়। কোনো কোনো দিন তা ৯০০ কেজির কাছাকাছিও চলে যায়। অর্থাৎ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় তিনগুণ পর্যন্ত চাহিদা তৈরি হয়।
সাতমাথা এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন বলেন, ‘ঈদের সময় আমরা মূলত দই নিয়েই সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে থাকি। মিষ্টির চাহিদা বাড়ে ঠিকই, কিন্তু দইয়ের চাহিদা একেবারে আলাদা মাত্রায় চলে যায়। অনেকে একসঙ্গে ৫-১০ কেজি করে নিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ ২০ কেজিরও অর্ডার দিচ্ছেন। কারণ বগুড়ার দই এখন শুধু স্থানীয় খাবার না, এটা একটা ব্র্যান্ড হয়ে গেছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ বিশেষ করে দই কিনতেই এখানে আসেন। অনেকেই আবার আগে থেকেই ফোন করে অর্ডার দিয়ে রাখেন, পরে এসে নিয়ে যান।’
ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগে পরিস্থিতি আরও ব্যস্ত হয়ে ওঠে। এসময় দোকানে সরাসরি ক্রেতার ভিড়ের পাশাপাশি কুরিয়ার ও পরিবহনের জন্য আলাদা করে দই প্যাকেটজাত করা হয়। প্রতিদিন শত শত হাঁড়ি দই দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।
কালিতলা এলাকার আরেক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগে শুধু লোকাল কাস্টমার ছিল, এখন কুরিয়ার বড় একটা অংশ হয়ে গেছে। ঢাকায়, গাজীপুরে, এমনকি চট্টগ্রামেও আমরা দই পাঠাই। ঈদের আগে এই পাঠানোটা অন্তত ২০-২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। পরিবহন বাসে করে এগুলো পাঠানো হয়।’
দই তৈরির সঙ্গে জড়িত কর্মচারীরাও এই সময়টাকে সবচেয়ে ব্যস্ত মৌসুম হিসেবে দেখেন। কারিগর জামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সাধারণ সময়ে দিনে দুইবার দই বসাই, কিন্তু এখন তিন থেকে চারবার বসাতে হচ্ছে। দুধ জ্বালানো, ঠান্ডা করা, জমানো—সবকিছুই দ্রুত করতে হচ্ছে। একটু দেরি হলেই ডেলিভারি মিস হয়ে যায়।’
ক্রেতাদের মধ্যেও দই নিয়ে আলাদা আগ্রহ দেখা যায়। অনেকেই এটিকে শুধু খাবার নয়, ঈদের উপহার হিসেবেও ব্যবহার করছেন।
শহরের এক ক্রেতা নুরুল আমিন বলেন, ‘আমরা যখন আত্মীয়ের বাড়িতে যাই, তখন মিষ্টির সঙ্গে দই না নিলে মনে হয় কিছু একটা কম রয়ে গেছে। বগুড়ার দই দিলে একটা আলাদা গুরুত্ব পাওয়া যায়।’
শামীম হাসান নামের আরেকজন বলেন, ‘ঢাকায় অনেক জায়গায় দই পাওয়া যায়, কিন্তু বগুড়ার স্বাদটা আলাদা। তাই ঈদের সময় আমি অন্তত দুই-তিন হাঁড়ি নিয়ে যাই। অফিসের সহকর্মীরাও অপেক্ষা করেন।’
ব্যবসায়ীদের মতে, বগুড়ার দইয়ের এই বাড়তি চাহিদার পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করছে স্বাদের ঐতিহ্য, মানের প্রতি আস্থা এবং ঈদে অতিথি আপ্যায়নের সংস্কৃতি। ফলে প্রতি বছরই ঈদের সময় দই হয়ে উঠছে সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন পণ্য, যা পুরো মিষ্টি বাজারের বিক্রির বড় একটি অংশ দখল করে নিচ্ছে।
সেমাইয়ের বাজারও জমজমাটঈদ এলেই বগুড়ার খাবারের তালিকায় সবচেয়ে অপরিহার্য যে জিনিসটি জায়গা করে নেয়, তা হলো সেমাই। তাই দই ও মিষ্টির পাশাপাশি শহরের সেমাই বাজারেও এখন চোখে পড়ার মতো চাপ তৈরি হয়েছে। সাতমাথা, বড়গোলা, চেলোপাড়া ও কালিতলার পাইকারি ও খুচরা দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, শুধু সাধারণ সেমাই নয়, লাচ্ছা সেমাই, ঘি সেমাই, দুধ সেমাই, প্যাকেটজাত ব্র্যান্ডের সেমাই—সব ধরনের পণ্যেরই চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে হাতে তৈরি লাচ্ছা সেমাইয়ের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি, কারণ এটি দিয়ে ঈদের সকালে বিশেষ খাবার তৈরি করা হয়।
আরও পড়ুন: বগুড়ার দই তৈরি হয় কীভাবে ও দাম কত?
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের আগে শেষ দুই সপ্তাহে সেমাইয়ের বিক্রি হঠাৎ করেই ঊর্ধ্বমুখী হয়। সাধারণ সময়ে যেখানে প্রতিদিন ২০০-৩০০ কেজি সেমাই বিক্রি হয়, ঈদের আগে তা বেড়ে ৮০০-১০০০ কেজিতে পৌঁছে যায়। অনেক দোকানে এই পরিমাণ আরও বেশি হয়, বিশেষ করে ঈদের আগের তিন-চার দিনে।
বড়গোলা এলাকার পাইকারি সেমাই ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের আগের ১০-১২ দিনই আসল সময়। এই সময়টাতে বছরের প্রায় অর্ধেক বিক্রি হয়ে যায়। অনেক খুচরা দোকানদার একসঙ্গে ৫০-১০০ কেজি করে সেমাই নিয়ে যাচ্ছেন। গত দুই বছরের তুলনায় এবার অর্ডার অনেক আগে থেকেই আসছে। মানুষ এখন আগেভাগে কিনে রাখে, কারণ শেষ মুহূর্তে পছন্দের সেমাই পাওয়া যায় না।’
সেমাই উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত কারিগরদেরও এখন ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে। স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সাধারণ সময়ে আমরা দিনে এক শিফটে কাজ করি, কিন্তু এখন দুই থেকে তিন শিফটে কাজ করতে হচ্ছে। লাচ্ছা সেমাই বানানো সময়সাপেক্ষ। তাই চাহিদা মেটাতে বাড়তি শ্রমিকও রাখা হয়েছে।’
সেমাইয়ের বাজারে পাইকারি ও খুচরা দুই পর্যায়েই বড় ধরনের লেনদেন হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, ঈদ মৌসুমে সেমাই বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় তিন থেকে চারগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। এর একটি বড় অংশ যায় উপজেলার বাজারগুলোতে, যেখানে ঈদের আগের দিনগুলোতে চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়।
শুধু স্থানীয় ক্রেতা নয়, ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরা প্রবাসী ও ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে কর্মরত মানুষও সেমাই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই একসঙ্গে কয়েক কেজি করে কিনছেন, যাতে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে ভাগ করে দেওয়া যায়।
বগুড়া শহরের ক্রেতা আব্দুল মজিদ বলেন, ‘ঈদের সকালে সেমাই না হলে আমাদের বাসায় যেন ঈদই শুরু হয় না। তাই আগে থেকেই ভালো মানের সেমাই কিনে রাখি। অতিথিরা এলে দই-মিষ্টির সঙ্গে সেমাইও পরিবেশন করি।’
ঈদকে সামনে রেখে বগুড়ার দই, মিষ্টি ও সেমাইয়ের বাজারে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতে ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতিও এবার অনেক বড় পরিসরে নিতে হয়েছে। শহরের বড় ও মাঝারি প্রায় সব দোকানেই কর্মচারীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। শুধু বিক্রয়কর্মী নয়; কারিগর, প্যাকেটজাতকরণ শ্রমিক, ডেলিভারি কর্মী সব মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ মৌসুমি কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগের অন্তত এক সপ্তাহ তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এসময় অনেক দোকানেই কার্যত ২৪ ঘণ্টা কাজ চলছে। দিনে দই তৈরি, রাতে সেটি জমানো, আবার ভোরে প্যাকেট করে সরবরাহ এভাবে একটানা উৎপাদন চালাতে হচ্ছে। এই বাড়তি চাহিদার মধ্যেই কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির চাপও সামলাতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।
দুধ, চিনি, গ্যাস, এমনকি শ্রমিকের মজুরি সবকিছুর খরচ গত দুই বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
বর্তমানে ভালো মানের দই প্রতিকেজি ৩০০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২০-৩০ টাকা বেশি। একইভাবে রসমালাই, সন্দেশ, রসগোল্লাসহ বিভিন্ন মিষ্টির দাম প্রতিকেজি ৫০০-৭০০ টাকার মধ্যে রয়েছে। বিশেষ কিছু প্রিমিয়াম আইটেমের দাম আরও বেশি। অন্যদিকে সেমাই মানভেদে ২০০-২০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসআর/এএসএম