জাতীয়

যুদ্ধ-সংকটে বিশ্ব, মোনাজাতে শান্তির প্রার্থনা

সারা বিশ্বে বর্তমানে মুসলমানরা ভালো নেই। মুসলিম দেশগুলোতে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ফিলিস্তিন থেকে ইরান—প্রতিদিন রক্ত ঝরছে মুসলমানদের। যুদ্ধের আঁচ লেগেছে বাংলাদেশেও। পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে মোনাজাতেও বিশ্বের ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে মানুষকে হেফাজতের আকুতি জানিয়েছেন ইমাম।

শনিবার (২১ মার্চ) সকালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। সকাল সাড়ে আটটার এই জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মেঘলা আবহাওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মুসল্লিদের ঢল নামে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে এসে এক কাতারে দাঁড়িয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়েন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। নামাজ শেষে খুতবার পর মোনাজাত করেন তিনি। মোনাজাতে কান্নায় ভাসেন অনেক মুসল্লি। এই সময় ইরান-ফিলিস্তিনসহ সারা বিশ্বের মুসল্লিদের জন্য দোয়া করা হয়। মোনাজাতে ‘আমিন-আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণ।

মুফতি আবদুল মালেক মোনাজাতে বলেন, ‘হে আল্লাহ, বিশ্বের ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে মানুষকে হেফাজত করেন। যুদ্ধবিগ্রহ থেকে মানুষকে নিরাপত্তা দেন। মজলুমদের জুলুম থেকে হেফাজত করেন। জালিমদের আপনি শায়েস্তা করে দেন, আল্লাহ। কত জায়গায় মুসলমানরা মজলুম হয়ে আছে, অসহায়; আপনি তাদের সবচেয়ে উত্তম অভিভাবক। মানুষের মধ্যে আপনি তাদের জন্য অভিভাবক তৈরি করে দেন, প্রতিনিধি তৈরি করে দেন।’

এমওএস/এসএইচএস