ঈদের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে ছিল উপচেপড়া ভিড়। বিশেষ করে বাংলাদেশ বিমান জাদুঘর, জিয়া উদ্যান এবং বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর এলাকায় দিনভর দর্শনার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সব বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে এসব স্থান। নগরজীবনের ব্যস্ততা ও কোলাহল থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে বিকেলের দিকে ভিড় আরও বাড়তে থাকে।
সকাল থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজা এবং জিয়া উদ্যানে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে দলে দলে ঘুরতে আসেন অনেকে। কেউ সকালেই এসে সারাদিন কাটাচ্ছেন, আবার কেউ দুপুরের পর যোগ দিচ্ছেন এ আনন্দে।
ঢাকা মেট্রোরেলের বিজয় সরণি মেট্রো স্টেশন থেকে হেঁটে জিয়া উদ্যানে যেতে দেখা যায় বহু দর্শনার্থীকে। আর উদ্যানের বাইরে শিশুদের জন্য বেলুন, খেলনা ও রঙিন বাতাসা বিক্রি করতে দেখা গেছে অসংখ্য বিক্রেতাকে। অভিভাবকেরা সন্তানদের জন্য এসব কিনে দিচ্ছেন, আর শিশুরা আনন্দে মেতে উঠছে। সব মিলিয়ে পুরো এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
উদ্যানের ভেতরে বড় গাছের নিচে চাদর বিছিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে অনেক পরিবারকে। নির্ধারিত বেঞ্চে জায়গা না পেয়ে অনেকে ঘাসের ওপর বসেই দীর্ঘ আড্ডায় মেতে উঠেছেন। পাশাপাশি, টাকার বিনিময়ে ছবি তুলে দেওয়ার জন্য ক্যামেরা হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কয়েকজন যুবকও।
এদের একজন ওমর ফারুক জানান, আজ লোকসমাগম বেশ ভালো। অনেক ছবি তুলেছি।
রাজধানীর উত্তরা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা সুরাইয়া বলেন, সকালে এখানে এসেছি। জায়গাটা অনেক বড়, খোলা পরিবেশ-ঘুরে খুব ভালো লাগছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকব।
আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বিমান জাদুঘরেও ছিল শিশু-কিশোরদের ভিড়। বিভিন্ন বিমান ঘুরে দেখা ও জাদুঘরের ভেতরের রাইডে চড়ার প্রতি তাদের আগ্রহ ছিল বেশি। ইয়াসির নামে এক দর্শনার্থী জানান, বাচ্চাদের নিয়ে সব বিমান দেখেছি। এখন তারা রাইড উপভোগ করছে।
একই চিত্র দেখা গেছে বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরেও। সেখানে টিকিট কাউন্টারে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়।
এসএম/এমআরএম